এম.এ আয়াত উল্যা, স্টাফ রিপোর্টার, নোয়াখালী : নোয়াখালীর সেনবাগ
উপজেলার কাদরা ইউনিয়নের চাঁদপুর গ্রামে জায়গা-জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের
ধরে দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি সংঘর্ষে নারী-শিশুসহ উভয়পক্ষের অন্তত ১১ জন আহত
হয়েছে। রোববার (০৯ এপ্রিল) দুপুর ১টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত দফায় দফায়
এসব ঘটনা ঘটে। এসময় দুইটি বসতঘরে অগ্নিসংযোগ ও দুইটি ঘরে ব্যাপক
ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন, ওই ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক
ইলিয়াছ সুমন (৩২), তার ভাই মো. ইদ্রিস ওরফে দুলাল (২৪) ও মো. ইসমাইল (২০), মা
হোসনে আরা বেগম (৬০), শিশু কন্যা সুবর্ণা আক্তার (১২), আত্মীয় শেখ আহম্মদ
(৩০) এবং তাজুল ইসলাম (৪০), ছালেহা বেগম (৪০), সাইফুল ইসলাম (২৫), নূর
ইসলাম (২৫)। আহতদের মধ্যে সুমনকে জেলা শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে
এবং বাকীদের নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। তবে
সুমনের অবস্থা আশংকাজনক। স্থানীয়রা জানায়, ইউনিয়নের চাঁদপুর গ্রামের
যুবলীগ নেতা ইলিয়াছ সুমনদের সঙ্গে একই বাড়ির তাজুল ইসলামদের জায়গা-
জমি নিয়ে দীর্ঘদিন বিরোধ ও আদালতে মামলা চলে আসছে। তাজুল ইসলামের
দায়ের করা একটি মামলায় বিরোধপূর্ণ জায়গা পরিমাপকে কেন্দ্র করে দুইপক্ষ
প্রথমে কথাকাটাকাটি, পরে পাল্টাপাল্টি হামলা ও সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে
উভয়পক্ষের অন্তত ১১জন আহত হয়েছে। এসময় সুমনদের দুইটি বসতঘরে ব্যাপক
ভাঙচুর চালানো হয়। খবর পেয়ে দুপুর ২টার দিকে থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। পুলিশ
ঘটনাস্থল থেকে চলে আসার পর ৩টার দিকে তাজুল ইসলামদের দুইটি বসতঘরে
অগ্নিসংযোগ করা হয়। সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হারুনুর
রশিদ চৌধুরী দুইপক্ষের সংঘর্ষ ও বসতঘর ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগের বিষয়টি
নিশ্চিত করে জানান, পরিস্থিতি বর্তমানে পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এ ঘটনায়
কোনো পক্ষ থানায় অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ দিলে আইনগত পদক্ষেপ নেয়া হবে
বলেও জানান তিনি।