শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ০১:৪২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশে কোনো পশু সংকট নেই – সাভারে মন্ত্রী আমিন উর রশিদ সাভার ও আশুলিয়ায় অপরিকল্পিত বাসা বাড়িতে বসবাসে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন জনগণ প্রাণিসম্পদ খাতকে সমৃদ্ধ করতে সরকার-বেসরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী   কুমিল্লার নাগরিক সেবায় নতুন অধ্যায়: গঠিত হচ্ছে ওয়াসা ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিচে ছোট পাইপ স্থাপনের অভিযোগ আশুলিয়ার জামগড়া ইস্টার্ন হাউজিং বাজারে জলাবদ্ধতায় ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির, ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ গৃহবধূ হত্যা মামলার আসামি র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার! আশুলিয়ার বাইপাইল- ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট, চরম দুর্ভোগে জনসাধারণ আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং কতৃক অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র অপহরণের পর হত্যা: ২০ মাস পর লাশ উত্তোলন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

নাটোরে শিশু হত্যার দায়ে দুলাভাইয়ের মৃত্যুদণ্ড

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ৮ আগস্ট, ২০১৭
  • ২০২ বার পড়া হয়েছে

নাটোর জেলা প্রতিনিধি,
নাটোরে সিংড়ায় সাত বছরের শিশু খান জাহানকে হত্যার দায়ে দুলাভাই
মোহাম্মাদ হেলালকে (২৭) ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের নির্দেশ
দিয়েছে আদালত। সোমবার দুপুরে আসামির উপস্থিতিতে এই দণ্ড দেন
নাটোরের জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক রেজাউল করিম। মামলায় অপর
তিন আসামিকে খালাস দিয়েছে আদালত।
নাটোর জজকোর্টের সরকারি কৌঁসুলি সিরাজুল ইসলাম জানান,
সোমবার নাটোরের সিংড়া উপজেলার আগমুরশন গ্রামের তালেব আলীর ছেলে
খান জাহান হত্যা মামলার রায় ঘোষণার জন্য দিন ধার্য ছিল। মামলার
আসামিরা সবাই আদালতে হাজির ছিলেন। দুপুর সাড়ে ১২টায় আদালতের
বিচারক জ্যেষ্ঠ দায়রা জজ রেজাউল করিম রায় ঘোষণা করেন। রায়ে আসামি
মো. হেলাল (২৭) এর বিরুদ্ধে শিশু খান জাহানকে হত্যার অভিযোগ
সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাঁকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন। হেলাল সিংড়ার
আগমুরশন গ্রামের মৃত মফিজ উদ্দিনের ছেলে। রায়ে আসামি মো. মিলন
হোসেন (২৫) আসাদুল (২৫) হেলেনা বেগমকে (৪৫) আদালত খালাস দেন।
মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণ সূত্রে জানা যায়, সাংসারিক বনিবনা না হওয়ায়
আগমুরশন গ্রামের মো. তালেব আলীর মেয়ে রোকেয়া খাতুন তাঁর স্বামী
মো. হেলালের সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদ করেন। এই আক্রোশে ২০১৬ সালের ১৪
জানুয়ারি দুপুরে হেলালসহ অন্যান্য আসামিরা তালেব আলীর বাড়ি থেকে
তাঁর ছেলে খান জাহানকে অপহরণ করে তার বাড়িতে নিয়ে যায় এবং
শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। পরে তার লাশ বস্তায় ভরে শয়ন ঘরে রেখে দেয়।
খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে হেলালের বাড়ি তেকে খান জাহানের মৃতদেহ
উদ্ধার করে। এ ঘটনায় তালেব আলী বাদী হয়ে পরদিন চারজনের বিরুদ্ধে সিংড়া
থানায় মামলা দায়ের করেন। তদন্তকালে আসামি হেলাল ও মিলন বিচারকের
কাছে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। জবানবন্দিতে হেলাল তার
শ্যালক খান জাহান আলীকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যা করার কথা সরাসরি
স্বীকার করেন। তবে মালেক হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার না করে লাশ
গুমের ঘটনার সাথে জড়িত থাকার কথা জানান। মামলায় ১৩ জন সাক্ষী আদালতে
সাক্ষ্য প্রদান করেন। সাক্ষ্য প্রমাণ পর্যালোচনা করে আদালত রায় দেয়।
এব্যাপারে আসামিপক্ষের আইনজীবী লোকমান হোসেন জানান, তিনি
তাঁর দণ্ডিত মক্কেলের জন্য আপিল করবেন।


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451