বুধবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৮:৪৪ পূর্বাহ্ন

আশুলিয়ার বাইপাইল-টঙ্গী সড়কের বেহাল দশা !

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ৩০ মার্চ, ২০১৭
  • ৯৭ বার পড়া হয়েছে

 

হেলাল শেখ ঃ

ঢাকার আশুলিয়ার বাইপাইল সড়কের বিভিন্ন রাস্তার বেহাল অবস্থা। বিভিন্ন শিল্প কারখানার বর্জ্য

পানিতে মহাসড়কের রাস্তার বেহাল দশা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে,বাড়ছে জনদূর্ভোগ।

ঢাকার নিকটবর্তী আশুলিয়ার বাইপাইল ট্রাফিক মোড় থেকে গাজীপুর জেলার টঙ্গী পর্যন্ত কয়েক শত

শিল্প কারখানা রয়েছে। এসব কারখানার বর্জ্য ময়লা পানি ও পলিথিন রাস্তায় ফেলা হয় বলে অভিযোগ

উঠেছে জনমনে। ড্রেনের পানির মধ্যে পলি ও ময়লা আটকে থাকায় পানি যেতে সমস্যা হয়। আর

ড্রেনের পানি যাওয়ার কোনো ব্যবস্থা না থাকায় অনেক কারখানার সামনের রাস্তায় বর্জ্য পানি ঢেলে

দেয় কারখানার মালিকগণ।বর্ষা না আসতেই দেখা যাচ্ছে রাস্তার উপরে পানি চোখে পড়ার মত। জনগনের

প্রশ্ন সড়ক বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা কি রাস্তার বেহাল অবস্থা ও জনদূর্ভোগ দেখছেন না?

দেশের প্রায় ৬৪ জেলা ও উপজেলার মানুষ কর্মমুখী হয়ে ঢাকার শিল্প এলাকা আশুলিয়ায় আসছেন চাকুরি

করতে। নি¤œ আয়ের মানুষ শিল্প শ্রমিক বেশিরভাগ মানুষের দিন দিন সমস্যা বাড়ছে বলে অনেকেই

জানান। এদের সাথে কেউ আবার ভিআইপি ভাবে জীবনযাপন করছেন। তারা হলেন, কারখানার জিএম,

পিএম। আর নি¤œ আয়ের মানুষগুলোর থাকা খাওয়ার সমস্যার শেষ নেই। কারণ তারা যে এলাকায় ভাড়া

বাড়িতে থাকেন, সেখানে গ্যাস আসে রাত ১২টার পর, আবার রাত ৩ টার সময় চলে যায়, আবার যা তাই

। রান্না না করতে পেরে শ্রমিকরা অনেকেই দোকানের রুটি খেয়ে কর্মস্থলে যাওয়ার নজিরও রয়েছে।

আবার রাস্তায় এসে দেখেন, গাড়ি নেই, যানবাহনের সমস্যা। রাস্তার বেহাল অবস্থার কারণে হেঁটে

সময়মত হাজিরা দিতেও পারেন না অনেকেই।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, ঢাকার আশুলিয়ার বাইপাইল থেকে শুরু করে ইউনিক, শিমুলতলা,

জামগড়া চৌ-রাস্তার দু’পাশের ড্রেনের মুখ বন্ধ হওয়ায় সামান্য বৃষ্টির পানি দেখে মনে হচ্ছে

বর্ষাকাল। সেই সাথে কিছু শিল্প কারখানার বর্জ্য ময়লা পানি রাস্তায় ঢেলে দেওয়ায় পানির রং পাল্টে

যায়। এ ব্যাপারে স্থানীয় জামগড়ার ওষুধ ব্যবসায়ী আলমগীর হোসেন বলেন, দোকানদারদের সমস্যা দিন

দিন বাড়ছেই। কারণ দোকানের সামনেই ময়লা পানি থাকে যদি তাহলে মানুষ রাস্তা পাড় হয়ে কেউ খরচ

করতে পারেন না। জামগড়া খাবার হোটেল ব্যবসায়ী ফারক হোসেন বলেন, বর্ষাকাল না আসতেই তার

হোটেলের ভিতরে অনেক পানি প্রবেশ করে, যা দেখে মনে হয় বন্যা হয়েছে। ড্রেনেজ ব্যবস্থা লাজুক

হওয়ায় বিভিন্ন কারখানার পানি ড্রেনের উপর দিয়ে বেঁয়ে রাস্তায় নেমে আসছে। তাই রাস্তারও বেহাল

দশা হয়েছে। এ যেন দেখার কেউ নেই। রাস্তার সমস্যার বিষয়ে এলাকার অনেকেই বলছেন, তারা নিজ

দায়িত্বে খরচ দিয়ে ড্রেন ও রাস্তার মেরামত করতে আগ্রহী হলেও সড়ক বিভাগের কর্মকর্তাগণ

বলেছেন, সরকারি কাজে সরকারি ভাবেই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

উক্ত বিষয়ে সড়ক বিভাগের কর্মকর্তা সফিকুল ইসলাম বলেন, কিছু শিল্প কারখানার বর্জ্য পানি ও পলি

রাস্তায় ফেলার কারণে ড্রেনে ময়লা আটকা পড়ে,পানি যেতে সমস্যা হচ্ছে আর আমরা জরুরীবাবে এ

বিষয়ে ব্যবস্থা নিতেছি। এ বিষয়ে পরিবেশ অধিদফতর কর্মকর্তা মেহেদীর সাথে যোগাযোগ করা

হলে তিনি বলেন, তদন্ত করে দেখা হবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451