রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০২:৫২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
শৈত্যপ্রবাহে কাঁপছে উত্তরের জেলা পাবনা-একই এলাকায় এক দিনে ৪ জনের মৃত্যু এক গোরস্তানে তিনজনের দাফন। সাভারে অতিরিক্ত দামে এলপিজি গ্যাস বিক্রি-ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযানে দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা আশুলিয়ার জামগড়ায় মাদকবিরোধী অভিযানে ১৪ জন আটক, প্রত্যেকের ৬ মাসের কারাদণ্ড ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক দখল করে রেখেছে মৎস্য আড়তের গাড়ি যেকোনো সময় ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা আরিচা-কাজিরহাট নৌ-রুটে স্পিডবোটে অতিরিক্ত যাত্রী পারাপার বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা ঢাকা জেলা ৮ বারের সেরা করদাতা রোমান ভুঁইয়ার পক্ষ থেকে সবাইকে নববর্ষের শুভেচ্ছা আশুলিয়ায় নারীদের ওপর নির্যাতন ভয়াবহ রূপ নিয়েছে, মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তালায় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত সাংবাদিকতা সততা, নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সাথে করতে হবে, পার্বতীপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবসে – বিএফইউজে সভাপতি পত্নীতলায় যথাযোগ্য মর্যাদায় বুদ্ধিজীবী দিবসে  মোমবাতি প্রজ্জলন

শিশু রাকিব হত্যা, দুই আসামির মৃত্যুদণ্ডের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ৪ এপ্রিল, ২০১৭
  • ২৮৫ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্কঃ 

পায়ুপথে বাতাস ঢুকিয়ে শিশু রাকিব হত্যার মামলায় মুত্যুদণ্ড প্রাপ্ত ওমর শরীফ ও মিন্টুর সাজা কমিয়ে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিলেন হাইকোর্ট।মঙ্গলবার বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিম ও বিচারপতি মো. জাহাঙ্গীর হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের বেঞ্চে এই রায় দেন।

রাকিব হত্যার মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের করা আপিলের শুনানি গেলো ২৯ মার্চ শেষ হয়। উভয়পক্ষের শুনানি নিয়ে রায়ের জন্য এ দিন ( ৪ এপ্রিল) ঠিক করেন আদালত।২০১৫ সালের ৩ আগস্ট খুলনা নগরীর টুটপাড়ায় শরীফ মোটরসে মোটরসাইকেলের হাওয়া দেয়ার কমপ্রেসার মেশিন দিয়ে রাকিবের পায়ুপথে বাতাস ঢুকিয়ে তাকে হত্যা করা হয়।

এ ঘটনায় ওই গ্যারেজের মালিক শরীফ, তার সহযোগী মিন্টু ও শরীফের মা বিউটি বেগমকে  পুলিশে দেয় এলাকাবাসী।  ঘটনার পরদিন তিনজনের বিরুদ্ধে খুলনা সদর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।এরপরই দ্রুত সময়ের মধ্যে মামলার চার্জশিট দাখিল করে পুলিশ।

হত্যাকাণ্ডের চার মাসের মধ্যেই খুলনার একটি আদালত এই মামলার বিচার নিষ্পত্তি করে। ওই আদালত প্রধান আসামি শরীফসহ দু’জনকে মৃত্যুদণ্ড দেয়।পরে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা রায় বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে আপিল করে। পাশাপাশি মৃত্যুদণ্ডের রায় অনুমোদনের জন্য হাইকোর্টে মামলাটি ডেথ রেফারেন্স আকারে পাঠানো হয়।

২০১৫ সালের পর প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বেশ কয়েকটি  মামলার পেপারবুক প্রস্তুতের জন্য হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখাকে নির্দেশ দেন। এরপরই পেপারবুক প্রস্তুতের পর হাইকোর্টের এই বেঞ্চে মামলার ডেথ রেফারেন্স শুনানির জন্য পাঠানো হয়।মোট ১১ দিবস শুনানি শেষে রায়ের দিন ঠিক করেন আদালত।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451