সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:২৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশে কোনো পশু সংকট নেই – সাভারে মন্ত্রী আমিন উর রশিদ সাভার ও আশুলিয়ায় অপরিকল্পিত বাসা বাড়িতে বসবাসে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন জনগণ প্রাণিসম্পদ খাতকে সমৃদ্ধ করতে সরকার-বেসরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী   কুমিল্লার নাগরিক সেবায় নতুন অধ্যায়: গঠিত হচ্ছে ওয়াসা ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিচে ছোট পাইপ স্থাপনের অভিযোগ আশুলিয়ার জামগড়া ইস্টার্ন হাউজিং বাজারে জলাবদ্ধতায় ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির, ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ গৃহবধূ হত্যা মামলার আসামি র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার! আশুলিয়ার বাইপাইল- ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট, চরম দুর্ভোগে জনসাধারণ আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং কতৃক অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র অপহরণের পর হত্যা: ২০ মাস পর লাশ উত্তোলন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

নোয়াখালীতে ৯০ বছরের বৃদ্ধাকে পিটিয়ে হত্যার চেষ্টায় থানায় অভিযোগ

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় শুক্রবার, ২৮ এপ্রিল, ২০১৭
  • ২২৩ বার পড়া হয়েছে

ষ্টাফ রিপোটার নোয়াখালী: নোয়াখালী সদর উপজেলা ৬নং

নোয়াখালী ইউনিয়নের নোয়াখালী মৌজার প্রযুক্তি বিশ^্যবিদ্যালয় রোড ঠক্কর চা

দোকানের সামনে কালা মিঞা প্রকাশ বেয়াই কে চড় থাপ্পড় ও মাথায় আগাত করে

পিটিয়ে হত্যার চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে। এই ঘটনায় সুধারাম মডেল থানায়

বেয়াই ছেলে জাকের হোসেন ২৮ এপ্রিল দুপর ১২ টায় নোয়াখালী মৌজা সাকিনস্ত

(সিলেট্টাগো বাড়ীর) শফিক উল্যার ছেলে ফারুক(৩৩) বজলুর রহমানের ছেলে সফিক উল্যা

(৫৫) কে বিবাদী করে একটি অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়

বিবাদীরা কৃষক কালা মিঞা প্রকাশ বেয়াইর শাখ সবজি ইত্যাদি মূল্যবান গাছপালা

ছাগল গরু ছেড়ে দিয়ে নষ্ট করায় এতে কালা মিয়া ছাগলের মালিক বিবাদীদেরকে বেশ

কয়েক বার আশে পাশের লোকজনকে মোকাবেলায় অবগত করেন এবং শাখ সবজি মূল্যবান

গাছপালা নষ্ট না করার অনুরোধ করেন কিন্ত গরু ছাগলের মালিক এই বিবাদীরা এতে

কোন কর্ণপাত করেন নাই। বরঞ্চ কালা মিয়াকে হত্যা করার হুমকি ধমক দিয়া আসছে ২৭

এপ্রিল বিকাল ৫ টায় আবারো বিবাদীদেরকে ঠক্কর তাদের চা দোকানে সামনে ৯০ বৎসরের

বৃদ্ধা কালা মিয়া প্রকাশ বেয়াই ছাগলের মালিক বিবাদীদেরকে আবারো জানান ২০১৭

সালের জানুয়ারী মাস হইতে এপ্রিল মাস পর্যন্ত বিবাদীদের ছাগল গরু প্রায় ৪০/৪৫

হাজার টাকার ক্ষতি সাধন করে বিবাদীদের কে জানাইলে বিবাদীরা ক্ষিপ্ত হয়ে বৃদ্ধাকে

হত্যার উদ্দেশ্যে এলোপাতাড়ী চড় থাপ্পড় সহ মাথায় আগাত মারাত্তক আগাত করে এবং

এতে কালা মিয়া প্রকাশ বেয়াই গুরুতর আহত হয়। তার অবস্থা আশংকা জনক হওয়ায় তাকে

নোয়াখালীতে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ বিষয় বিবাদী ফারুক ও সফিক কে পাওয়া

