সোহেল রানা সোহাগ, সিরাজগঞ্জ থেকে ঃ
শস্য ভান্ডার খ্যাত সিরাজগঞ্জের চলনবিলাঞ্চলে এবারও রসুনের বাম্পার ফলন হলেও দাম নিয়ে
বিপাকে রয়েছে কৃষকেরা। সাদা সোনা রসুনের আশাতীত ফলনে এবার কৃষকের মুখের
হাসিটা একটু বেশিই। ধানের আবাদের চেয় রসুন চাষে লাভ বেশী হওয়ায় কৃষকেরা
ঝুঁকেছেন রসুন আবাদের প্রতি। চলনবিলের এ সময়ের সাদা সোনা হিসেবে পরিচিত
রসুনের এবার ভালো ফলন হলেও, বাজার মূল্যটা গত বছরের চেয়ে অনেক কম।এলাকার কৃষাণ-
কৃষাণীরা এখন মাঠে ব্যাস্ত সময় পার করছেন রসুন ঘরে তুলতে।
চলতি মৌসুমে চলনবিলের তাড়াশ উপজেলায় রসুনের আবাদ হয়েছে ৪৪০ হেক্টর জমিতে ।
তবে গত বছরের চেয় কম যা গত বছর হয়েছিল ৫৭০ হেক্টর । রসুন উৎপাদন হয়েছে প্রতি
বিঘায় গড়ে ৩০ মণ হারে। যার বর্তমান বাজার মূল্যে প্রতিমন ১ হাজার টাকা থেকে
১৫০০ টাকা পর্যন্ত এবং শুকনো রসুন বিক্রয় হচ্ছে প্রতিমন ২ হাজার থেকে ২৫০০টাকা
পর্যন্ত । তবে এই মুল্যে খুশি না কৃষকেরা । তাদের দাবি বাজার মূল্যে এমন হলে
লোকসানে পরতে হবে তাদের। গত ২ সপ্তাহ থেকেই রসুন তোলার কাজ শুরু হয়েছে।
তাড়াশ উপজেলার রসুন চাষী আমজাদ হোসেন জানান, বিনা চাষে রসুন চাষ করেছি ,
সার বীজ সহ প্রতি বিঘায় ৩৫ থেকে ৪০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। ৩ থেকে ৪ হাজার
টাকা মন বিক্রয় করতে পারলে আমরা লাভবান হতে পারব।
এ ব্যাপারে তাড়াশ উপজেলা কৃষি অফিসার মো.সাইফুল ইসলাম জানান,উপজেলায় এ বছর
রসুনের আবাদ হয়েছে ৪৪০ হেক্টর জমিতে । তবে গত বছরের চেয় কম চাষ হয়েছে গত বছর
চাষ হয়েছিল ৫৭০ হেক্টর । বন্যার পনি নামতে একটু দেরী হওয়ায় অনেক কৃষক এবার রসুন
চাষ করতে পারেনি। ফলন ভালো হয়েছে তবে দামটা একটু কম।