বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৯:১২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশে কোনো পশু সংকট নেই – সাভারে মন্ত্রী আমিন উর রশিদ সাভার ও আশুলিয়ায় অপরিকল্পিত বাসা বাড়িতে বসবাসে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন জনগণ প্রাণিসম্পদ খাতকে সমৃদ্ধ করতে সরকার-বেসরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী   কুমিল্লার নাগরিক সেবায় নতুন অধ্যায়: গঠিত হচ্ছে ওয়াসা ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিচে ছোট পাইপ স্থাপনের অভিযোগ আশুলিয়ার জামগড়া ইস্টার্ন হাউজিং বাজারে জলাবদ্ধতায় ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির, ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ গৃহবধূ হত্যা মামলার আসামি র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার! আশুলিয়ার বাইপাইল- ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট, চরম দুর্ভোগে জনসাধারণ আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং কতৃক অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র অপহরণের পর হত্যা: ২০ মাস পর লাশ উত্তোলন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

ডিমলা সরকারী হাসপাতালের দুই ডাক্তার দীর্ঘদিন থেকে লাপাত্তা !

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় শনিবার, ২ ডিসেম্বর, ২০১৭
  • ২১৪ বার পড়া হয়েছে

এম ইসলাম সুজন, ক্রাইম রিপোর্টার নীলফামারী ॥
নীলফামারীর ডিমলা সরকারী হাসপাতালের দুই চিকিৎসক দীর্ঘদিন থেকে নিজ
কর্মস্থলে অনুপস্থিত! শুধু তাই নয় দীর্ঘদিন থেকেই তাদের কোনো হদিস নেই!
তারা হলেন-ডিমলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডাঃ ইমরান
হাসান ও একই উপজেলার নাউতারা ইউনিয়নের উপ স্বাস্থ্য কেন্দ্রের মেডিকেল
অফিসার ডাঃ মামুনুর রশীদ চৌধুরী।এই দুই চিকিৎসক কর্মস্থল থেকে বিনা
ছুটিতেই লাপাত্তা রয়েছেন। লাপাত্তার পর হতে তারা এ পর্যন্ত সরকারী কোষাগাড়
হতে বেতন ভাতা উত্তোলন করেননি।কর্মস্থলে তাদের অনুপস্থিতির বিষয়টি ধরতে
পেরে তাদের বাড়ির ঠিকানায় তিন দফায় পত্র প্রেরণ করে সংশ্লিষ্ট দপ্তর । কিন্তু তারও
কোন উত্তর মেলেনি।
অনুসন্ধ্যানে জানা গেছে, ডাঃ মামুনুর রশীদ চৌধুরী (কোড নম্বর ১২৬০১৬)
২০১২ সালের ২৪ জুন ডিমলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপেক্সের মাধ্যমে নাউতারা
ইউনিয়নের উপ স্বাস্থ্য কেন্দ্রের মেডিকেল অফিসার হিসাবে যোগদান করেন।
সেখানে কর্মরত থাকা অবস্থায় ওই বছরের ৪ আগষ্ট হতে অনুপস্থিত রয়েছে।
সেখানে তিনি মোট চল্লিশ দিন কর্মরত ছিলেন।অপরজন ডাঃ ইমরান হাসান
(কোডনম্বর ১২৮৮৪৩) ডিমলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার
হিসাবে যোগদান করেন ২০১৪ সালের ৭ আগষ্ট। এরপর ২০১৫ সালের ১ আগষ্ট হতে
বিনা ছুটিতে লাপাত্তা হন। এখানে তিনি প্রায় এক বছর কর্মরত ছিলেন। এই
চিকিৎসকের ২০১৭ সালের চলতি ডিসেম্বরের এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এখনও
কোন সন্ধ্যান পাওয়া যায়নি।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে নীলফামারী সিভিল সার্জন ডাঃ রনজিৎ কুমার বর্ম্মন
বলেন, কর্মস্থলে অনুপস্থিত চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে স্বাস্থ্য মন্ত্রনায়ের পক্ষে
সরেজমিনে তদন্ত করেছেন।


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451