গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি : গোপালগঞ্জ থেকে নিখোঁজ
হওয়ার ৬ বছর পর মোছাঃ রিক্তা খানম (২২) নামের এক
যুবতীকে দৌলতদিয়া যৌনপল্লী থেকে উদ্ধার করেছে র্যাব
ফরিদপুর ক্যাম্পের সদস্যরা। বৃহস্পতিবার ১১টার দিকে র্যাব
দৌলতদিয়া যৌন পল্লীতে অভিযান চালিয়ে তাকে উদ্ধার
করে। ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট উক্ত বাড়ীর মালিক মৃত বারেক
শেখের ছেলে ঘটনাস্থল হতে হাতেনাতে আটক করা হয়।
র্যাব ফরিদপুর ক্যাম্প এর কোম্পানী অধিনায়ক অতিরিক্ত
পুলিশ সুপার মোঃ রইছ উদ্দিন এর নেতৃত্বে একটি দল
রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ থানার দৌলতদিয়া পতিতালয়ে
উদ্ধার অভিযান চালিয়ে গোপালগঞ্জ থেকে নিখোঁজের ৬
বছর পর মোছাঃ রিক্তা খানম (২২) নামের এক যুবতীকে উদ্ধার
করে।
ঘটনার বিবরণে জানা যায় যে, উক্ত ভিকটিম মোছাঃ রিক্তা
খানম (২২) কে আনুমানিক ৬ বছর পূর্বে ঢাকায় চাকুরী
দেওয়ার কথা বলে জনৈক ব্যক্তি বাড়ী থেকে নিয়ে যায়।
পরবর্তীতে তিনি নিজেকে আবিষ্কার করেন একটি
পতিতা পল্লীতে এবং বুঝতে পারেন তাকে উক্ত পতিতা
পল্লীতে বিক্রী করে দেওয়া হয়েছে। সেখানে তাকে তার
ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর পূর্বক আটক রেখে দেহ ব্যবসায়
বাধ্য করা হয়। উক্ত স্থান হতে পরিত্রান পেতে চাইলে তাকে ঘরে
তালাবদ্ধ অবস্থায় শারীরিক নির্যাতন করা হয়।
উল্লেখ্য, ভিকটিমের পরিবার বিভিন্ন মাধ্যমে জানতে
পারেন যে উক্ত ভিকটিমকে পতিতালয়ে বিক্রী করা হয়েছে। এ
সংক্রান্তে ভিকটিমের বড় ভাই গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানি
থানায় একটি নিখোঁজ জিডি করেন এবং উক্ত নিখোঁজ
ভিকটিমকে উদ্ধারে র্যাবের সহায়তা কামনা করেন। র্যাব-৮,
সিপিসি-২ ফরিদপুর ক্যাম্প এর একটি বিশেষ দল উক্ত
নিখোঁজ ভিকটিম উদ্ধারে ব্যাপক অনুসন্ধান কার্যক্রম
শেষে বৃহস্পতিবার বেলা অনুমান ১১টার সময় দৌলতদিয়া
পতিতা পল্লী থেকে তাকে উদ্ধার করে। এ সময় বাড়ীর মালিক
মুকুল শেখ কৌঁশলে পালিয়ে যেতে চেষ্টাকালে র্যাব তাকে
ঘেরাও পূর্বক আটক করে।
উদ্ধারকৃত ভিকটিম এবং আটককৃত বাড়ীর মালিককে
রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ থানায় হস্তান্ত করা হয়।