রবিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২২, ১২:৩০ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
নাটোরের লালপুরে ‘ইমো হ্যাকিং চক্রের’ ৭ সদস্য গ্রেপ্তার জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশন, শ্রম মন্ত্রণালয় ঘেরাওয়ের ঘোষণা! দুবাই যেতে পারছেন না পোশাক ডিজাইন উরফি! ব্রাজিলের বড় তারকা নেইমারের বিশ্বকাপ শেষ? নড়াইলের ইউপি চেয়ারম্যানের ইয়াবা সেবনের ভিডিও ভাইরাল, সমালোচনার ঝড় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই জঙ্গি ছিনতাইয়ের ঘটনায় একজন গ্রেপ্তার আমি বুলেটপ্রুফ, লোহার পোশাক পরে আছি : ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে মুঈনুল উম্মাহ ফাউন্ডেশনে থেকে মহা গ্রন্থ পাগড়ী ও সন্মাননা স্মারক প্রদান এদেশে নির্বাচন নিয়ে আর কোনো খেলা হবে না, বিএনপির সমাবেশে বলেন ‘ ফখরুল ‘দুর্বল’ ২৪ ঘণ্টায় দেশে ২২ জনের করোনা শনাক্ত

যে ৫টি লক্ষণ দেখে বুঝবেন পিত্তথলিতে পাথর হয়েছে!

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় রবিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০১৭
  • ১৭৪ বার পড়া হয়েছে

বাংলার প্রতিদিন ডটকম, ঢাকা ঃ

গলব্লাডার বা পিত্তথলির পাথর খুবই পরিচিত একটি রোগ। অনেকে একে গলস্টোনও বলে থাকেন। বেশিরভাগ গলস্টোনই কোলেস্টেরল জমে তৈরি হয়। খুব বেশি কোলেস্টেরল আছে এমন কিছু খাওয়া গলস্টোন হওয়ার আশঙ্কাকে বাড়িয়ে দেয়।

তবে গলস্টোন বা পিত্তথলির পাথর কোন জটিল রোগ নয়। কিন্তু সময়মতো চিকিৎসা না করালে তা জটিল আকার ধারণ করে। অনেকেই বলে থাকেন, শুধুমাত্র ওষুধ সেবনে এই রোগ নিরাময় সম্ভব। এটা সম্পূর্ণ ভ্রান্ত ধারণা। সময়মত রোগনির্ণয় এবং চিকিৎসা করালেই এই রোগের সঠিক নিরাময় সম্ভব।

লক্ষণ সমূহ:

  • ১. পেটের ডানদিকে তীব্র ব্যথা (স্থায়িত্বকাল কয়েক মিনিট থেকে কয়েক ঘন্টা),
  • ২. ব্যথা ধীরে ধীরে পেছনে, ডান কাঁধে এবং মাঝ বরাবর ছড়িয়ে পড়া,
  • ৩. হালকা জ্বর থাকতে পারে,
  • ৪. বমি বা বমি ভাব থাকে,
  • ৫. জন্ডিস।

জটিলতা:

  • ১. পিত্তথলির প্রদাহ,
  • ২. পিত্তরস নিঃসরণে প্রতিবন্ধকতা,
  • ৩. জন্ডিস,
  • ৪. অগ্ন্যাশয়ের প্রদাহ,
  • ৫. পিত্তথলির ক্যান্সার।

চিকিৎসা:

রোগীর অবস্থার উপর নির্ভর করে চিকিৎসা পদ্ধতির ভিন্নতা লক্ষণীয়। সাধারণত তীব্র ব্যথা নিয়ে ভর্তি হওয়া রোগীকে প্রথমত ওষুধ দিয়ে ব্যথা নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। ডাক্তারি ভাষায় এক কনজারভেটিভ চিকিৎসা বলা হয়। রোগীর অবস্থা স্থিতিশীল হলে সার্জারি করে পিত্ত পাথর অপসারণ করা হয়। সার্জারি দুইভাবে করা যায়।

১. ল্যাপারোস্কোপিক কোলেসিস্টেকটমি (Laparoscopic cholecystectomy): ল্যাপারোস্কোপিক মেশিনের সাহায্যে পেট না কেটে ফুটো করে পাথর অপসারণ করা হয়। রোগী সাধারণত অপরেশনের পরে দ্বিতীয় দিনেই বাড়ি যেতে পারে এবং প্রাত্যহিক কাজ করতে পারে।

২. উন্মুক্ত কোলেসিস্টেকটমি(open cholecystectomy): রোগ যখন জটিল আকার ধারণ করে তখন এই অপারেশন করা হয়। পেট কেটে পিত্তথলিসহ পাথর বের করে আনা হয়। এই নমুনা হিস্টোপ্যাথলজি পরীক্ষার জন্য ল্যাবোরেটরিতে পাঠানো হয়। কেননা শতকরা ৮০ ভাগ ক্ষেত্রে পিত্তথলির ক্যান্সারেই পাথর হয়ে থাকে।

 

কৃতজ্ঞ ঃ হেলথ বার্তা

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451