গাইবান্ধা থেকে শেখ হুমায়ুন হক্কানী ঃ গাইবান্ধা সদর উপজেলার লক্ষ্মীপুর
ইউপি চেয়ারম্যান মো. মোস্তাফিজুর রহমান বাদলের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত
মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক ধর্ষণ মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে বৃহস্পতিবার ওই
ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যরা গাইবান্ধা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন।
তারা এই ষড়যন্ত্রমূলক অভিযোগের তীব্র প্রতিবাদ এবং জেলা প্রশাসন ও
পুলিশ প্রশাসনসহ সংশিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে এই মিথ্যা অভিযোগ
থেকে তাকে অব্যাহতি দেয়ার দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে ইউপি সদস্য এম.এ রাজ্জাক লিখিত বক্তব্যে উলেখ করেন,
কথিত ভিকটিম মেয়েটির বাবা মো. জালাল উদ্দিন অর্থলোভী ও অসামাজিক
ব্যক্তি। জালাল উদ্দিন বিভিন্ন সময়ে চেয়ারম্যানের কাছ থেকে বিভিন্ন
সময়ে নানা সুবিধা গ্রহণ করে আসছিল। ঘটনার দিন চেয়ারম্যান
ভিকটিমের বাড়িতে যাননি। তিনি সেসময় তার বাড়িতে ইউপি সদস্যদের
নিয়ে আলোচনা করছিলেন। মেয়েটি ১ম ভর্তি হয় লেঙ্গা বাজার বিএস উচ্চ
বিদ্যালয়ে ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে। সেখান থেকে আবার ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি হয়
খোর্দ্দ মালিবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ে। উক্ত বিদ্যালয় থেকে আবার ভর্তি হয় ৭ম
শ্রেণিতে লেঙ্গা বাজার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে। সে এই বিদ্যালয় থেকে
জেএসসি পাশ করার পর নবম শ্রেণিতে বিজ্ঞান বিভাগে উচ্চতর গণিত
নিয়ে পড়তে চায়। কিন্তু এই বিদ্যালয়ে উচ্চতর গণিতে শিক্ষার্থী না থাকায়
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমান বাদল তাকে উক্ত শ্রেণিতে
ভর্তি করাতে অপরাগতা প্রকাশ করেন। সেই সময়ে মেয়েটির বাবা
চেয়ারম্যানকে দেখে নেয়ার হুমকি দেয়। মেয়েটিকে ব্যবহার করে তার পিতার
সহযোগিতায় প্রতিপক্ষ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মিথ্যা ধর্ষণ চেষ্টার
অভিযোগে ষড়যন্ত্রমূলক মামলা দায়ের করে।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্য ইউপি সদস্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আবুল কালাম
আজাদ, নাজমুল হক, এমরান খান, শাহানা ইয়াছমিন, মোখলেছুর রহমান
সবুজ, দুছু মিয়া ও সাবানা বেগম।