সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ০৪:০৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
জয়পুরহাটে সংরক্ষিত নারী আসনে আলোচনার শীর্ষে নাজমা খানম রুপালি পাহাড়ে খ্রিস্টান মিশনারির তৎপরতা: পিছিয়ে পড়ছে নওমুসলিমগণ ঈদযাত্রায় জনভোগান্তি কমাতে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে – প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু                    কৃষকদের ফসল সুরক্ষায় ইনসুরেন্স চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে – খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষি মন্ত্রী        ঈদযাত্রায় স্বস্তি: নির্ধারিত ভাড়ায় চলাচল, অনিয়মে কঠোর ব্যবস্থা—গাবতলীতে সড়ক মন্ত্রীর পরিদর্শন দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও মানবাধিকার কর্মকর্তা ফরিদ মিয়া মিরপুরে ছাত্রদল নেতা আশরাফুল হোসেন মামুনের সেহেরি আয়োজনে হাজারো মানুষের উপচে পড়া ভিড় প্রধানমন্ত্রীর ঈদ বোনাস পেলেন ডিএনসিসির ৩ হাজার ৩২ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মী খাল খনন প্রকল্প বাস্তবায়নে কেউ দুর্নীতি করলে কঠোর ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে  -তথ্যমন্ত্রী  ১৪ নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী মোঃ সুমন হোসেনের ঈদের শুভেচ্ছা

পিংনা ইউপি চেয়ারম্যান জেল হাজতে

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ৯ আগস্ট, ২০১৬
  • ৩৯৩ বার পড়া হয়েছে

জাহিদ হাসান সরিষাবাড়ী (জামালপুর) থেকে: জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার পিংনা ইউনিয়ন পরিষদের

চেয়ারম্যান যুবলীগ নেতা খন্দকার মোতাহার হোসেন জয়কে গাছ চুরির মামলায় সোমবার সকালে জেল হাজতে

পাঠিয়েছে আদালত। তার বিরুদ্ধে প্রায় ১৫ লাখ টাকার সরকারি গাছ বিক্রির পর অর্থ আত্মসাত চেষ্টার

অভিযোগে গত বৃহষ্পতিবার সরিষাবাড়ী মামলা আমলে নেওয়ার আদালতে মামলা (সিআর ২১৩ (১)/১৬)

দায়ের হয়। মামলায় সেদিনই গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী হওয়ায় চেয়ারম্যান খন্দকার মোতাহার হোসেন জয়

সোমবার আদালতে আত্মসমর্পন ও জামিনের আবেদন করেন। বিজ্ঞ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট বৃশ্চিক হাগিদক

জামিন না-মঞ্জুর করে তাকে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। বাদিপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন এড.

মোজাম্মেল হক। নুরুল ইসলাম নামে গাছের এক অংশীদার মামলাটি দায়ের করেন। এলজিইডি ও আদালত সুত্র

জানায়, পিংনা ইউনিয়নের বারইপটল-ফুলদহের পাড়া সড়কের দুই পাশের ১১টি সরকারি মেহগনি গাছ গত ১৩

জুলাই চেয়ারম্যান মোতাহার হোসেন অবৈধভাবে কেটে বিক্রি করেন। খবর পেয়ে ইউএনও (ভারপ্রাপ্ত) মিজানুর

রহমান ঘটনাস্থলে গিয়ে গাছগুলো জব্দ করেন। ওইদিনই উপজেলা প্রকৌশলী আমজাদ হোসেন এ ঘটনায়

চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে থানায় জিডি করেন। পরবর্তীতে একই ঘটনায় জনস্বার্থে আদালতে মামলা দায়ের করেন

গাছের একাংশের মালিক। উপজেলা প্রকৌশলী আমজাদ জানান, ১৯৯০ সালে বারইপটল-ফুলদহের পাড়া সড়কের

দুই পাশে স্থানীয় সাজেদা-মমতা ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট এলজিইডির সাথে চুক্তিতে গাছগুলো রোপন করে। স্থানীয়

সরকার বিভাগ (এলজিইডি), সাজেদা-মমতা ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট ও ইউনিয়ন পরিষদ গাছের সমান অংশীদার।

কিন্তু ইউপি চেয়ারম্যান সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের অনুমতি ছাড়াই অবৈধভাবে গাছগুলো কেটে বিক্রি করেন

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451