বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
মিরপুরে ছাত্রদল নেতা আশরাফুল হোসেন মামুনের সেহেরি আয়োজনে হাজারো মানুষের উপচে পড়া ভিড় প্রধানমন্ত্রীর ঈদ বোনাস পেলেন ডিএনসিসির ৩ হাজার ৩২ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মী খাল খনন প্রকল্প বাস্তবায়নে কেউ দুর্নীতি করলে কঠোর ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে  -তথ্যমন্ত্রী  ১৪ নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী মোঃ সুমন হোসেনের ঈদের শুভেচ্ছা দেশের মানুষের প্রত্যাশা সুশাসিত ও সুন্দর বাংলাদেশ  – -খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী                              আশুলিয়া সাংবাদিক সমন্বয় ক্লাবের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিলে ৪টি সংগঠনের সভাপতির অংশগ্রহণ চট্টগ্রামে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা, দেশীয় টুপি ও নতুন নোটে বাড়তি আগ্রহ চট্টগ্রাম থেকে অগ্রিম টিকেটে ট্রেনে যাত্রীদের ঈদযাত্রা শুরু সরকার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী  চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল উদ্দিন ভূমি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ায় সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদের অভিনন্দন

শিশু রাকিব হত্যা, দুই আসামির মৃত্যুদণ্ডের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ৪ এপ্রিল, ২০১৭
  • ২৯২ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্কঃ 

পায়ুপথে বাতাস ঢুকিয়ে শিশু রাকিব হত্যার মামলায় মুত্যুদণ্ড প্রাপ্ত ওমর শরীফ ও মিন্টুর সাজা কমিয়ে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিলেন হাইকোর্ট।মঙ্গলবার বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিম ও বিচারপতি মো. জাহাঙ্গীর হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের বেঞ্চে এই রায় দেন।

রাকিব হত্যার মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের করা আপিলের শুনানি গেলো ২৯ মার্চ শেষ হয়। উভয়পক্ষের শুনানি নিয়ে রায়ের জন্য এ দিন ( ৪ এপ্রিল) ঠিক করেন আদালত।২০১৫ সালের ৩ আগস্ট খুলনা নগরীর টুটপাড়ায় শরীফ মোটরসে মোটরসাইকেলের হাওয়া দেয়ার কমপ্রেসার মেশিন দিয়ে রাকিবের পায়ুপথে বাতাস ঢুকিয়ে তাকে হত্যা করা হয়।

এ ঘটনায় ওই গ্যারেজের মালিক শরীফ, তার সহযোগী মিন্টু ও শরীফের মা বিউটি বেগমকে  পুলিশে দেয় এলাকাবাসী।  ঘটনার পরদিন তিনজনের বিরুদ্ধে খুলনা সদর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।এরপরই দ্রুত সময়ের মধ্যে মামলার চার্জশিট দাখিল করে পুলিশ।

হত্যাকাণ্ডের চার মাসের মধ্যেই খুলনার একটি আদালত এই মামলার বিচার নিষ্পত্তি করে। ওই আদালত প্রধান আসামি শরীফসহ দু’জনকে মৃত্যুদণ্ড দেয়।পরে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা রায় বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে আপিল করে। পাশাপাশি মৃত্যুদণ্ডের রায় অনুমোদনের জন্য হাইকোর্টে মামলাটি ডেথ রেফারেন্স আকারে পাঠানো হয়।

২০১৫ সালের পর প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বেশ কয়েকটি  মামলার পেপারবুক প্রস্তুতের জন্য হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখাকে নির্দেশ দেন। এরপরই পেপারবুক প্রস্তুতের পর হাইকোর্টের এই বেঞ্চে মামলার ডেথ রেফারেন্স শুনানির জন্য পাঠানো হয়।মোট ১১ দিবস শুনানি শেষে রায়ের দিন ঠিক করেন আদালত।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451