শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ০৯:১৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশে কোনো পশু সংকট নেই – সাভারে মন্ত্রী আমিন উর রশিদ সাভার ও আশুলিয়ায় অপরিকল্পিত বাসা বাড়িতে বসবাসে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন জনগণ প্রাণিসম্পদ খাতকে সমৃদ্ধ করতে সরকার-বেসরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী   কুমিল্লার নাগরিক সেবায় নতুন অধ্যায়: গঠিত হচ্ছে ওয়াসা ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিচে ছোট পাইপ স্থাপনের অভিযোগ আশুলিয়ার জামগড়া ইস্টার্ন হাউজিং বাজারে জলাবদ্ধতায় ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির, ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ গৃহবধূ হত্যা মামলার আসামি র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার! আশুলিয়ার বাইপাইল- ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট, চরম দুর্ভোগে জনসাধারণ আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং কতৃক অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র অপহরণের পর হত্যা: ২০ মাস পর লাশ উত্তোলন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় ভৈরব নদীর পাড় কেটে মাটি বিক্রি

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় শুক্রবার, ২ মার্চ, ২০১৮
  • ২০১ বার পড়া হয়েছে

 

সালেকিন মিয়া সাগর ,চুয়াডাঙ্গা:  চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা এলাকার ওপর দিয়ে প্রবাহমান
ঐতিহ্যবাহী ভৈরব নদী খনন করা হবে এ রকম মিথ্যা প্রচারণা চালিয়ে মাটি খেকো দালাল ও ট্রাক্টর মালিকরা
ভৈরব নদীর পাড় থেকে হাজার হাজার গাড়ি মাটি কেটে স্থানীয় ইটভাটাসহ নিচু জমিতে মাটি ভরাটের
কাজে বিক্রি করছে। অব্যাহত মাটি কাটার ফলে আগামী বর্ষা মওসুমে নদী সংলগ্ন উঁচু পাড় ভেঙে
পড়বে বলে আশঙ্কা করছে পাশ্ববর্তী কৃষকরা।
সরেজমিনে নদীর পাড় কাটার স্থান ঘুরে দেখা গেছে, প্রতিদিনই বেশ কয়েকটি ট্রাক্টর পাল্লা দিয়ে
কোমরপুর পূর্বপাড়ার নদীর পাড় কাটছে। নদীর পাড় কাটার বিষয়ে জমির মালিকদের সাথে কথা বললে তারা
জানায় মেহেরপুর জেলাসহ ভৈরব নদী সরকারিভাবে খনন করা হচ্ছে। আমাদের এলাকায় নদী বেশ কয়েক বার
মাপজোপ করা হয়েছে। আমাদের এ সকল জমি খননের মধ্যে পড়বে। তাই আগেভাগেই স্বল্প টাকায় মাটি
বিক্রি করছি। কারা মাটি কিনছে এর জবাবে এলাকার বেশ কিছু দালাল ও ট্রাক্টর মালিকরা বলেন এসব
মাটি কোথায় যাচ্ছে জানি না। এলাকার কয়েকটি ইটভাটার মালিকদের সাথে কথা হলে নাম প্রকাশ করার
শর্তে জানান, আমাদের কোন গাড়ি মাটি কাটার কাজে ব্যবহার হচ্ছে না। বাইরে ট্রাক্টর মাটি
ইটভাটায় দিয়ে যাচ্ছে। এ বিষয়ে দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী অফিসার রফিকুল হাসানের সাথে
যোগাযোগ করলে তিনি জানান, কোন ব্যক্তি নদীর পাড়ের স্তর কাটতে হলে তাকে অবশ্যই আমাদের কাছে
অনুমোদন নিতে হবে। না নিলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। যদি ফসলি জমিতে
কেউ মাটি কাটে এবং পাশের জমির মালিক লিখিত অভিযোগ দেন, তাহলে তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া
হবে।


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451