সালেকীন মিয়া সাগর::- লাগামহীন ভাবে বেড়েছে পানের বাজার। হঠাৎ এভাবে পানের দাম বেড়ে যাওয়ায়
বিপাকে পড়েছে চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদার অল্প আয়ের পান পিপাসীরা। দেখা মেলছে না পান
পিপাসীদের মূখ ভরে পান ছিবিয়ে গল্পরস। অধিকাংশ পান পিপাসীরা পান পিপাসায় ভোগছে, বড় পান
হাতের নাগালে, ছোট ছোট ঝড়া পানও কিনতে হচ্ছে চার-পাঁচ গুণ দামে। এভাবে পানের বাজার বাড়ায়
লাভবান হচ্ছেন গয়েসু জাতের পান চাষীরা। তবে লালডিঙ্গি জাতের পান চাষীদের হতাশাই বেশি। কারণ শীত
কালীন কুয়াশায় ঝরে পড়েছে পান। বৃষ্টি না থাকায় নতুন করে ধরছে না পানপাতা।
পানের দাম বাড়ায় অনেকেই বলছেন, ১কেজি গরুর মাংসের দামে কিনতে হচ্ছে ২পন পান। সর্বনিন্ম ১পন
পানের দাম ৬০ টাকা থেকে ৭০টাকা। ভালোমানের ১ পন পানের দাম প্রায় ২৩০টাকা থেকে ২৫০টাকা
পর্যন্ত। এতে করে পান পিপাসীরা বাজারে পান কিনতে এসে বিপাকে পড়ছেন। এক মাস আগেও এক পন
মাঝারী পান ছিলো ৫০টাকা থেকে ৬৫টাকায়।
কার্পাসডাঙ্গা বাজারের পান ব্যবসায়ী বাসু জানান, বাজার বাড়ায় বড় পান বড় ব্যবসায়ীরা নিয়ে যায়।
মধ্যম পানের পন প্রতি ১২০ টাকা থেকে ১৩০ টাকায় ক্রয় করতে হচ্ছে। যে পান গুলো বরজ ওলারা ফেলে দিতেন
এগুলোই এখন কিনতে হচ্ছে ৪০টাকা থেকে ৫০ শত টাকা প্রতি পন।
জানাযায়, দামুড়হুদায় সবচেয়ে বেশি পান পাওয়া যাচ্ছে উপজেলার রুদ্রনগর,গোবিন্দপুর,কুশাঘাটাসহ
বেশ কয়েকটি এলাকায়। এ এলাকায় পান চাষের বরজ বেশি। পান চাষী প্রতাপপুর গ্রামের মো. বকতিয়ার
মিয়া বলেন, গয়েসু ও লালডিঙ্গি জাতের পানের চাষ এ এলাকায় বেশি চাষ করা হয়।আর চুয়াডাঙ্গা
জেলাতো পান চাষের জন্য বিখ্যাত। কুয়াশায় লালডিঙ্গি পান ঝরে পড়ায় গয়েসু জাতের পানের বাজার
আকাশ ছোঁয়া। গয়েসু বড় পান পাইকারী বিক্রি হচ্ছে ২০০টাকা পন,লালডিঙ্গি ১৯০টাকা পন।
একাধিক পান চাষীদের সাথে কথা বলে জানাযায়, শীতের সময়ে গয়েসু পান তুলনামূলক অনেক কম ঝরে।
এজন্য গয়েসু চাষীরা লাভবান।
উপজেলা কৃষি অফিসার সুফি:মো. রফিকুজ্জামান জানায়, পানের দাম বাড়তি থাকায় পান চাষিরা
লাভজনক। দামুড়হুদায় ৭৫ হেক্টরেরও বেশি জমিতে পান চাষ হচ্ছে। এ উপজেলায় প্রায় ২২০০টিরও বেশি পানের
বরজ রয়েছে