যায় নাই। এইদিকে সুধারাম থানায় বাদীর অভিযোগ সূতে জানান এই যে, আমি

নি¤œ স্বাক্ষরকারী থানার হাজির হইয়া এই মর্মে অভিযোগ দায়ের করিতেছি যে,

আমি একজন সহজ সরল নিরীহ আইনমান্যকারী ও গ্রম্য চাষা হই। অপরদিকে ছাগলের

মালিক বিবাদীদ্বয় এক শ্রেনীর জোর জুলুমবাজ পরেরধনলোভী, সন্ত্রাস, মাস্তান, লাঠিয়াল,

ভূমিগ্রাসী ও পরশ্রীকাতর প্রকৃতির লোক হয়। তারা পারেনা হেন কোন কাজ নাই।

উল্লেখিত কার্যাদি করা বিবাদীদের একমাত্র নেশা ও পেশা স্বভাব। বিবাদীরা এলাকার

শালিস, বিচার কিংবা দেশের প্রচলিত আইন কানুনের তোয়াক্কা করে না। বিবাদীদের

১২/১৩টি ছাগল রহিয়াছে উক্ত ছাগলগুলি ছাড়িয়া দিয়া লালন পালন করে। ইহাতে বিবাদীদের

ছাগলগুলি মানুষের গাছ, পারা শাখ শবজি বাগানের ঢুকিয়া ইত্যাদি হাজার টাকার ক্ষতি

সাধন করিয়া আসিতেছে। কেহই ইহার প্রতিবাদ করিলে চাগলের মালিক ফারুক ও শফিক

উল্টা জগড়া বিবাদে জড়িয়ে পড়ে। আমরা সাংবাদিকের একটি জায়গা দেখা শুনা ও

গাছপালা শাখ শবজি রোপন করে চাষাবাদ করি। বিবাদীদের ছাগলগুলি প্রায় ৪০/৪৫ হাজার

টাকার শাখ ও শবজি খাইয়া ফেলে । আমি বিবাদীদেরকে উক্ত বিষয়ে অবহিত করিলে তাদের

ছাগলগুলি না বাধিয়া আমাকে হুমকি ধমক দেয়। বর্ণিত গটনার তারিখ ও সময়ে আমার

পিতা ১ নং স্বাক্ষী বিবাদীদের চা দোকানে যাইয়া বিবাদীদের ছাগলগুরি বাধিতে বলিলে

বিবাদীদ্বয় ও অজ্ঞাত নাম আরো ২/৩ জন বিবাদী সহ আমার পিতাকে অকথ্য ভায়ায় গাল মন্দ

করে। আমার পিতা ইহার প্রতিবাদ করিলে ফারুক আমার বৃদ্ধা পিতাকে চড় থাপ্পড় মারিয়া

মান সন্মান ক্ষূন্য করে তখন আশপাশ হইতে বর্ণিত স্বাক্ষীরা গঠনাস্থলে আসিয়া গটনা

দেখে ও শুনে। পরবর্তীত আমি সংবাদ পাইয়া ঘটনার বিষয়ে অবগত হইয়া স্থানীয়

লোকজনকে অবহিত করিয়া বিচার প্রার্থী হই। কিন্তু বিবাদীগণ এলাকার বিচার, শালিশ

কিছুই মানে না। তাই বিচার করা সম্ভব হয় নাই। বিবাদীগণ প্রকাশে হুমকি ধমক

দিয়া বলে উক্ত বিষয় কোন প্রকার আইনের আশ্রয় নিলে আমাকে ও আমার পরিবারের

লোকজনকে প্রাণে হত্যা করিয়া লাশ গুম করিবে। আমি নিরূপায় হইয়া থানায় অত্র

অভিযোগ দায়ের করিতে বাধ্য হইলাম। মহোদয় উপরোক্ত বিষয়ের আলোকে সদয় বিবেচনা

করিয়া বিবাদীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে মর্জি হয়। এদিকে

সুধারাম থানার অফিসার ইনচার্জ জানান আমরা অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত করে

আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451