রামগঞ্জ প্রতিনিধি : লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ ভাটরা উচ্চ বিদ্যালয় বুধবার দুপুরে পাঠদান
কালে ভবনের চাদে কালবৈশাখী ঝঁড়ে বিশাল আকৃতি একাধিক গাছ পড়ে ভবনটি
ভেঙ্গে ৫ শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়।
অল্পের জন্য বেঁচে গেলেন প্রায় শতাধিক শিক্ষার্থী। জানাযায় শ্রেণী কক্ষে পাঠদান
কালে হঠাৎ কালবৈশাখী ঝঁড় শুরু হয়। মহুর্তে বিদ্যুৎ বিছিন্ন হয়ে অন্ধকার হয়ে
পড়ে। ওই সময়ে ভবনের পাশ্বে বিশাল আকৃতি পুরাতন ৫/৬টি গাছ ভবনে পড়ে চাঁদ
ভেঙ্গে পড়ে। শিক্ষক – শিক্ষার্থীরা বই রেখে ভয়ে আতংকে লাফিয়ে শ্রেণী কক্ষে ত্যাগ
করলেও দশম শ্রেণীর ছাত্রী জান্নাত, ছুমাইয়া আক্তার, সাথী আক্তার,সোহাগ, অপু
গুরুতর আহত হয়ে উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্য্র ভর্তি হয়েছে।
বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক মো: রফিকুল ইসলাম জানান বিদ্যালয়টি ২০১০ সালে
নির্মাণ করা হয়। ভবনটি বেশী জরাজীর্ণ না হলেও বিশাল আকৃতি গাছ ভেঙ্গে
ভবনটি ভেঙ্গে যায়। বৃহস্প্রতিবার ঝঁকি নিয়ে ওই শ্রেণী কক্ষে পাঠদান করা হয়।
ঝঁড়ে উপজেলার টিউরী উচ্চ বিদ্যালয় আধা পাকা ভবনের টিনসেট ভেঙ্গে পড়ে। বিকল্প
পাঠদান না থাকায় বৃহস্প্রতিবার খোলাকালে বৃষ্টি ভেজা ভবনে শিক্ষার্থীদের পাঠদান
করতে হচ্ছে। উপজেলা ব্যাপী কালবৈশাখী ঝঁড়ে প্রায় শতাধিক বসত ঘর,রান্না
ঘর,গাছ-পালা ভেঙ্গে চুরমার হয়ে পড়ে। কৃষকের পাকা,আধা পাকা বোরো ধান সহ
শস্য চাষীদের মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে পড়েন। নাগমুদ গ্রামের খলিল মোল্যা বাড়ির
ফারুক,মালিবাড়ির উপেন্দ্র চন্দ্রশীল, উত্তর টিউরী গ্রামের ফতেহ মোহাম্মদ বাড়ির
রিনা বেগমের বসত ঘর,নাগমুদ চৌধুরী বাড়ির আব্দুল কাদের চৌধুরীর বসত ঘর
ভেঙ্গে খোলাকাশে পরিবার নিয়ে জীবন-যাপন করেন।
ভোলাকোট ইউপি চেয়ারম্যান বশির আহম্মদ মানিক ভিপি,ভাটরা ইউপি আবুল
হোসেন মিঠু জানান ক্ষতিগ্রস্থ ভবন ও পরিবারদেরকে আর্থিক সহায়তা উপজেলা
নির্বাহী অফিসার মো: আবু ইউসুফকে অবহিত করা হয়।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ আবু ইউসুফ জানান ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার ও
প্রতিষ্ঠান গুলো তালিকাভূক্ত করে জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপে আর্থিক সহায়তা
চেষ্টা করবো।