পারভেজ, কলাপাড়া প্রতিনিধি : শনিবার সকাল নয়টার দিকে কলাপাড়ার লোন্দা-নমরহাট সড়কের পুর্বলোন্দা গ্রাম সংলগ্ন সড়কে ফাতিমার ওপর বখাটেরা
হামলা চালায় । বখাটে রাহাত খান ও তার সহযোগী হাদী দেওয়ান, তাইজুল ইসলাম, আব্দুল মালেক ও সাইফুল ইসলাম চড়-থাপ্পড়, কিল-ঘুষি, লাথি ও লাঠিপেটা করে অচেতন অবস্থায় রাস্তায় ফেলে রাখে।
এসময় ফাতিমার দুই সহপাঠী সুমনা ও জহিরুলদৌড়ে গিয়ে অন্যত্র আশ্রয় নেয়।বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা খবর শুনে ফাতিমাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে চিকিৎসা দিয়েছেন। ফাতিমা ধানখালী আশরাফ একাডেমী বিদ্যালয় দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী। বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা বলেন প্রতিদিনের মতোগীলাতলা গ্রাম থেকে দুই সহপাঠীকেসহ ধানখালী আশরাফ একাডেমী বিদ্যালয়ে যাচ্ছিল ফাতিমা। পথিমধ্যে ঘটনাস্থলে পথরোধ করে রাহাত ও তার সহযোগিরা অশোভন কথাবার্তা বলতে থাকে। কুপ্রস্তাব দেয়। বখাটেপনা শুরু করে। এতে প্রতিবাদ করলে ফাতিমার ওপর হামলা চালায় রাহাত ও তার সহযোগিরা। বেধড়ক মারধর করা হয় তাকে। এক পর্যায়ে রাস্তায় অচেতন হয়ে পড়ে। এসময় সটকে পড়ে রাহাত ও তারসহযোগিরা।জানা গেছে, রাহাত এলাকার চিহ্নিত বখাটে। তার কয়েক সহযোগী স্কুল-কলেজগামী ছাত্রীদের উত্যক্ত করে আসছে। রাহাতের বাবার নাম জসিম খান।বাড়ি পশ্চিম লোন্দা গ্রামে। এ ঘটনায় স্কুলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ আর আতঙ্ক বিরাজ করছে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুখ রঞ্জন তালুকদার বলেন, স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির সঙ্গে পরামর্শ করে পরবর্তী পদক্ষেপনেয়া হবে। স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল লতীফ গাজী জানান, ভিকটিমকে কলাপাড়ায় নিয়ে আসতে বলেছি, সরাসরি মামলা করা হবে। কলাপাড়া থানার ওসি জিএম শাহনেওয়াজ জানান, প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।