মোঃ আশিকুর রহমান টুটুল, নাটোর জেলা প্রতিনিধি,
এখন গ্রীষ্মকাল চারিদিকে বিরাজ করছে প্রচন্ড উত্যাপ। লালপুর উপজেলার
প্রতিটি রাস্তা ঘাট ও গ্রাম গঞ্জে আনাচে কানাচে লাল হলুদ রঙ্গের কৃষ্ণ চুড়া
ফুলে প্রকৃতি সেজেছে এক অপরূপ রঙ্গের সাজে যে দিকে তাকায় দু’চোখ
জুড়িয়ে যায় মনে হচ্ছে সবুজের মাঝে লাল রঙ্গের মুর্ছনা। ফুলে ফুলে ছেয়ে
গেছে পথ ঘাট। কৃষ্ণচুড়া দেখলেই যেন মনে পড়ে যায় সেই বাংলা গানের কলি
এমন কৃষ্ণচূড়া ফুল ফুটেছে ডালে ডালে, তুমি আসবে বলে। এই কৃষ্ণচুড়া
ফুল দুই রঙ্গের হয়ে থাকে । আমরা অনেকেই না জেনে একে কৃষ্ণচুড়া বলে থাকি
তবে এই লাল রঙ্গের ফুলকে কৃষ্ণচুড়া ও হলুদ রঙ্গের ফুলকে রাধা চুড়া বলা হয়।
আমাদের দেশে এপ্রিল মে মাসে এই ফুল ফোটে। বছরের অনান্য সময় এই ফুল বা
গাছ সচার আচার চোখে পরে না তবে এপ্রিল মে মাসে যখনি গাছে নতুন
পাতা বা ফুল ফোটা শুরু করে তখনি যেন পথচারির নজর কেড়ে নেই মনমুগ্ধকর এই
কৃষ্ণচুড়া। পথের মধ্যে লাল ও হলুদ কৃষ্ণচুড়া দেখলেই মনে হয় একটু থেমেনিই।
তবে হলুদ রঙ্গে কৃষ্ণচুড়া এখন তেমন দেখা যায় না বলেই চলে। উপজেলার
প্রতিটা গ্রামে কৃষ্ণচুড়ার শাখায় শাখায় লাল হলুদ ফুলের সমারহ। কৃষ্ণচুড়া
গাছ খুব একটা বড় হয় না। তবে এর ডাল পালা পাইকোর গাছের মতো অনেক
জায়গা পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে। পরিবেশের সুন্দর্য বর্ধক বৃক্ষ কৃষ্ণচুড়া গাছ
বর্তমানে উপজেলার রাস্তার দুই ধারে এবং বিদ্যালয়, সরকারী হাসপাতাল ও উপজেলা
পরিষদের আঙ্গিনায় শোভা পাচ্ছে। কৃষ্ণচুড়া ফুলের পাপড়ি লাল-হলুদ রঙ্গের হয় এর
ভিতরে অংশে হালকা হলুদ রং যুক্ত অনেক দুর থেকে দেখতে মনে হয় গাছে গাছে
যেন আগুন জ্বলছে।