রামগঞ্জ প্রতিনিধি :
লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার চন্ডিপুর মনসা উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা
কমিটির অভিভাবক পদে নির্বাচণে ফলাফল স্থগিতাদেশ ও মামলার
বাদীদেরকে গ্রেপ্তার ভয় দেখিয়ে হুমকি,ধমকি কারণে ইউএন মো:
আবু ইউসুফ,শিক্ষা অফিসার মো: মিজানুর রহমান ভূইঁয়া,
বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ইউনুছ পাটোয়ারী,প্রধান
শিক্ষক হারুনুর রশিদকে অপসারণ দাবী ও অভিভাবক সদস্য পদে
নির্বাচণ ফলাফল ঘোষনা দাবী করে সোমবার দুপুরে বাদী হুমায়ন
কবিরের বসত বাড়িতে সংবাদ সম্মেলণ করা হয়।
সংবাদ সম্মেলণে সাংবাদিক নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে সংবাদ
সম্মেলণে বক্তব্য রাখেন চন্ডিপুর উচ্চ বিদ্যালয় অভিভাবক সদস্য পদ
প্রার্থী আবু হান্নান,হুমায়ন কবির,রেজাউল করিম,আব্দুল
মালেক,অনিমা দাস,রাজনীতিবিদ শামছুল ইসলাম, শরীফ
পাটোয়ারী প্রমূখ।
বক্তরা জানান শিক্ষা বোর্ডের ৮ই জুন/২০০৯ ইং এর বিধান
মোতাবেক প্রবিধানমালা ২০০৯ এর ১৫ নং ধারায় প্রিজাইডিং
অফিসার নিয়োগের মাধ্যদিয়ে ১৬ নং ধারায় বিধি মোতাবেক
গত ২৩শে মার্চ নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করেন প্রিজাইডিং
অফিসার ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মিজানুর রহমান
ভূইঁয়া। ২৫শে মার্চ থেকে ২৮শে মার্চ পর্যন্ত মনোনয়ন পত্র
বিতরণ ও গ্রহন করা হয়।
২৯শে মার্চ বিকেল ৩টায় মনোনয়ন পত্র যাছাই-বাছাই ও ৩০শে
মার্চ মনোনয়ন প্রত্যাহার তারিখ ঘোষণা করেন। ৯ই
এপ্রিল/২০১৭ ইং তারিখে ভোট গ্রহনের তারিখে অভিভাবক সদস্য
পদে ৪ জন ও মহিলা অভিভাবক সদস্য পদে ১ জন প্রার্থী থাকায় ওই
পদে আর কোন প্রার্থী না থাকায় বিনাপ্রতিদ্বদ্ধিতায় তাঁরা
নির্বাচিত হয়।
তারা আরো জানান নির্বাচণের ফলাফল যে কোন অদৃশ্য শক্তির
কারসাজ্জিতে রহস্যজনক ভাবে অধ্যাবদি ঘোষনা করেননি।
সৃষ্ঠ ঘটনায় গত ১৮ই এপ্রিল সিনিয়র সহকারী জজ আদালত
লক্ষ্মীপুর কোর্টে মামলা দায়ের করলেও উপজেলা নির্বাহী অফিসার সহ
বিবাদী পক্ষ মুঠোফোনে মামলা প্রত্যাহার জন্য বাদী পক্ষকে
গ্রেপ্তার ভয় দেখিয়ে হুমকির কথাও বলেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার সৃষ্ঠ ঘটনা এড়িয়ে যান। মাধ্যমিক
শিক্ষা অফিসার মিজানুর রহমান ভূইঁয়া, প্রধান শিক্ষক হারুনুর
রশিদ জানান বিজ্ঞ আদালত যে রায় দিবে আমরা উক্ত রায় মেনে নিব।