অনলাইন ডেস্কঃ-
সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে দ্বন্দ্বের জেরে চলমান অচলাবস্থার মধ্যে মালদ্বীপে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। সোমবার দেশটির প্রেসিডেন্ট আবদুল্লা ইয়ামিন ১৫ দিনের রাষ্ট্রীয় জরুরি অবস্থা জারি করেন।
এ নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো রাষ্ট্রীয় জরুরি অবস্থা জারি করলেন মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ইয়ামিন। এর আগে তাকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ এনে ২০১৫ সালের নভেম্বরে তিনি জরুরি অবস্থা জারি করেছিলেন।
সোমবার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে জরুরি অবস্থা জারির ঘোষণা দেন মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের সহযোগী আজিমা শুকুর। এর মাধ্যমে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনীকে সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের আটকের ক্ষমতা দেওয়া হলো। খবর এএফপি ও বিবিসির
দ্বীপ রাষ্ট্র মালদ্বীপের সুপ্রিম কোর্ট গত বৃহস্পতিবার স্বেচ্ছা-নির্বাসিত সাবেক প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ নাশিদসহ কারাদণ্ডপ্রাপ্ত বিরোধীদলীয় নেতাদের অবিলম্বে মুক্তির আদেশ দেন। পাশাপাশি বহিষ্কার করা ১২ জন আইনপ্রণেতাকে স্বপদে ফিরিয়ে আনার আদেশ দেয়া হয়। ওই আইনপ্রণেতাদের স্বপদে ফিরিয়ে আনা হলে দেশটির ৮৫ সদস্যের আইনসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে বিরোধী দল। এ প্রেক্ষাপটে ইয়ামিন সরকার এ আদেশ প্রত্যাখ্যান করে গত শনিবার পার্লামেন্ট অধিবেশন স্থগিত করে।
এরপর রোববার প্রেসিডেন্ট আবদুল্লা ইয়ামিনকে অভিশংসন বা গ্রেফতার করতে সুপ্রিম কোর্টের একটি আসন্ন নির্দেশের কথা জানায় মালদ্বীপের সরকার। সেনা ও পুলিশ প্রধানকে নিয়ে দেশটির অ্যাটর্নি জেনারেল সাংবাদিকদের বলেন, সরকার খবর পেয়েছে যে, প্রেসিডেন্ট ইয়ামিনকে গ্রেফতারে সুপ্রিম কোর্টের একটি নির্দেশ ‘অত্যাসন্ন’। এ পদক্ষেপকে ‘অসাংবিধানিক’ অভিহিত করে তিনি আরও বলেন, সেনাবাহিনী ও পুলিশ প্রেসিডেন্টকে গ্রেফতারের যে কোন আদেশ প্রত্যাখ্যান করবে। এমন পরিস্থিতিতে দেশটির পার্লামেন্ট ঘিরে রাখে সেনাবাহিনী। একই দিন সকালে পার্লামেন্টারি সেক্রেটারি জেনারেল পদত্যাগের ঘোষণা দেন।