সোহেল রানা সোহাগ.সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি:
সিরাজগঞ্জের চৌহালীতে ১০৯ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন
বাঁধে ৩৬ দিনের মাথায় তৃতীয় দফায় ধস নেমেছে। শুক্রবার সকাল
থেকে বেলা সাড়ে ১টা পর্যন্ত এ ধসের বিস্তৃতি বেড়ে
দাঁড়িয়েছে ১০০ মিটারে। নির্মাণ কাজে ত্রুটির কারণে বাঁধের
খগেনের ঘাট থেকে টেকির মোড় অংশে এ ধস নেমেছে বলে
অভিযোগ স্থানীয়দের।
এদিকে নদী ভাঙ্গন কবলিত এ অঞ্চলের মানুষের স্বপ্নের এ বাঁধ ধসের
ফলে যমুনা নদীর তীরবর্তী বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।
তবে ধস ঠেকাতে বালি বোঝাই জিও টেক্স বস্তা ফেলে তা নিয়ন্ত্রনের
চেষ্টা করছে টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডে।
এলাকাবাসী ও পানি উন্নয়ন বোর্ডে সুত্র জানা যায়, সিরাজগঞ্জে
যমুনা নদীর ভাঙ্গনে বিপর্যস্ত চৌহালী উপজেলার পশ্চিম পাড়ের
বাকি অংশ এবং টাঙ্গাইল জেলা রক্ষায় ১০৯ কোটি টাকা ব্যয়ে ৭
কিলোমিটার তীর সংরক্ষন বাঁধ গত ২০১৫ সালের ২৪ নভেম্বর শুরু হয়। যার
প্রায় ৯৫ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে। হঠাৎ করে শুক্রবার নদীর চৌহালীর বাধের
খগেনের ঘাট থেকে টেকির মোড় অংশের উপরের অংশে ১০০ মিটার
গভীরে ধসে যায়। বর্তমানে ধসে যাওয়া স্থানে বালু ভর্তি জিও ব্যাগ
ফেলার প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। সাধারণ স্রোতেত আকস্মিক এ ধসের
ফলে এলাকা জুড়ে সবার মাঝে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। বাঁধ সম্পূর্ণ
হবার আগেই দফায়-দফায় এমন ভাঙ্গণে আতঙ্ক রয়েছেন এলাকাবাসী।
টাঙ্গাাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শাহজাহান
খান জানান, শুক্রবার দুপুরে চৌহালি উপজেলার খগেনের মোড় এলাকায়
নির্মানাধীন বাঁধের ১০০ মিটার এলাকায় ধ্বস দেখা দিয়েছে।
পাহাড়ি ঢলে যমুনা নদীতে আকর্ষিক পানি বৃদ্ধি এবং প্রবল
ঘুর্নাবর্তের কারনে এই ধ্বস দেখা দিয়েছে বলে তিনি জানান।
তবে ভাঙ্গনরোধে জরুরি ভিত্তিতে কাজ করা হবে বলে তিনি
জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, চৌহালীতে ১০৯ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন বাঁধে
গত ২, ১৬ মে ও ৯ জুন একইভাবে এ বাঁধের খগেনের ঘাট এবং
আলীয়া মাদ্রাসা অংশে প্রায় ১২৫ মিটার জুড়ে ধসে যায়।