মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১১:০২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশে কোনো পশু সংকট নেই – সাভারে মন্ত্রী আমিন উর রশিদ সাভার ও আশুলিয়ায় অপরিকল্পিত বাসা বাড়িতে বসবাসে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন জনগণ প্রাণিসম্পদ খাতকে সমৃদ্ধ করতে সরকার-বেসরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী   কুমিল্লার নাগরিক সেবায় নতুন অধ্যায়: গঠিত হচ্ছে ওয়াসা ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিচে ছোট পাইপ স্থাপনের অভিযোগ আশুলিয়ার জামগড়া ইস্টার্ন হাউজিং বাজারে জলাবদ্ধতায় ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির, ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ গৃহবধূ হত্যা মামলার আসামি র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার! আশুলিয়ার বাইপাইল- ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট, চরম দুর্ভোগে জনসাধারণ আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং কতৃক অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র অপহরণের পর হত্যা: ২০ মাস পর লাশ উত্তোলন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

বিদ্যুতের দাম কমানোর প্রস্তাব দিয়েছে ক্যাব

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় শুক্রবার, ৬ অক্টোবর, ২০১৭
  • ২০৬ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্কঃ 

দেশে পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ইউনিটপ্রতি ১ টাকা ৫৬ পয়সা কমানোর প্রস্তাব দিয়েছে কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)। আজ বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনে (বিইআরসি) প্রথমবারের মতো বিদ্যুতের দাম কমানোর ওপর গণশুনানিতে এই প্রস্তাব দেওয়া হয়।

এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন এতদিন বিদ্যুৎ খাত নিয়ে যত গণশুনানির আয়োজন করেছে, তার সবই ছিল দাম বাড়ানোর প্রস্তাবের ওপর। দাম কমানোর জন্য কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে বেশ কয়েকবার গণশুনানির আবেদন করা হলেও এতদিন তাতে সায় মেলেনি বিইআরসির পক্ষ থেকে।

প্রথমবারের মতো ক্যাবের আবেদন আমলে নিয়ে আজ এই গণশুনানির আয়োজন করে বিইআরসি। যেখানে বিভিন্ন হিসাব-নিকাশ তুলে ধরে পাইকারি পর্যায়ে ইউনিটপ্রতি বিদ্যুতের বর্তমান উৎপাদন মূল্য ৪ টাকা ৯০ পয়সা থেকে কমিয়ে ৩ টাকা ৩৪ পয়সা করা সম্ভব বলে জানান ক্যাবের জ্বালানি উপদেষ্টা ড. শামসুল আলম। তিনি বলেন, ‘অযৌক্তিকভাবে উৎপাদন ব্যয় বেড়েছে এবং আমরা বলতে চাচ্ছি যে এক টাকা ৫৬ পয়সা পার ইউনিট বিদ্যুতের উৎপাদন ব্যয় বাড়ানো হয়েছে। এই ব্যয় সংকোচন করতে গেলে হয়তো আমরা এক টাকা ৫৬ পয়সা কমাতে সফল হব না। কিন্তু ৫৬ পয়সা কমাতে যে সফল হব না, তা কিন্তু নয়।’

তবে এই দামে বিদ্যুৎ দিতে হলে সরকারের কাছ থেকে ঋণ নয়, বছর বছর প্রায় সাড়ে চার হাজার কোটি টাকা ভর্তুকির প্রয়োজন বলে জানান পিডিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাউসার আমের আলী।

এ সময় বক্তব্য তুলে ধরেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরাও। তাঁদের অনেকে বিদ্যুৎ খাতে দেওয়া ভর্তুকি নিয়েই প্রশ্ন তোলেন।

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেন, ‘ভর্তুকি শব্দটার ভেতরেই এমন একটা সেন্স আসে যে এইটা হলো লিল্লাহে টাকাটা দিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এটাকে কেন বরাদ্দ বলা হবে না? জনগণ তো সরকারকে আগাম টাকা দিয়ে রেখেছে। এখন আমাদের তিন লক্ষ কোটি টাকা হলো বাজেট। এই টাকাটা দেয় কারা? দেয় কিন্তু আমাদের এই ভোক্তাসাধারণ।’

গণশুনানির প্রশ্নোত্তর-পর্বে বিদ্যুৎ খাত জনগণের নয়, ব্যবসায়ীদের স্বার্থে পরিচালিত হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন ক্যাবের জ্বালানি উপদেষ্টা।

বিইআরসির আইন অনুযায়ী শুনানি শেষ হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে এ বিষয়ে আদেশ দেওয়ার উল্লেখ রয়েছে।


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451