রবিবার, ০২ অক্টোবর ২০২২, ০৪:৫৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
শরীয়তপুরের ডামুড্যা ২ দিন ধরে নিখোঁজ, বাড়ির পাশে পুকুরে বস্তাবন্দি মরদেহ খুলনায় ইটবাহী ট্রলির ধাক্কায় কলেজ অধ্যক্ষ নিহত কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল বন্ধ এবং পরীক্ষা স্থগিত করার সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রে নিউ ইয়র্কে আমেরিকান মুসলিম দিবস উপলক্ষে পদযাত্রা হিন্দুদের মন্দিরে বাড়ি-ঘরে-মণ্ডপে হামলা করে, যে পরিচয়ে হোক, এ দুর্বৃত্তদের ক্ষমা নেই : কাদের আলোকিত কুড়িগ্রামের মিলনমেলা-২০২২ অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রীয় সম্মান গার্ড সর্বস্তরের শ্রদ্ধায় রণেশ মৈত্রের শেষকৃত্য সম্পন্ন বাঙালি হিন্দুদের প্রধান ধর্মীয় শারদীয় দুর্গোৎসব সত্য-সুন্দরের আলোয় ভাস্বর হয়ে উঠুক : রাষ্ট্রপতি প্ল্যাটফর্ম ইনস্টাগ্রামেও জনপ্রিয় হয়ে উঠছেন সানজিদা-কৃষ্ণা-রিতুপর্ণারা রাজধানীর যেসব মার্কেট ও দোকানপাট বৃহস্পতিবার বন্ধ

জঙ্গিদের লাশ নিতে আসেনি কেউ

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় বুধবার, ৬ জুলাই, ২০১৬
  • ২৬৭ বার পড়া হয়েছে

ঢাকা : তিন দিন পেরিয়ে গেলেও গুলশানের রেস্তোরাঁয় জিম্মি উদ্ধার অভিযানে নিহত ছয় জঙ্গির লাশ কেউ নিতে আসেননি।

মঙ্গলবার ছয় জঙ্গির লাশের ময়নাতদন্ত করা হয়েছে। তাঁদের লাশ সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের (সিএমএইচ) হিমঘরে রাখা হয়েছে।

পুলিশ ও সেনাবাহিনীর দায়িত্বশীল সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সূত্র জানায়, নিহত ছয় জঙ্গির লাশ সিএমএইচে আছে। সেখানে আজ তাঁদের লাশের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। লাশ নিতে হলে তা পুলিশের মাধ্যমে নিতে হবে। এ ক্ষেত্রে যেসব প্রক্রিয়া আছে, তা নিয়ন্ত্রণ করছে পুলিশ।

ঢাকা মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সোহেল মাহমুদ গণমাধ্যমকে জানান, ছয় জঙ্গির মধ্যে দুজনের মৃত্যু হয়েছে গুলি ও বোমার আঘাতে। বাকি চারজন মারা গেছে গুলিতে।

মঙ্গলবার নিহত কয়েকজন জঙ্গির পরিবারের সদস্যরা বলেন, তাঁদের পরিবারের সন্তানদের ঘটনায় তাঁরা লজ্জিত, মর্মাহত। এমন ঘটনা তারা ঘটাতে পারে, এটা বিশ্বাস করা কঠিন। তাঁরা বলেন, বাসার সবাই ভেঙে পড়েছে। এ কারণে কেউ লাশ আনতে যাননি। এক জঙ্গির বাবা বলেন, ‘যেতে নিশ্চয়ই হবে। কেননা আমি তো বাবা। এটা তো আর অস্বীকার করতে পারব না।’

গত শুক্রবার রাত পৌনে নয়টার দিকে গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে ঢুকে হত্যাযজ্ঞ চালায় জঙ্গিরা। ১৭ জন বিদেশি, ৩ জন বাংলাদেশিসহ ২০ জনের মৃত্যু হয়। জিম্মি উদ্ধার অভিযানে নিহত হন আরও ছয়জন। এর আগে শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে প্রথম দফা উদ্ধার অভিযান চালাতে গিয়ে নিহত হন পুলিশের দুই কর্মকর্তা।

আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন আইএস নিহত পাঁচজনকে তাদের সদস্য বলে দাবি করলেও বিষয়টি নাকচ করে দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। তিনি বলেন, তাঁরা সবাই বাংলাদেশি, দেশে বেড়ে ওঠা।

পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, এখন তাঁরা মনে করছেন, আইএসের কথিত বার্তা সংস্থা আমাক নিউজের বরাত দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সাইট ইন্টেলিজেন্স যে পাঁচজনের ছবি দিয়েছে, তাঁরাই মূলত হামলায় অংশ নিয়েছিলেন। তাঁরা সবাই অভিযানে নিহত হন। এই পাঁচজনের মধ্যে বগুড়ার খায়রুলকে ছয়-সাত মাস ধরে পুলিশ খুঁজছিল। বাকিদের সম্পর্কে কোনো ধারণা ছিল না তাঁদের।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451