রামগঞ্জ প্রতিনিধি :
লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার সাউধেরখিল গ্রামে মঙ্গলবার রাতে আসামী পক্ষের পটাশ মিশ্রিত
দুধ খেয়ে মামলার বাদি ব্যবসায়ী মহসিন ভুইয়া মারা যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সৃষ্ঠ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী শিরিনি বেগম বাদি হয়ে মামলা দায়ের করলে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে
জেলা মর্গে প্রেরন করেছে। ঘটনার সাথে সাথেই আসামী পক্ষের লোকজন আত্মগোপন করে।
সুত্রে জানায়,উপজেলার সাউধেরখিল গ্রামের সুজা ভুঁইয়া বাড়ির ব্যবসায়ী মোঃ মহসিন
ভুইয়া মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে খাওয়া-ধাওয়া শেষ করলে স্ত্রী শিরিন বেগম রান্না ঘরের পাতিল
থেকে দুধ এনে স্বামী ও সন্তানদের পান করতে দেয়। স্বামী মহসিন আধা গ্লাশ দুধ খাওয়া মাত্রই
বুকের ব্যথা শুরু হয়ে মুখ দিয়ে লালা বাহির হতে থাকে। এসময় স্ত্রী শিরিনের চিৎকারে বাড়ির
লোকজন ছুটে এসে অবস্থার বেগতি দেখে রামগঞ্জ সরকারী হাসপাতালে ভর্তি করে। হাসপাতালের
ডাক্তার বিষাক্ত দুধ বাহির করার চেষ্টা চালানোর সময় তিনি মারা যায়। নিহতের চাচা নিজাম
ভুইয়া বলেন, মোঃ মহসিন ভুইয়ার সাথে একই বাড়ির মাইন উদ্দিন ও কুতুব উদ্দিন ভুইয়ার দীর্ঘ
কয়েক বছর যাবত সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে। নিহতের স্ত্রী শিরিন বেগম
বলেন,মামলা প্রত্যাহার করতে আসামীরা ও তাদের পক্ষের লোকজন আমার পরিবারতে নানা ভাবে চাপ
সৃষ্টি করে এবং একাধিকবার হত্যার হুমকি দেয়। এব্যাপারে থানাতে একাধিক বার জিডি করা
হয়েছে। পুর্বের হুমকিতে প্রমানিত হয় আসামীরা পরিকল্পিত ভাবে চুলার উপর থাকায় দুধের
সাথে পটাশ মিশিয়ে দিয়ে যায়। খাওয়া মাত্রই স্বামী মহসিন অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং মারা যায়।
এলাকাবাসীরা বলেন, কয়েকমাস পুর্বে অজ্ঞাত ব্যক্তিরা পরিকল্পিত ভাবে খাওয়ার সাথে নেশা
জাতীয় দ্রব্য মিশিয়ে দেয়। উক্ত খাওয়ার খেয়ে বসত ঘরের সবাই অজ্ঞান হয়ে যায়। লাশ উদ্ধারকারী
ডোম আবদুর রহিম বলেন,দুধের সাথে বিষাক্ত দ্রব্য ছিলো তা স্পষ্ট বুঝা যায়। রামগঞ্জ থানার
ওসি তদন্ত ফজলুর রহমান বলেন,লাশ ময়না করতে জেলা মর্গে পাঠানো হয়েছে।