অনলাইন ডেস্কঃ-
ঐতিহাসিক বৈঠককে সামনে রেখে সিঙ্গাপুর পৌঁছেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন।
রোববার উনের পৌঁছানোর কয়েক ঘণ্টা পরই ট্রাম্পকে বহনকারী উড়োজাহাজটি ওই দেশে পৌঁছায় বলে বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
মঙ্গলবার সিঙ্গাপুরের স্যান্টোসা দ্বীপে একটি পাঁচ তারকা হোটেলে বৈঠকে বসবেন এই দুই দেশের নেতা। এ নিয়েই এখন সরগরম বিশ্বরাজনীতিক অঙ্গন।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যে প্রথমবারে মতো এক আনুষ্ঠানিক বৈঠক হতে যাচ্ছে এটি। ট্রাম্প এবং উন দুইজনই এ বৈঠক নিয়ে খুব আশাবাদী।
পরমাণু অস্ত্র নিরস্ত্রীকরণের প্রশ্নে উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে আলোচনা হবে ট্রাম্পের; অবশ্য উনও এ প্রশ্নে ইতিবাচক মনোভাব ব্যক্ত করেছেন। তবে শেষ পর্যন্ত কি হয় সেটিই এখন দেখার বিষয়।
বিবিসি বলছে, ট্রাম্পকে বহনকারী উড়োজাহাজটি রোববার সন্ধ্যায় সিঙ্গাপুরের পায়া লেবার বিমান ঘাঁটিতে অবতরণ করে। এর কয়েক ঘণ্টা আগে চায়না এয়ারলাইন্সের একটি বিমান করে সিঙ্গাপুরের চাঙ্গি বিমানবন্দরে পৌঁছান উন।
বেশ কয়েক মাস ধরেই সম্পর্কের উত্থান-পতন ঘটছে ট্রাম্প আর উনের মধ্যে। এরই মধ্যে দুই নেতার বৈঠকের তারিখও নির্ধারিত হয়েছিল; তবে ট্রাম্প তা বাতিল করেন। এরপর আবারও নতুন তারিখ নির্ধারিত হয় তাদের বৈঠকের।
এর আগে গত শুক্রবার উনের সঙ্গে বৈঠকের প্রস্তুতি নিয়ে জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজে অ্যাবের সঙ্গে বসেছিলেন ট্রাম্প। ওই বৈঠকের পর ট্রাম্প সাংবাদিকদের জানান, উনের সঙ্গে ঠিকঠাক বৈঠক হলে উত্তর কোরিয়ার নেতাকে হাউসে আমন্ত্রণ জানানোর কথা ভাবছেন তিনি।
বিবিসি বলছে, সম্পূর্ণরূপে উত্তর কোরিয়ার পরমাণু অস্ত্র নিরস্ত্রীকরণ চায় যুক্তরাষ্ট্র এবং ওই অঞ্চলে তাদের মিত্র দেশগুলো। ট্রাম্পের মতে, এজন্য ‘দীর্ঘ আলোচনার প্রয়োজন’। এক বৈঠকে এই লক্ষ্যে উপনীত হওয়া সম্ভব নাও হতে পারে।
পরমাণু অস্ত্র নিরস্ত্রীকরণের ব্যাপারে কিম ইতিবাচক ইঙ্গিত দিয়েছেন বলে হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের জানান মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পিও। তবে এ থেকে বিয়ষটি নিয়ে ঠিক তাদের দেশের অবস্থানের ব্যাপারে এখনই কিছু নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না।