সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৫৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশে কোনো পশু সংকট নেই – সাভারে মন্ত্রী আমিন উর রশিদ সাভার ও আশুলিয়ায় অপরিকল্পিত বাসা বাড়িতে বসবাসে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন জনগণ প্রাণিসম্পদ খাতকে সমৃদ্ধ করতে সরকার-বেসরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী   কুমিল্লার নাগরিক সেবায় নতুন অধ্যায়: গঠিত হচ্ছে ওয়াসা ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিচে ছোট পাইপ স্থাপনের অভিযোগ আশুলিয়ার জামগড়া ইস্টার্ন হাউজিং বাজারে জলাবদ্ধতায় ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির, ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ গৃহবধূ হত্যা মামলার আসামি র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার! আশুলিয়ার বাইপাইল- ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট, চরম দুর্ভোগে জনসাধারণ আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং কতৃক অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র অপহরণের পর হত্যা: ২০ মাস পর লাশ উত্তোলন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

নড়াইলের প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী আদুরির কষ্টের জীবন

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় বুধবার, ২৬ জুলাই, ২০১৭
  • ২০৪ বার পড়া হয়েছে

 

শরিফুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার নড়াইল ঃ
জন্মই আজন্মের পাপ, জন্মের পর থেকে আদুরিকে পারলে আড়াল করেই
রাখতেন মা-বাবা। কারণ, তার দুই হাত শরীরের তুলনায় অনেক ছোট এবং
আঙুলগুলোও অস্বাভাবিক। তার পরিবার অত্যন্ত দরিদ্র। তারপরও নানা
প্রতিকূলতা জয় করে পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছে আদুরি। নড়াইল সদর
উপজেলার ভদ্রবিলা ইউনিয়নের পলইডাঙ্গা গ্রামের সাইকেল ও ভ্যান-রিকশা
গ্যারেজের মিস্ত্রি ইকবাল মিনার মেয়ে আদুরি খানম (১৭)। এখন সে
নড়াইল সরকারি ভিক্টোরিয়া কলেজের এইচএসসির দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী।
আদুরি জানায়, তার অস্বাভাবিক হাত দুটির কারণে অনেকেই ব্যঙ্গ করে।
কিন্তু তাতে সে আর কষ্ট পায় না। নিয়তিকে মেনে নিয়েছে সে। তার
পরিবারের নুন আনতে পান্তা ফুরানোর মতো অবস্থা। প্রতিদিন সে সাত
কিলোমিটার রাস্তা হেঁটে কলেজে আসে। তারপরও লেখাপড়া শিখে সে
শিক্ষক হতে চায়। সামনে আদুরির পরীক্ষা। দ্বিতীয় বর্ষে ভর্তি ও পরীক্ষার
ফি ২ হাজার ২০০ টাকা, দুটি বিভাগে (আইসিটি ও ইংরেজি)
প্রাইভেট পড়তে প্রতি মাসে ৬০০ টাকা ছাড়াও আনুষঙ্গিক খরচ মাসে
প্রায় ৪ হাজার টাকা। দরিদ্র মা-বাবার পক্ষে এতগুলো টাকা দেওয়ার
সামর্থ্য নেই। আদুরি দেশের বিত্তবানদের কাছে সহায়তা কামনা
করেছে। আদুরির বাবা ইকবাল মিনা বলেন, ‍‘জন্মের পর থেকে তাকে
একটু আড়াল করেই রাখার চেষ্টা করেছি। তাকে নিয়ে আমার চিন্তার শেষ
ছিল না। ছোটকাল থেকেই আদুরির লেখাপড়ার প্রতি আগ্রহ দেখে
তাকে স্কুলে ভর্তি করে দিই।’ ইকবাল বলেন, ভ্যান-রিকশা, সাইকেলের

গ্যারেজে কাজ করে প্রতিদিন তাঁর এক থেকে দেড় শ টাকা আয় হয়।
সংসারে সাতজন সদস্য। এই আয় দিয়ে কোনো রকমে তিনি সংসার
চালান। কলেজের উপাধ্যক্ষ বরুণ কুমার বিশ্বাস এ প্রতিবেদককে বলেন,
কলেজ কর্তৃপক্ষ আদুরির পারিবারিক অবস্থা সম্পর্কে অবগত। সরকারি
নিয়মের বাইরে তাকে যতটুকু সহায়তা করা প্রয়োজন, তা করা হয়ে
থাকে। কোনো সহৃদয় দানশীল ব্যক্তি তাকে সহায়তায় এগিয়ে এলে
অসহায় মেয়েটির উপকার হতো।


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451