মোঃ আশিকুর রহমান টুটুল, নাটোর জেলা ব্যুরো প্রধান:
জীবিকার তাগিতে বর্ষা মৌসুমে পরিবার পরিজন নিয়ে দুবেলা
দু’মুঠো ভাতের জন্য নাটোরের লালপুর উপজেলার সাধারন শ্রমিকও মহিষ-গরুর
গাড়ীয়ালদের উঠতি মৌসুমের ইরিধান কাটতে যাওয়ার ধুম লেগেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে, প্রতিবছরের ন্যায় এবারও লালপুর থানার
ওয়ালিয়াসহ পার্শ্বর্তী বিভিন্ন এলাকার সাধারন শ্রমিক ও মহিষ-গরুর
গাড়ীয়ালরা উঠতি মৌসুমের ইরিধান কাটার জন্য দীর্ঘ ২০-২৫দিনের জন্য
উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলাও উপজেলা সিংড়া, সিলেট, সুনামগঞ্জ,
সিরাজগঞ্জ, জামতলি, চলনবিল, আতরাই এলাকায় যায়। আর এই যাওয়াকে
তাদের ভাষায় বিদেশ ধান কাটতে যাওয়া বলে। বর্তমানে এলাকার হাজারো
সাধারণ শ্রমিক ধান কাটার উদ্যেশে বিদেশ রওনা দিয়েছেন।ওয়ালিয়া
গ্রামের এমনি শ্রমিক মুকুল, লিয়াকত আলী প্রতিবেদক কে বলেন, এ সময়
আমাদের এলাকায় মাঠে চৈতালী ফসল তোলা শেষ হয়ে যাওয়ার কারনে মাঠে
তেমন কোন কাজ থাকেনা যার দরুন এসময় তাদের বসে বসে দিন কাটাতে
হয়। যা আমাদের দৈনন্দিন জীবন যাপনের উপর ব্যাপক প্রভাব ফেলে। আর সেই
লক্ষে বসে না থেকে ২০-২৫দিনের জন্য বিদেশ ধান কাটতে গেলে ১০-১৫ মন
ধান আনা যায়। যার মাধ্যমে পুরো বর্ষাকাল টা পরিবার পরিজন নিয়ে
শান্তিতে দুবেলা দুমুঠো ভাত খাওয়া যায় বলে এই এলাকার প্রায় শ্রমিকরা
বিদেশ ধান কাটতে যব২ায়। এদিকে গাড়ীয়ালরাও জানান, এ সময় মাঠে
কোন ফসল ঊঠেনা তাই গরু মহিষ নিয়ে বসে দিন কাটাতে হয় বলে ২০-
২৫দিনের জন্য বিদেশে গিয়ে ধান টানার কাজ করে ১৫-২০ মন ধান নিয়ে
সহজেই বাড়ী ফেরা যায়। যার মাধ্যমে বর্ষা কাল একটু শান্তিতে নিজে ও
মহিষ গরু নিয়ে দিন কাটানো যায় ।