ইখতিয়ার উদ্দীন আজাদ ,পত্নীতলা (নওগাঁ) প্রতিনিধি: নওগাঁর পতœীতলায় বিস্ফোরক দ্রব্য ও
মাদকসহ একাধিক মামলার ৭ আসামী গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
থানা সুত্র জানায়, গ্রেফতারকৃতরা হলেন, জেলার সাপাহার উপজেলার ধবলডাঙ্গা গ্রামের মৃত নূর
হোসেনের পুত্র আলম হোসেন (৩৫), বড় মির্জাপুর গ্রামের মজিবর রহমানের পুত্র সুমন হোসেন
(১৮) ও একই উপজেলার ঘোট্টাপাড়া গ্রামের কালু ম-লের পুত্র আবু তাহের (৪২) ও আবু তাহেরের পুত্র
নূরুজ্জামান (১৮), চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার পলাশ বাড়ি গ্রামের মৃত কচিমুদ্দিনের পুত্র
লালু মিয়া (৩৫), কাশিয়া বাড়ি গ্রামের মজিবুর রহমানের পুত্র সোহেল রানা (৩০) ও একই জেলার
ভোলাহাট উপজেলার ছোট জামবাড়িয়া গ্রামের মিদু ব্যাপারীর পুত্র রাসেল হোসেন অরফে পিচ্চি
(১৪)। গত ২৫ মে বৃহস্পতিবার ভোরবেলা উপজেলা সদর নজিপুর পৌর শহরের বাসস্ট্যান্ডের বদলগাছি
রোডের চৌরাস্তা জামে মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় একটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে ও বিকট
শব্দ হয়। এতে এলাকায় আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। এসময় পুলিশ খবর পেয়ে অভিযান চালিয়ে বাসস্ট্যান্ডের
সাপাহার রোড এলাকা থেকে একটি ব্যাগের মধ্যে থেকে অবিস্ফোরিত ২টি ককটেল ও তালা ভাঙ্গার
একটি যন্ত্রসহ রাসেল হোসেন (১৪) গ্রেফতার হন। তাঁর তথ্যে মতে, পুলিশ জেলার পতœীতলা,
ধামইরহাট ও সাপাহার উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় দিন ব্যাপী অভিযান চালিয়ে আরো ৬জনকে দেশীয়
হাসুয়া, ২টি অবিষ্ফোরিত ককটেল, তালা ভাঙ্গা যন্ত্র, ২টি টর্চ লাইট, একটি লাল রঙের ব্যাগসহ
গেস্খফতার করেন পুলিশ। পরে থানার এসআই রবিউল ইসলাম বাদি হয়ে ১৯০৮ সালের বিস্ফোরক দ্রব্য
আইনের ৩/৫/৬ ধারা মোতাবেক ৩৯৯ দ-বিধিতে ৮ জনের নামে আসামী করে মামলা করেন। মামলা নং-
৩১, তারিখ: ২৫/০৫/১৭ইং। বর্তমানে আসামীদের মধ্যে জেলার সাপাহার উপজেলার দোয়ালীপাড়া
গ্রামের ফয়সাল হোসেনের পুত্র মিঠু (৩০) পলাতক রয়েছেন।
পতœীতলা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: মাজহার ইসলাম উপরোক্ত বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত
করে জানান, গেস্খফতারকৃতরা ডাকাত দলের সদস্য ও ছিনতাইকারী। এরা বিভিন্ন সময় পথে-ঘাটে
ছিনতাইয়ের সাথে জড়িত থাকার কথা প্রাথমিক ভাবে জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন। আসামীদের
শুক্রবার দুপুরে নওগাঁ কোর্টে প্রেরণ করা হয়েছে।