রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ০২:১৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশে কোনো পশু সংকট নেই – সাভারে মন্ত্রী আমিন উর রশিদ সাভার ও আশুলিয়ায় অপরিকল্পিত বাসা বাড়িতে বসবাসে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন জনগণ প্রাণিসম্পদ খাতকে সমৃদ্ধ করতে সরকার-বেসরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী   কুমিল্লার নাগরিক সেবায় নতুন অধ্যায়: গঠিত হচ্ছে ওয়াসা ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিচে ছোট পাইপ স্থাপনের অভিযোগ আশুলিয়ার জামগড়া ইস্টার্ন হাউজিং বাজারে জলাবদ্ধতায় ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির, ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ গৃহবধূ হত্যা মামলার আসামি র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার! আশুলিয়ার বাইপাইল- ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট, চরম দুর্ভোগে জনসাধারণ আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং কতৃক অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র অপহরণের পর হত্যা: ২০ মাস পর লাশ উত্তোলন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

রংপুরে খাদেম হত্যায় ৭ জঙ্গির মৃত্যুদণ্ড

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় রবিবার, ১৮ মার্চ, ২০১৮
  • ৩১১ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্কঃ-

রংপুরের কাউনিয়ায় মাজারের খাদেম ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা রহমত আলী হত্যা মামলায় সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

রোববার সকালে রংপুরের বিশেষ জজ আদালতের বিচারক নরেশ চন্দ্র সরকার এই রায় ঘোষণা করেন।

রায়ে সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার পাশাপাশি ছয়জনকে মামলা থেকে খালাস দেন আদালত।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন— মাসুদ রানা, লিটন মিয়া, বিজয়, চান্দু, ইসাহাক আলী, সাখাওয়াত হোসেন ও সরোয়ার। এরা সবাই নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জেএমবির সদস্য।

খালাস পাওয়া ছয়জন হলেন— সাদাত হোসেন, তৌফিকুল ইসলাম, আবু সাঈদ, রাজীব ওরফে আলমগীর, বাবুল আখতার ও রাজিবুল ইসলাম। এদের মধ্যে রাজিবুল ইসলাম ও বাবুল আখতার পলাতক রয়েছেন।

বিশেষ জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) অ্যাডভোকেট রথিশ চন্দ্র ভৌমিক জানান, মামলায় ৪৬ সাক্ষী তাদের সাক্ষ্য দিয়েছেন আদালতে। ৪ মার্চ মামলার যুক্তিতর্ক শেষ হয়। রোববার আদালত রায় ঘোষণা করেছেন। রায়ে সাতজনকে মৃত্যুদণ্ড ও ছয়জনকে মামলা থেকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

২০১৫ সালের ১০ নভেম্বর রাতে রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার মধুপুর ইউনিয়নের চৈতার মোড়ের মাজার শরিফের খাদেম রহমত আলীকে (৬০) গলা কেটে হত্যা করে জেএমবি সদস্যরা। তিনি টেপামধুপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি এবং চৈতার বাজারে ওষুধের দোকান করতেন। রাত ১১টার দিকে দোকান বন্ধ করে বাড়ি যাওয়ার পথে চৈতার মোড়ে জেএমবি সদস্যরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও জবাই করে হত্যা করে তাকে।

নিহত রহমত আলী তরিকাপন্থি সুরেশ্বরী পীরের অনুসারী ও মাজারের খাদেম ছিলেন। তার বাড়িতে দরবার শরিফ ছিল। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে অ্যাডভোকেট শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে কাউনিয়া থানায় একটি মামলা করেন।

মামলায় গত বছরের ৩ জুলাই ১৩ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। এদের মধ্যে জঙ্গি বাইক হাসান ও সাদ্দাম হোসেন পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়। বাকি ১১ জনের মধ্যে ৯ জঙ্গি গ্রেপ্তারের পর থেকে কারাগারেই রয়েছে। এরপর ৪৬ সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ ও উভয় পক্ষে আইনজীবীদের যুক্তিতর্ক শোনার পর রোববার রায় দিলেন আদালত।


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451