রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:৩৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
মিল্টন-জাহাঙ্গীর পরিষদ সবার সেরা’ স্লোগানে মিরপুরে ছাত্রদলের বিশাল মিছিল  আশুলিয়ায় পোশাক শ্রমিকদের বেতন বৃদ্ধির দাবিতে আন্দোলন, গাড়িতে ভাংচুর করে আগুন দিয়েছে শ্রমিকরা আশুলিয়ায় ছাত্র-জনতা হত্যা মামলার আসামি ও সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় এনামুল গ্রেফতার আশুলিয়ায় ডিবি পুলিশ কর্তৃক ৫২ কেজি গাঁজাসহ একজন পেশাদার মাদক কারবারী গ্রেফতার একটি গাড়ী ‍উদ্ধার বাংলাবাজার পত্রিকার সাংবাদিক জাহাঙ্গীর প্রধানকে প্রাণনাশের হুমকি-আশুলিয়া থানায় জিডি পশ্চিম ছাত্রদলের নতুন কমিটি ঘিরে তৎপরতা, আলোচনায় একাধিক নেতা আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম নিয়ে অপপ্রচারের অভিযোগ আওয়ামী ফ্যাসিবাদী শক্তিকে বাংলাদেশে আর কোনদিন রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মিরপুরের ঐতিহ্যবাহী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে সুশাসন ও শিক্ষার মান উন্নয়নের সুবাতাস বইছে প্রতিবেশী দেশ থেকে মাদক ঢুকিয়ে যুবসমাজ ধ্বংসের ষড়যন্ত্র চলছে : প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু

এক শিকলেই কেটে গেছে চাঁন মিয়ার ২২ বছর

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ৫ এপ্রিল, ২০১৮
  • ১৭২ বার পড়া হয়েছে

টি.আই সানি,গাজীপুর প্রতিনিধি:
গাজীপুরের শ্রীপুর পৌর এলাকার দক্ষিনপাড়া গ্রামের রেল
লাইন ঘেঁষা ছোট খুপরী ঘরে মাজেদা খাতুনের পাঁচ সন্তান
নিয়ে বসবাস। অভাব পিছু ছাড়েনি এই পরিবারটিতে
কখনও। একটা সময় অভাবের কারনে মাজেদা খাতুনের স্বামী
তাকে ছেড়ে অন্যত্র চলে যান। এখন মাজেদা খাতুনের সবচেয়ে
বড় কষ্ট তাঁর বড় ছেলে চাঁন মিয়াকে ২২ বছর ধরে শিকলে
বেঁধে রেখেছেন। কারন ১৯৯৬ সালের দিকে তাঁর মস্তিস্কের
বিকৃতি ঘটেছে। অনেক কষ্ট করে সন্তানদের মুখে দু
মুঠো ভাত তুলে দেয়ার জন্য সংগ্রাম করতে হয় মাজেদাকে।
ছেলের চিকিৎসার ব্যবস্থা করানোটাই ২২ বছর ধরে স্বপ্নেই
রেখেছেন তিনি।
মাজেদা খাতুন জানান, তাঁরা দীর্ঘ প্রায় ত্রিশ বছর ধরে এই
রেল সড়কের পাশেই রেলের জমিতে খুপরী ঘর তৈরী করে বসবাস
করে আসছেন। তাঁর স্বামী মোস্তফা একজন দিনমুজুর ছিল।
তাদের সংসারের প্রথম সন্তান এই চাঁন মিয়া। তাঁর বয়স
যখন সাতবছর তখনই ময়মনসিংহের একটি মাদ্রাসায় তাকে
হাফেজী পড়ার জন্য ভর্তি করা হয়। কিন্তু ১৯৯৬ সালের দিকে
তাঁর মানসিক সমস্যা তৈরী হয়। পরে আর অর্থাভাবে কোন
ধরনের চিকিৎসা করাতে পারেননি। এসময় থেকেই তাকে
শিকলে বাড়িতে বেঁধে রাখা হচ্ছে। সময় গড়িয়ে চলে
গেছে ২২ বছর।
তিনি আরো জানান, পরে তাদের সংসারে আরো চারজন
সদস্যের জন্ম হয়। কিন্তু অভাবের কারনে একটি সময় তাঁর

স্বামী তাদের ছেড়ে চলে যায়। এর পর থেকেই বিভিন্ন
বাড়িতে ঝিয়ের কাজ করে কোন রকমে সন্তানদের মুখে ভাত
তুলে দেয়ার চেষ্টা করছেন। বিভিন্ন সময় তাঁর প্রতিবন্ধি
সন্তানের সহযোগিতার জন্য মানুষের দ্বারে দ¦ারে ঘুরছেন।
স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাকে সহযোগীতার আশ্বাস
দিয়েছেন কয়েকবার কিন্তু তা মুখেই সীমাবদ্ধ রয়েছে।
এ বিষয়ে শ্রীপুর পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর
তাজউদ্দিন আহমেদ জানান,হতদরিদ্র পরিবারের এই মানসিক
প্রতিবন্ধি সন্তানই এখন তাদের বড় সমস্যা। এরা সহায়তার
জন্য একবার আমার কাছে এসেছিল। তাদের কিছু কাগজ
জোগাড় করার জন্য বলেছিলাম পরে আর আসেনি।
শ্রীপুর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মনজুরুল হক
জানান, সমাজের অবহেলিত হতদরিদ্র লোকজনের সহায়তায়
সরকারের সামাজিক কর্মসূচী কার্যক্রম চলমান আছে। এই
প্রতিবন্ধির পরিবারকে কর্মসূচীর মাধ্যমে সহায়তা করা
হবে।


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451