মোঃ আশিকুর রহমান (টুটুল), নাটোর ব্যুরো প্রধান:
১৯৭১ সালে পাক হানাদার বাহিনী ৩০শে মার্চ নাটোরের লালপুর
উপজেলার ওয়ালিয়া ইউনিয়নের ময়না গ্রামে স্বাধীনতা যুদ্ধ
সংঘটিত করে। আর সেই দিন ময়নায় এই আম গাছের সঙ্গে
মসলেম, কাশেম, আব্দুর সামাদসহ ৭ জনকে বেঁধে নির্মম ভাবে
ব্রাশ ফায়ার করে হত্যা করে । এর মধ্যে গুলি খেয়েও গুরুতর আবস্থায়
প্রাণে বেঁচে যায় আব্দুর সামাদ ঐ হত্যার সেই একমাত্র স্বাক্ষী।
সেই দিন ৭ শহীদ যেমন বুকের তাজা রক্ত ডেলে দিয়েছিল তেমনি
সেই দিন আম গাছ টিও তার বুক পেতে দিয়েছিলো। আম
গাছটি এখনো সেই ব্রাশ ফায়ারের হাজারো গুলি বুকে নিয়ে
এক পায়ের উপরে ভর করে দাড়িয়ে আছে । সে দিন পাকহানাদার
বাহিনী এই নিষ্পাপ বৃক্ষের বুকে তাদের গুলি চালাতে এটুকো
দিধা করেনি। এই আম গাছটি আনুমানিক গত ২০১০ সালে
লালপুর উপজেলা আওয়ামীলীগ অর্থের বিনিময় গাছের মালিকের
নিকট থেকে ক্রয় করে নেন । এই আম গাছ টি এখন মৃত পায় তাই
আম গাছ টিকে কালের স্বাক্ষী হিসেবে বাঁচিয়ে রাখতে
ওয়ালিয়া ইউনিয়ন উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মমতাজ আলী,
সালাহউদ্দিন, মকলেছুর রহমান এর নিকট থেতে পরামর্শক্রমে ওয়ালিয়া
ইউপির ৭ নং ওয়ার্ডের সদস্য হারুনর-অর- রশীদ হতদরিদ্র দের ৪০ দিনের
কর্মসৃজন কর্মসূচীর মাধ্যমে গাছের প্রয়োজনীয় সার ও
কিটনাশক, পানি সেচ সহ প্রয়োজনীয় পরিচর্যা করে যাচ্ছেন ।