বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ০১:৫০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে প্রবাসীদের সর্বাত্মক সহযোগিতা করছে সরকার – ইরান-ইসরাইল যুদ্ধে নিহত প্রবাসীর জানাযায় প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী ভূমিকম্প পরবর্তী উদ্ধার অভিযানে ঢাকা মহানগরে ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবক তৈরি করা হচ্ছে-দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী ঠাকুরগাঁওয়ে দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা, এসপি বরাবর অভিযোগ মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত নিরসনে দোয়ার অনুরোধ ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদের খালে মাছের চাষ ও খালপাড়ে গাছ লাগানো হবে- আসাদুল হাবিব দুলু এমপি  ওসমান হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সালসহ ভারতে গ্রেপ্তার ২ এবার স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে কোনো আলোকসজ্জা করা হবে না- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাগেরহাটের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের সংবর্ধনা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক দল  চট্টগ্রাম মহানগর প্রস্তুতি কমিটির আনন্দ শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত চট্টগ্রামে যুবলীগ ক্যাডার একাধিক হত্যা মামলার আসামী টেডি দিদার খুন

বন্যায় বীজতলা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ॥ বন্যা পরবর্তী আমন চাষে চারা সংকটে বিপন্ন গাইবান্ধার কৃষকরা

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ৯ আগস্ট, ২০১৬
  • ৩২০ বার পড়া হয়েছে

গাইবান্ধা থেকে শেখ হুমায়ুন হক্কানী ঃ বন্যায় বীজ তলা নষ্ট হওয়ায় বন্যা

কবলিত গাইবান্ধার চারটি উপজেলায় রোপা আমন ধানের চারা তীব্র সংকট দেখা

দেয়ায় বিপাকে পড়েছে কৃষকরা। ফলে চলতি মৌসুমেও রোপা আমন চাষ লক্ষ্যমাত্রা

অর্জিত না হওয়ার আশংকা দেখা দিয়েছে।

উলেখ্য, জেলার সাতটি উপজেলার মধ্যে গাইবান্ধা সদর, সুন্দরগঞ্জ, ফুলছড়ি ও

সাঘাটাসহ চারটি উপজেলা বন্যা কবলিত হিসেবে চিহিৃত করা হয়েছে।

সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়া ইউনিয়নের তেলিয়ান গ্রামের কৃষক কাশেম

আলী জানান, তিনি এক বিঘা জমিতে বীজতলা তৈরি করে ছিলেন। কিন্তু বন্যার

পানিতে বীজতলার ডুবে চারা পচে নষ্ট হয়ে গেছে। বন্যার পানি সরে গেলেও আমন

চাষ করার অভাবে নতুন করে চারা লাগানো যাচ্ছে না।

একই উপজেলার বুরুঙ্গী গ্রামের কৃষক সোলায়মান আলী জানান, তার পাঁচ বিঘা

জমিতে রোপা আমন ধান রোপনের ইচ্ছা ছিল। এরমধ্যে অতিকষ্টে জেলার

গোবিন্দগঞ্জ থেকে চারা সংগ্রহ করে মাত্র দুই বিঘা জমিতে আমন ধান রোপন

করছেন। বাকী তিন বিঘা জমি চারা অভাবে চাষ করতে পারেননি। এ অবস্থা শুধু

সাঘাটায় নয়, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত চারটি উপজেলাতেই একই অবস্থা বিরাজ

এদিকে জেলার গোবিন্দগঞ্জ ও পলাশবাড়ীসহ বিভিন্ন উচু এলাকায় আমন চারা

পাওয়া গেলেও তার দাম দুই থেকে তিন গুন বেশি। এক পোন (২০ গোন্ডা) চারা দেড়

থেকে দুই’শ টাকা বেশি হওয়ার কথা নয়। সেখানে প্রতি পোন চারা সাড়ে ৫শ’

থেকে ৬শ’ টাকা নেয়া হচ্ছে। এছাড়া পরিবহন বাবদ অর্থ ব্যয় করে এতোদুর

থেকে চারা সংগ্রহ করে চাষাবাদ করা কষ্টকর।

গাইবান্ধা জেলা কৃষি বিভাগ সুত্রে জানা গেছে, বন্যায় ১৮ হাজার ৭শ’ ১২

হেক্টর জমির আমন বীজতলা, রোপা আমন, আউশ ধানসহ শাক-সবজি তলিয়ে

গেছে। এছাড়াও অন্যান্য ফসলি জমি তলিয়ে গেছে ৬শ’ ৬৭ হেক্টর। এদিকে বন্যা

পরবর্তী অবস্থায় পুনরায় ৮৪ হাজার ৪শ’ ৭১ হেক্টর জমিতে রোপা আমন চাষের

লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারন করা হলেও চারা সংকটের কারণে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা সম্ভব নাও

হতে পারে বলে আশংকা করা হচ্ছে।

শেখ হুমায়ুন হক্কানী

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451