শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১০:৪৩ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশে কোনো পশু সংকট নেই – সাভারে মন্ত্রী আমিন উর রশিদ সাভার ও আশুলিয়ায় অপরিকল্পিত বাসা বাড়িতে বসবাসে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন জনগণ প্রাণিসম্পদ খাতকে সমৃদ্ধ করতে সরকার-বেসরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী   কুমিল্লার নাগরিক সেবায় নতুন অধ্যায়: গঠিত হচ্ছে ওয়াসা ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিচে ছোট পাইপ স্থাপনের অভিযোগ আশুলিয়ার জামগড়া ইস্টার্ন হাউজিং বাজারে জলাবদ্ধতায় ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির, ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ গৃহবধূ হত্যা মামলার আসামি র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার! আশুলিয়ার বাইপাইল- ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট, চরম দুর্ভোগে জনসাধারণ আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং কতৃক অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র অপহরণের পর হত্যা: ২০ মাস পর লাশ উত্তোলন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট চলছে ট্টগ্রামে

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় রবিবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০১৭
  • ২৬৯ বার পড়া হয়েছে
পরিবহন ধর্মঘট চট্টগ্রাম

বাংলার প্রতিদিনঃ– পুলিশের হয়রানি বন্ধসহ ১১ দফা দাবিতে চট্টগ্রাম মহানগরে অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট চলছে।আজ রোববার সকাল ৬টা থেকে মেট্রোপলিটন গণপরিবহন বাস মালিক সংগ্রাম পরিষদের ডাকে ওই ধর্মঘট শুরু হয়।

ধর্মঘটের কারণে সকাল থেকে নগরীর বিভিন্ন সড়কে জনজীবনে দুর্ভোগ দেখা দেয়।চট্টগ্রাম মহানগর ও জেলার কোথাও রিকশা ছাড়া অন্য কোনো যানবাহন চলছে না। ফলে সকালে স্কুল-কলেজ, অফিস, আদালতমুখী লোকজনকে বেশ ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে।পরিবহনের অভাবে নির্ধারিত সময়ে অনেকে গন্তব্যে পৌঁছতে পারেননি।

গণপরিবহন না পেয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয় অফিসমুখী লোকজনকে। অনেককে গাড়ি না পেয়ে আবার অফিস কামাই করতে হয়েছে।এদিকে নগরীর কর্ণফুলী শাহ আমানত ব্রিজ ও ইপিজেড এলাকায় পিকেটিং করার সময় চার পরিবহন শ্রমিককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গণপরিবহন মালিক-শ্রমিক সংগ্রাম পরিষদের সভাপতি বেলায়েত হোসেন বেলাল জানান, পুলিশের হয়রানি বন্ধসহ ১১ দফা দাবিতে সকালে এ পরিবহন ধর্মঘট শুরু হয়।পরিবহনের সাত সংগঠনের মধ্যে ছয়টি এ আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেছে। অবিলম্বে পুলিশের হয়রানি বন্ধেরও দাবি জানানো হয়।সংগ্রাম পরিষদের দাবিগুলো হলো- থানায় মাসোয়ারার নামে গাড়ি আটক করা যাবে না।

অবৈধ টমটম ও অযান্ত্রিক যানবাহন বন্ধ করা। ইঞ্জিনচালিত রিকশা করিমন-নছিমন বন্ধ করা।এছাড়া গণপরিবহন শ্রমিকদের ওপর পুলিশের নির্যাতন বন্ধ করা। গণপরিবহন চালকের লাইসেন্সের শর্ত শিথিল করা। যানজট নিরসনে ট্রাফিক ব্যবস্থা উন্নত করা, শহর এলাকায় গণপরিবহনের টার্মিনাল ও নির্ধারিত পার্কিং স্থাপন করা। বিআরটিতে দালালের উৎপাত ও যানবাহন চালক-মালিকদের হয়রানি বন্ধ করা ইত্যাদি।


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451