গুরুদাসপুর (নাটোর) প্রতিনিধি,
নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার ধারাবারিষা গ্রামে শ্বশুরবাড়ি ঈদ উৎসব শেষে
মোটরসাইকেলযোগে বাড়ি ফেরার পথে ঘাতক মাইক্রোবাসটি কেড়ে
নিলো কানু মন্ডলের প্রাণ।
বেপরোয়া মাইক্রোবাসের চাকায় পৃষ্ট হয়ে মোটরস্ধাসঢ়;ইকেল চালক কানু
মন্ডলের (৩৬) মরদেহ এক কিলোমিটার দূরে গিয়ে ছিটকে পড়ার ঘটনা
ঘটেছে। মহাসড়কের ঘর্ষনে থেঁতলে বিকৃত হয়ে যায় লাশটি। তবু
মাইক্রোবাস চালকের গতি থামেনি। পরে কাছিকাটা টোলপ্লাজায় গিয়ে
আটক হয় চালক আব্দুল কুদ্দুস সহ মাইক্রোবাস।
বনপাড়া হাইওয়ে পুলিশ ও স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী সুত্রে জানা গেছে, বনপাড়া-
হাটিকুমরুল মহাসড়কের গুরুদাসপুর উপজেলার নয়াবাজার পয়েন্টে মঙ্গলবার রাত
৮টার দিকে সড়ক পারাপারের সময় শ্বশুরবাড়ি থেকে ঈদ উৎসব শেষে বাড়ি ফেরার
পথে মোটরসাইকেল চালক কানু মন্ডল ওই মাইক্রোবাসের সাথে দূর্ঘটনার
শিকার হন। কানু মন্ডলের বাড়ি উপজেলার চাপিলা ইউনিয়নের রওশনপুর গ্রামে।
বনপাড়া হাইওয়ে পুলিশের উপ-পরিদর্শক শরীফুল ইসলাম গতকাল বুধবার
মুঠোফোনে জানান, কানু মন্ডল তার মোটরসাইকেল নিয়ে মহাসড়কের
নয়াবাজার পয়েন্টে পারাপারের সময় ঢাকাগামী মাইক্রোবাসটি (ঢাকা
মেট্রো চ- ১৫- ৮৪৮৯) তাকে চাপা দেয়। মোটরসাইকেলটি ঘটনাস্থলেই
দুমড়ে মুচরে গেলেও কানু মন্ডলের মরদেহ মাইক্রেবাসের সাথে ঝুলে যায়।
বেপরোয়া মাইক্রেবাস চালক গতি নিয়ন্ত্রণ না করে দ্রুত চালিয়ে যায়।
ঘটনাস্থল থেকে এক কিলোমিটার দূরে হাঁসমারী ‘চলনবিল ফিলিং
ষ্টেশনে’র সামনে গিয়ে লাশটি মাইক্রোবাস থেকে ছিটকে পড়ে। পরে
হাইওয়ে পুলিশ ও স্থানীয়দের সহায়তায় সেখান থেকে মরদেহ উদ্ধারসহ
মহাসড়কের কাছিকাটা টোলপ্লাজা থেকে মাইক্রোবাসসহ চালককে আটক
করে হাইওয়ে পুলিশ।
ওই ঘটনায় বনপাড়া হাইওয়ে পুলিশ বাদী হয়ে মাইক্রোবাস চালক আব্দুল
কুদ্দুসের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন। মাইক্রোবাস চালক কুদ্দুস ঢাকার
আশুলিয়া থানার ইয়াদ আলী দেওয়ানের ছেলে। গতকাল বুধবার আদালতের
মাধ্যমে তাকে নাটোর জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। ঘাতক মাইক্রেবাসটি
হাইওয়ে পুলিশের হেফাজতে রয়েছে।