মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১০:১৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশে কোনো পশু সংকট নেই – সাভারে মন্ত্রী আমিন উর রশিদ সাভার ও আশুলিয়ায় অপরিকল্পিত বাসা বাড়িতে বসবাসে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন জনগণ প্রাণিসম্পদ খাতকে সমৃদ্ধ করতে সরকার-বেসরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী   কুমিল্লার নাগরিক সেবায় নতুন অধ্যায়: গঠিত হচ্ছে ওয়াসা ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিচে ছোট পাইপ স্থাপনের অভিযোগ আশুলিয়ার জামগড়া ইস্টার্ন হাউজিং বাজারে জলাবদ্ধতায় ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির, ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ গৃহবধূ হত্যা মামলার আসামি র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার! আশুলিয়ার বাইপাইল- ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট, চরম দুর্ভোগে জনসাধারণ আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং কতৃক অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র অপহরণের পর হত্যা: ২০ মাস পর লাশ উত্তোলন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

জঙ্গিদের লাশ নিতে আসেনি কেউ

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় বুধবার, ৬ জুলাই, ২০১৬
  • ৫২৯ বার পড়া হয়েছে

ঢাকা : তিন দিন পেরিয়ে গেলেও গুলশানের রেস্তোরাঁয় জিম্মি উদ্ধার অভিযানে নিহত ছয় জঙ্গির লাশ কেউ নিতে আসেননি।

মঙ্গলবার ছয় জঙ্গির লাশের ময়নাতদন্ত করা হয়েছে। তাঁদের লাশ সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের (সিএমএইচ) হিমঘরে রাখা হয়েছে।

পুলিশ ও সেনাবাহিনীর দায়িত্বশীল সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সূত্র জানায়, নিহত ছয় জঙ্গির লাশ সিএমএইচে আছে। সেখানে আজ তাঁদের লাশের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। লাশ নিতে হলে তা পুলিশের মাধ্যমে নিতে হবে। এ ক্ষেত্রে যেসব প্রক্রিয়া আছে, তা নিয়ন্ত্রণ করছে পুলিশ।

ঢাকা মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সোহেল মাহমুদ গণমাধ্যমকে জানান, ছয় জঙ্গির মধ্যে দুজনের মৃত্যু হয়েছে গুলি ও বোমার আঘাতে। বাকি চারজন মারা গেছে গুলিতে।

মঙ্গলবার নিহত কয়েকজন জঙ্গির পরিবারের সদস্যরা বলেন, তাঁদের পরিবারের সন্তানদের ঘটনায় তাঁরা লজ্জিত, মর্মাহত। এমন ঘটনা তারা ঘটাতে পারে, এটা বিশ্বাস করা কঠিন। তাঁরা বলেন, বাসার সবাই ভেঙে পড়েছে। এ কারণে কেউ লাশ আনতে যাননি। এক জঙ্গির বাবা বলেন, ‘যেতে নিশ্চয়ই হবে। কেননা আমি তো বাবা। এটা তো আর অস্বীকার করতে পারব না।’

গত শুক্রবার রাত পৌনে নয়টার দিকে গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে ঢুকে হত্যাযজ্ঞ চালায় জঙ্গিরা। ১৭ জন বিদেশি, ৩ জন বাংলাদেশিসহ ২০ জনের মৃত্যু হয়। জিম্মি উদ্ধার অভিযানে নিহত হন আরও ছয়জন। এর আগে শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে প্রথম দফা উদ্ধার অভিযান চালাতে গিয়ে নিহত হন পুলিশের দুই কর্মকর্তা।

আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন আইএস নিহত পাঁচজনকে তাদের সদস্য বলে দাবি করলেও বিষয়টি নাকচ করে দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। তিনি বলেন, তাঁরা সবাই বাংলাদেশি, দেশে বেড়ে ওঠা।

পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, এখন তাঁরা মনে করছেন, আইএসের কথিত বার্তা সংস্থা আমাক নিউজের বরাত দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সাইট ইন্টেলিজেন্স যে পাঁচজনের ছবি দিয়েছে, তাঁরাই মূলত হামলায় অংশ নিয়েছিলেন। তাঁরা সবাই অভিযানে নিহত হন। এই পাঁচজনের মধ্যে বগুড়ার খায়রুলকে ছয়-সাত মাস ধরে পুলিশ খুঁজছিল। বাকিদের সম্পর্কে কোনো ধারণা ছিল না তাঁদের।


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451