এইচ.এম আয়াত উল্যা, ষ্টাফ রিপোটার নোয়াখালী: নোয়াখালীর জেলা শহর মাইজদীতে
অগ্নিকান্ডের ঘটনায় ৬টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে ওই ব্যবসা
প্রতিষ্ঠানগুলোর মূল্যবান মালামাল পুড়ে গিয়ে দুই কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে
ক্ষতিগ্রস্থদের দাবি। পরে খবর পেয়ে মাইজদী, চৌমুহনী ও কোম্পানীগঞ্জ ফায়ার
সার্ভিসের তিনটি ইউনিট দুই ঘন্টাব্যাপী চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম
হয়। শনিবার দিনগত মধ্যরাতে জেলা শহর মাইজদীর পুরাতন বাসষ্ট্যান্ডের নিশাতপ্লাজা
সংলগ্ন উত্তর পাশের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোতে এ অগ্নিকান্ডের ঘটনার ঘটে। ক্ষতিগ্রস্থ
ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো, সংবাদপত্রের পরিবেশক সন্ধানী এন্টারপ্রাইজ, রসমেলার শোরুম,
ভাই ভাই মেডিকেল হল, খুচরা যন্ত্রাংশের দোকান মেহেদী অটো, বিসমিল্লাহ অটো,
হায়দার ইলেকট্রনিকস। ক্ষতিগ্রস্থ ভোর রাতে আমার ও পার্শ্ববর্তী ব্যবসা
প্রতিষ্ঠানগুলোতে আগুন জ্বলতে দেখে স্থানীয়রা ফায়ার সার্ভিসে খবর দেয়। খবর পেয়ে
মাইজদী ফায়ার সাভির্সের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছলেও পানির অভাবে কাজ
করতে পারেনি। পরে চৌমুহনী ও কোম্পনীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট এসে
দুই ঘন্টা পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। কিন্তু এর আগেই ৬টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের মূল্যবান
মালামাল পুড়ে গিয়ে প্রায় দুই কোটির টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্থরা আরো
জানান, পার্শ্ববর্তী নিশাত প্লাজায় অবস্থিত লিটন আবাসিক হোটেলের একটি কক্ষ
থেকে সিগারেটের ফেলে দেওয়া অংশ থেকে এ আগুনের সূত্রপাত ঘটে। গত ১২ বছর পূর্বেও
একই স্থানে একইভাবে আগুনের ঘটনা ঘটেছিলো। রোববার সকালে নোয়াখালী পৌরসভার
মেয়র শহিদ উল্যাহ খান সোহেল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্থদের সহায়তার আশ্বাস
দেন। মাইজদী ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক হুমায়ূন কবির অগ্নিকান্ডের সত্যতা
নিশ্চিত করে জানান, শুষ্ক মৌসুম হওয়ায় শহরের আশেপাশে পানি না পাওয়ায় আমাদের
কাজ করতে দেরি হয়েছে। তবে চৌমুহনী ও কোম্পানীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস দুইটি
ইউনিট আমাদের সাথে যোগ দিলে দুই ঘন্টার মধ্যে আমরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে
সক্ষম হই। কিভাবে আগুনে সূত্রপাত হয়েছিলো বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি। ক্ষয়ক্ষতির
পরিমাণ আনুমানিক ২০ লক্ষ টাকা হবে বলে ধারণা করছি।