রামগঞ্জ প্রতিনিধি : লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার জিয়াউল হক উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড
কলেজের অধ্যক্ষ মো: তাজুল ইসলাম পাইনকে একটি মহল নানা ভাবে হয়রানী
করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সূত্রে জানান অধ্যক্ষ তাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে গত কয়েকদিন যাবত ফেসবুক
ফেইক আইডি থেকে জিয়াঊল হক উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে
অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতির ঘটনায় ফেসবুক ফলাও করা হয়েছে। তিনি উপবৃত্তি
টাকা,প্রতিষ্ঠানের অর্থ আত্মসাতের ঘটনা তুলে ফেসবুক ছড়িয়ে হয়রানীর
তীব্রপ্রতিবাদ জানান।
তাজুল ইসলাম পাইন জানান গত প্রায় ৫বছর আগে তিনি কলেজে অধ্যক্ষ
হিসেবে যোগদান করেন। ওই সময়ে কলেজের শিক্ষার্থী সংখ্যা ছিল মাত্র সাড়ে
৪ শত জন। অবকাঠামো উন্নয়নসহ কলেজে বিশৃংখলা ছিল। কলেজের পাসের হারও
নগন্য ছিল। তিনি জানান বর্তমানে কলেজে শিক্ষার্থী সংখ্যা প্রায় সাড়ে
৮শত জন। পরীক্ষা পাসের হারও ভালো। পরিচালনা কমিটিও শৃংখলা মাধ্যমে আনতে
সক্ষম হন।
তবে একটি দুষ্কৃতি মহল কলেজ থেকে অনৈতিক সুবিধা বঞ্চিত হয়ে রাগে-
ক্ষোভ কলেজসহ তাকে হয়রানী করে আসছে। তিনি জানান কমিটি পরিচালিত
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অধ্যক্ষ জালিয়াতি করার কিছুই নেই। কারণ উপ-বৃত্তি টাকা
ব্যাংকের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা উত্তোলন করেন। শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে
আদায়কৃত টাকাও ব্যাংকে জমা হয়। কলেজের টাকা জালিয়াতি ও অনিয়ম
হয়নি।
তাজুল ইসলাম জানান জিয়াউল হক উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজটি জেলার অন্যান্য
কলেজের সাথে পরীক্ষার সাফল্য প্রতিযোগীতার মাধ্যমে এগিয়ে যাচ্ছে।
প্রতিষ্ঠানের অবকাটামো উন্নয়ন, পরিচালনা ও শিক্ষকদের মধ্যে শৃংখলা আনতে
সক্ষম হয়। কলেজের পরীক্ষার সাফল্য এগিয়ে যাচ্ছে।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মিজানুর রহমান ভ’ইঁয়া জানান কলেজের
অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে কেই লিখিত অভিযোগ করেননি। ফেসবুক ফেইক আইডি
গুরুত্ব দেয়নি।