মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১০:১৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশে কোনো পশু সংকট নেই – সাভারে মন্ত্রী আমিন উর রশিদ সাভার ও আশুলিয়ায় অপরিকল্পিত বাসা বাড়িতে বসবাসে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন জনগণ প্রাণিসম্পদ খাতকে সমৃদ্ধ করতে সরকার-বেসরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী   কুমিল্লার নাগরিক সেবায় নতুন অধ্যায়: গঠিত হচ্ছে ওয়াসা ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিচে ছোট পাইপ স্থাপনের অভিযোগ আশুলিয়ার জামগড়া ইস্টার্ন হাউজিং বাজারে জলাবদ্ধতায় ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির, ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ গৃহবধূ হত্যা মামলার আসামি র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার! আশুলিয়ার বাইপাইল- ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট, চরম দুর্ভোগে জনসাধারণ আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং কতৃক অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র অপহরণের পর হত্যা: ২০ মাস পর লাশ উত্তোলন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

তালায় এক শ্রেণীর মুনাফালোভী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের হাতে গুঁজে দেওয়া হচ্ছে নিষিদ্ধ গাইড বই

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় সোমবার, ২৯ জানুয়ারী, ২০১৮
  • ২৭৮ বার পড়া হয়েছে

সেলিম হায়দার :
নতুন শিক্ষা বর্ষকে সামনে রেখে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্ক বোর্ডকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে
সাতক্ষীরার তালায় এক শ্রেণীর মুনাফালোভী শিক্ষক ও প্রকাশণী কতৃপক্ষ কোমলমতি
শিক্ষার্থীদের হাতে বাধ্যতামূলক আবারো গুঁজে দিচ্ছে নিষিদ্ধ গাইড বই।
তালা – পাটকেলঘাটা লাইব্রেরীগুলো পরোক্ষভাবে বই বিক্রি করলেও মফস্বলের লাইব্রেরী বা
দোকানিরা এক প্রকার প্রকাশ্যে বিক্রি করছে এসব নিষিদ্ধ গাইড বা নোট বই। গত কয়েক
বছর হল উপজেলায় প্রাথমিক শিক্ষকদের সমিতির মেয়াদ ফুরিয়ে গেলেও এসব নিষিদ্ধ বই
বিক্রিতে এখনো সরব রয়েছেন তারা এমনটাই অভিযোগ উঠেছে। এর আগে তারা
তৃণমূলের বিভিন্ন শিক্ষকদের সাথে জেলা সদরে বৈঠকও করেছেন বলে নিশ্চিত করেছিল নির্ভর
যোগ্য একাধিক সূত্র। অথচ স্থানীয় প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তারা বলছেন ভিন্ন কথা। তারা
সরকারি নির্দেশনাকে পরোক্ষভাবে পাশকাটিয়ে বলছেন,তার জানামতে কোথাও কোন প্রকার
গাইড বা নোট বই বিক্রি করছেননা। করলে অবশ্যই তারা ব্যবস্থা েিনবেন।
অভিযোগে জানাগেছে যে,নতুন শিক্ষা বর্ষে তালার ২১১ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ৯
বে-সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য বিভিন্ন প্রকাশণী প্রতিষ্ঠান তাদের
প্রকাশিত বই তালিকাভুক্ত করতে সেই গত বছরের শেষ সময় থেকে নানাভাবে প্রলুব্ধ করে
আসছিল। তবে সরকারিভাবে এব্যাপারে বিধি নিষেধ বলবৎ থাকায় তারা দেরীতে হলেও সেই
পুরনো পদ্ধতিতে বই বিক্রি করছে বিভিন্ন লাইব্রেরী বা দোকানিরা। সচেতন অভিভাবকসহ
এলাকবাসী জানান,সৃজণশীল শিক্ষা ব্যবস্থায় সরকার সব ধরণের গাইড বই নিষিদ্ধ করলেও তালা
উপজেলা তা এক দিনের জন্য হলেও বন্ধ হয়নি।
শুধু ধরণ বদলেছে মাত্র। আগে প্রতিটি স্কুল থেকে প্রকাশ্যে ঢাক-ঢোল পিটিয়ে বুক লিষ্ট
বা বই এর তালিকা দেওয়া হত আর এখন তা চুপিসারে শ্রেণী শিক্ষকদের মাধ্যমে অলিখিতভাবে
সরবরাহ করা হয়। বিভিন্ন প্রকাশণীর পক্ষেও তাদের বইয়ের তালিকা সম্বলিত ক্লাস রুটিন
সরবরাহ করছে। এজন্য প্রতি বছর শিক্ষকদের প্রলুব্ধ করতে প্রকাশনা কর্তৃপক্ষ শিক্ষক নেতাদের
প্রত্যক্ষ সহযোগীতায় বিভিন্ন শিক্ষকদের মাঝে নগদ অর্থ সহ বিভিন্ন সুবিধা পৌছে
দিতেন। তবে এবার সবকিছু হচ্ছে অত্যন্ত চুপিসারে।
সূত্র জানায়,তালা উপজেলা এলাকায় মূলত এবার ২য়,৩য়,৪র্থ ও পঞ্চম শ্রেণীর জন্য ঢাকার বাংলা
বাজারের বই সাগর পাবিলিকেসন্স তাদের একের ভিতর সব বই গুলি এক প্রকার ফেরী করে বিক্রি
করছে তাদের নির্দিষ্ট এজেন্টদের মাধ্যমে।


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451