বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৬:৩৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশে কোনো পশু সংকট নেই – সাভারে মন্ত্রী আমিন উর রশিদ সাভার ও আশুলিয়ায় অপরিকল্পিত বাসা বাড়িতে বসবাসে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন জনগণ প্রাণিসম্পদ খাতকে সমৃদ্ধ করতে সরকার-বেসরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী   কুমিল্লার নাগরিক সেবায় নতুন অধ্যায়: গঠিত হচ্ছে ওয়াসা ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিচে ছোট পাইপ স্থাপনের অভিযোগ আশুলিয়ার জামগড়া ইস্টার্ন হাউজিং বাজারে জলাবদ্ধতায় ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির, ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ গৃহবধূ হত্যা মামলার আসামি র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার! আশুলিয়ার বাইপাইল- ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট, চরম দুর্ভোগে জনসাধারণ আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং কতৃক অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র অপহরণের পর হত্যা: ২০ মাস পর লাশ উত্তোলন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

তাড়াশ-রানীহাট আঞ্চলিক সড়কে ঝুঁকিতে চলছে ধানের হাট

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় শনিবার, ১৩ মে, ২০১৭
  • ২১১ বার পড়া হয়েছে

 

সোহেল রানা সোহাগ,সিরাজগঞ্জ থেকেঃ

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার তাড়াশ-রানীহাট আঞ্চলিক সড়কে ঝুকিতে চলছে

ধানের হাট। শত বছরের পুরানো তাড়াশের বিনসাড়া হাটের জায়গা অবৈধ দখলে

নিয়ে ঘর করে বছরের পর বছর পরিত্যক্ত অবস্থায় ফেলে রেখেছে এক শ্রেণির প্রভাবশালী।

মালিকানা ঠিক রাখার জন্য নির্মান করা হয়েছে লোক দেখানো ছোট-বড় প্রায়

অর্ধ শতাধিক দোকান ঘর। হাটের জায়গা দখল হয়ে যাওয়ায় ঝুঁকিতে রাস্তার ওপর

চলছে বেচাকেনা।

উপজেলার বিনসাড়া গ্রামে তাড়াশ-রাণী হাট রাস্তার পাশে সপ্তাহে রবিবার ও

বুধবার বিনসাড়া হাট বসে। বিনসাড়া, আসানবাড়ি, কাজিপুর, বলভা, শিবপুর,

পেঙ্গুয়ারি, মালশিন, বস্তুল, পালাশি, কহিত, কুসুম্বীসহ আশপাশের আরো ১০

গ্রামের হাজারো মানুষের আনাগোনা হয় এই বিনসাড়া হাটে। কৃষি প্রধান

চলনবিলের তাড়াশ উপজেলার সব থেকে বড় ধানের হাট বিনসাড়া। বছর জুড়ে ধান

বেচাকেনা চলে এই হাটে। কিন্তু আঞ্চলিক সড়কের উপর ঝুকি নিয়ে ধান ক্রয়-

বিক্রয়ের কারনে প্রতিনিয়তই ঘটছে ছোট বড় দুরঘটনা নানা দুরঘটনা । এ

ছাড়াও যে কোন সময় বড় দুরঘটনা ঘটার আশংকা করছেন এলাকার জন সাধারন।

তাদের দাবি বিনসাড়া বাজারের এই ধানের হাট দ্রুত স্থানান্তর তরে হাটের নিদিষ্টও

জায়গায় বসানোর জন্য।

সরেজমিনে হাটে গিয়ে দেখা যায়, হাটের মূল জায়গায় ভাংগা চুরা ছোট বড়

ঘর উঠিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় ফেলে রাখা হয়েছে। মালামাল দোকান বিছিয়ে বসার

জায়গা না থাকায় অনেকে বসে পড়েছেন অন্যের জমার জায়গা আর পতিত জমির

মধ্যে। জায়গা না পেয়ে ফিরে যাচ্ছে দূর থেকে আসা অনেক দোকানি। ঝু

হাটে আসা ভাসমান দোকানদার এনামুল হক সবুজ, সামচুল আলম, আনোয়ার

হোসেন সহ অনেকেই জানান, হাটে দোকান নিয়ে বসার জায়গা না থাকায়

অন্যের জায়গা-জমি বা রাস্তায় দোকান বিছাতে হয়। কোন কোন দিন হাটে বসার

জায়গা না পেয়ে ফিরে যায় অনেকে।

হাটের ইজারাদার মো. আব্দুস সালাম (ভুট্র) জানান, দোকানিদের দোকান নিয়ে

বসার জায়গা প্রভাবশালীদের দখলে থাকায় হাটের বেচাকেনা আগের তুলনায় অনেক

কমে গেছে। হাটের জায়গা অবৈধ দখল মুক্ত করে স্বাভাবিক পরিবেশ ফেরানোর জন্য

উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) ও সহকারী কমিশনার বরাবর লিখিত আবেদন

করা হয়েছে। দ্রুত দখলমুক্ত করা না হলে জায়গা সংকটে একেবারে বন্ধ হয়ে যেতে

পারে প্রাচীণ এই বিনসাড়া ।

এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মুহাম্মদ মনসূর উদ্দিন বলেন,

লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।।


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451