শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ০৮:১৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশে কোনো পশু সংকট নেই – সাভারে মন্ত্রী আমিন উর রশিদ সাভার ও আশুলিয়ায় অপরিকল্পিত বাসা বাড়িতে বসবাসে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন জনগণ প্রাণিসম্পদ খাতকে সমৃদ্ধ করতে সরকার-বেসরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী   কুমিল্লার নাগরিক সেবায় নতুন অধ্যায়: গঠিত হচ্ছে ওয়াসা ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিচে ছোট পাইপ স্থাপনের অভিযোগ আশুলিয়ার জামগড়া ইস্টার্ন হাউজিং বাজারে জলাবদ্ধতায় ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির, ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ গৃহবধূ হত্যা মামলার আসামি র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার! আশুলিয়ার বাইপাইল- ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট, চরম দুর্ভোগে জনসাধারণ আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং কতৃক অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র অপহরণের পর হত্যা: ২০ মাস পর লাশ উত্তোলন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

আবারও মৃত্যুর গুজব, ক্ষুব্ধ এ টি এম শামসুজ্জামান

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ১২ জুন, ২০১৮
  • ৪৮৯ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্কঃ- 

হঠাৎ করেই সোমবার দিবাগত রাতে শক্তিমান অভিনেতা এ টি এম শামসুজ্জামানের মৃত্যুর খবর প্রকাশ করে কয়েকটি গণমাধ্যম। এই নিয়ে বেশ কয়েকবার শক্তিমান এই অভিনেতার মৃত্যুর গুজব বের হয়। ওই রাতেই এক ভিডিও বার্তায় সরাসরি এ টি এম শামসুজ্জামান জিজ্ঞেস করেন, ‘এসব করে কী লাভ?’ এ সময় সুস্থতার জন্য সবার কাছে দোয়া চান তিনি।

শামসুজ্জামান ফেসবুকের একটি পেজে এসে বলেন, ‘যে একাত্তর চ্যানেল, গুরুত্বপূর্ণ চ্যানেল তারা আজ আমাকে মেরেছে। তারা … প্রকৃতির। একাত্তরের মতো চ্যানেল না জেনে, না শুনে কী করে তারা এ ধরনের নিউজ দিতে পারল, আমার মাথায় আসে না। আমি বাড়ির নাম্বারে ফোন করলেও তো পারত!’

এ টি এম শামসুজ্জামান মৃত্যুর গুজবে বেশ কয়েকজন তারকাশিল্পী ও পরিচালক ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন। পরে অবশ্য তাঁরা ভুল বুঝতে পারেন এবং পুনরায় স্ট্যাটাস দিয়ে আবার সেটা পরিষ্কার করেন।

পরিচালক সকাল আহমেদ ফেসবুকের মাধ্যমে  জানিয়েছিলেন, এ টি এম শামসুজ্জামান আর নেই। পরে তিনি আরো একটি স্ট্যাটাস দিয়ে বলে, ‘বিশিষ্ট অভিনেতা এ টি এম শামসুজ্জামান সুস্থ আছেন। সবাই তার জন্য দোয়া করবেন।’

১৯৬১ সালে উদয়ন চৌধুরীর ‘বিষকন্যা’ চলচ্চিত্রে সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করার সুযোগ পান এ টি এম শামসুজ্জামান। ১৯৬৫ সালে সর্বপ্রথম চলচ্চিত্রের জন্য চিত্রনাট্য লিখেন। ছবির নাম ‘জলছবি’ এবং এর পরিচালক ছিলেন এইচ আকবর। এই চলচ্চিত্রের মাধ্যমেই অভিনেতা ফারুক যাত্রা শুরু করেন।

এ টি এম শামসুজ্জামান বিভিন্ন পরিচালকের সঙ্গে সহকারী হিসেবে কাজ করেন। তাঁদের মধ্যে খান আতাউর রহমান, কাজী জহির, সুভাষ দত্ত অন্যতম। ১৯৬৫ সাল থেকে চলচ্চিত্রে অভিনয় শুরু করেন। প্রথম অভিনীত ছবি ‘ন্যায়ী জিন্দেগী’, যা শেষ পর্যন্ত সমাপ্ত হয়নি।

পরিচালনার প্রথম ছবি ‘এবাদত’। ২০০৬ সালে চলচ্চিত্রটি মুক্তি পায়। চলচ্চিত্রটি মোটামুটি দর্শকপ্রিয়তা লাভ করলেও এ টি এম শামসুজ্জামান আর কোনো চলচ্চিত্র পরিচালনার কাজে হাত দেননি।


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451