সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি ঃ
সিরাজগঞ্জের তাড়াশের মেধাবী তরুণী রুপা খাতুন (২৭) হত্যা ও গণ ধর্ষণের চাঞ্চল্যকর মামলা
ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেষ্টার প্রতিবাদে গত ৩০ অক্টোবর সোমবার ময়মনসিংহ
প্রেসক্লাবে আসামীর স্বজনদের সংবাদ সম্মেলনের নামে মিথ্যাচারের প্রতিবাদে তাড়াশের
সচেতন নাগরিক সমাজ সংবাদ সম্মেলন করেছেন। শনিবার দুপুরে তাড়াশ প্রেসক্লাব হলরুমে
ওই সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য রাখেন,নাগরিক সমাজের পক্ষে অধ্যপক শফিউল হক বাবলু। তিনি
লিখিত বক্তবে বলেন, চাঞ্চল্যকর রুপা গণ ধর্ষণ ও হত্যা মামলার আসামীদের স্বজনরা সংবাদ
সম্মেলনের নামে মিথ্যাচার করেছেন। যা মেনে নেওয়া যায়না। তারা কাল্পনিক কাহিনী তৈরি করে
মামলাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করছেন বর্তমানে। যখন সরকারের সদ- ইচ্ছায়
মামলাটির বিচারিক কার্যক্রম দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে, ঠিক তখন আত্মস্বীকৃত
পাঁচ আসামীর স্বজনরা লিখিত বক্তব্যে তাদেরকে নিলজ্জ ভাবে বাঁচানোর চেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার
হীন প্রচেষ্টা লক্ষ করা গেছে ওই সংবাদ সম্মেলনে । লিখিত বক্তব্যে আসামীর স্বজনরা রুপা
ছোঁয়া পরিবহনে নয় মুক্তা পরিবহনে ধর্ষণ ও হত্যার শিকার হয়েছেন এমন তথ্য উপস্থাপন করা
স্বজনদের ধৃষ্টতা আমাদেরকে বিক্ষুব্ধ করেছে। আমরা ওই সংবাদ সম্মেলন ঘৃনা ভরে প্রত্যাখ্যান করে
এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। যখন মামলাটি সর্তকতার সাথে তদন্ত শেষে অভিযোগ পত্র দাখিল
হয়েছে তখন প্রত্যক্ষদর্শী বিল্লাল হোসেন কে উপস্থাপন করা মামলাটি ভিন্ন খাতে প্রভাবিত
করার ঘৃন্য প্রচেষ্টা হিসেবেই আমরা দেখছি। এছাড়া তাড়াশের মেধাবী তরুণী রুপা খাতুন
(২৭) হত্যা ও গণ ধর্ষণের চাঞ্চল্যকর মামলার ডিএন এ প্রতিবেদন, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন
সর্বপরি পাঁচ আসামীর বিজ্ঞ আদালতে হত্যা ও ধর্ষণের সাথে জড়িত থাকার স্বীকারোক্তি দেবার
পর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আদালতে অভিযোগ পত্র দাখিল করেন। এর পর এ ধরনের লজ্জাজনক
সংবাদ সম্মেলনের নামে ৫ নরপশুদের পক্ষ নেওয়া আমাদের সহ সচেতন দেশবাসিকে মর্মাহত ও
বিক্ষুব্ধ করেছে। তাড়াশে সচেতন নাগরিক সমাজের সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তবে, মাননীয়
প্রধানমন্ত্রী, স্বাস্থ্যমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আইনমন্ত্রীর কাছে তাড়াশের সচেতন নাগরিক সমাজ
তাড়াশের মেধাবী তরুণী রুপা খাতুন (২৭) হত্যা ও গণ ধর্ষণের চাঞ্চল্যকর মামলার বিষয়টি দ্রুত
বিচার আইনে বিচার করার জোর দাবী জানান। এ সময় সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত
ছিলেন, সচেতন নাগরিক সমাজের নেতা আব্দুর রাজ্জাক রাজু, রুপার বড়ভাই ও মামলার বাদী
হাফিজুর রহমান প্রাং, অধ্যাপক মেহেরুল ইসলাম বাদল, অধ্যাপক সাব্বির আহম্মেদ প্রমুখ।