রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৩৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশে কোনো পশু সংকট নেই – সাভারে মন্ত্রী আমিন উর রশিদ সাভার ও আশুলিয়ায় অপরিকল্পিত বাসা বাড়িতে বসবাসে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন জনগণ প্রাণিসম্পদ খাতকে সমৃদ্ধ করতে সরকার-বেসরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী   কুমিল্লার নাগরিক সেবায় নতুন অধ্যায়: গঠিত হচ্ছে ওয়াসা ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিচে ছোট পাইপ স্থাপনের অভিযোগ আশুলিয়ার জামগড়া ইস্টার্ন হাউজিং বাজারে জলাবদ্ধতায় ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির, ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ গৃহবধূ হত্যা মামলার আসামি র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার! আশুলিয়ার বাইপাইল- ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট, চরম দুর্ভোগে জনসাধারণ আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং কতৃক অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র অপহরণের পর হত্যা: ২০ মাস পর লাশ উত্তোলন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

টানা ২ দিনের বৃষ্টিতে ঝিনাইদহের মহাসড়কগুলোর বেহালদশা, হরহামশেই ঘটছে সড়ক দুর্ঘটনা!

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় রবিবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০১৭
  • ২০৭ বার পড়া হয়েছে

মোস্তাফিজুর রহমান উজ্জল, ঝিনাইদহ প্রতিনিধি ঃ
নিম্নচাপের কারণে সারাদেশের ন্যায় ঝিনাইদহেও হচ্ছে অবিরাম বৃষ্টি।
একটানা বৃষ্টি হওয়াতে জেলার মূল চারটি সড়ক যেমন ঝিনাইদহ-যশোর,
ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া, ঝিনাইদহ- মাগুরা ও ঝিনাইদহ- চুয়াডাঙ্গা একবারেই
চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে।
সরেজমিনে যেয়ে অভিযোগ পাওয়া যায়, সড়ক মেরামত করতে নিম্নমানের
পিচ আর পাথরের ব্যবহারের কারণে বর্তমানে তা একেবারেই ব্যবহার
অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এতে করে চরম ঝুঁকি নিয়েই স্থানীয় আর
দূরপাল্লার যানবাহন চলাচল করছে। এ করণেই মহাসড়কে ঘটছে নিয়মিত
দুর্ঘটনা।
কামাল মিয়া নামক এক ট্রাক ড্রাইভার বলেন, অনেক সময় গর্ত ও গভীরতা
না বুঝতে পারার কারণে আমাদের বড় গাড়ীগুলো চালাতেই হিমশিম খেতে
হচ্ছে।
সালাম উল্লাহ নামে এক বাস যাত্রী বলেন, ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া সড়কের
শেখপাড়া, ভাটই বাজার, কালীগঞ্জ-কোটচাঁদপুর সড়কের ঈশ্বরবায় রাস্তা,
ঝিনাইদহ-যশোর সড়কের তেঁতুলতলা থেকে বিষয়খালী, দোকানঘর থেকে
কালীগঞ্জ শহর হয়ে বারোবাজার পর্যন্ত প্রায় ১৪ কিলোমিটার সড়ক চলাচলের

অনুপযোগী হয়ে পড়েছে, একই অবস্থা ঝিনাইদহ- চুয়াডাঙ্গা মহাসড়কে।
ফলে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ চরম ঝুঁকি নিয়ে এসব মহাসড়কে
চলাচল করছে।
ঝিনাইদহ সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী এম এম মোয়াজ্জেম
হোসেন বলেন, বর্ষা মৌসুম শেষ না হলে রাস্তায় পিচ-পাথর দেওয়া হবে না।
আর দিলেও তা টিকবে না। এই জন্য যাত্রীদের চলাচলের সুবিধার্থে আমরা
মাঝে মাঝে ইট দিয়ে গর্ত ভরাট করে চলাচল স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করা
হচ্ছিল। কিন্তু সম্প্রতি দুই দিনের ভারি বর্ষণে তা উঠে খানা-গর্তের
সৃষ্টি হয়েছে।


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451