রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:১৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশে কোনো পশু সংকট নেই – সাভারে মন্ত্রী আমিন উর রশিদ সাভার ও আশুলিয়ায় অপরিকল্পিত বাসা বাড়িতে বসবাসে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন জনগণ প্রাণিসম্পদ খাতকে সমৃদ্ধ করতে সরকার-বেসরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী   কুমিল্লার নাগরিক সেবায় নতুন অধ্যায়: গঠিত হচ্ছে ওয়াসা ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিচে ছোট পাইপ স্থাপনের অভিযোগ আশুলিয়ার জামগড়া ইস্টার্ন হাউজিং বাজারে জলাবদ্ধতায় ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির, ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ গৃহবধূ হত্যা মামলার আসামি র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার! আশুলিয়ার বাইপাইল- ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট, চরম দুর্ভোগে জনসাধারণ আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং কতৃক অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র অপহরণের পর হত্যা: ২০ মাস পর লাশ উত্তোলন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

গোপালগঞ্জের সাতপাড়ে ৪০ দিনের কর্মসুচি সঠিকভাবে হচ্ছে না

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় শুক্রবার, ৩ মার্চ, ২০১৭
  • ২১৬ বার পড়া হয়েছে

 

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি : গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার

সাতপাড় ইউনিয়নে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার

কার্যালয়ে চলমান চল্লিশ দিনের কর্মসুচির আওতায়

তিনটি প্রকল্পের কাজে নিয়োগকৃত শ্রমিকদের তালিকা

কারসাজির মাধ্যমে করা হয়েছে বলে মৌখিক অভিযোগ

পাওয়া গেছে। শ্রমিক নিয়োগে অর্থ আদায় করা হয়েছে

বলে শোনা গেছে। নিয়োগকৃত শ্রমিকদের অর্ধেকের

কম কাজ করলেও বাকীদের টাকা ভাগ বাটোয়ারা হয়ে যাচ্ছে।

ব্যাপক তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে ওই ধরনের অনৈতিক

উপায়ে অর্থ ভাগ বাটোয়ারা করে নেয়ায় সাতপাড়ে চলমান

প্রকল্পের কাজ গুলি মুখ থুবড়ে পড়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ব্যাক্তি জানিয়েছেন শান

পুকুরিয়া খেয়াঘাট থেকে মুনিয়া বৈদ্যর বাড়ী পর্যন্ত

প্রকল্পে ৯০ জন শ্রমিকের নাম তালিকা ভুক্ত থাকলেও সেখানে

৩০ থেকে ৩৫ জনকে দিয়ে কাজ করানো হচ্ছে। বাকীদের

টাকা ইউনিয়ন কর্তৃপক্ষ লোপাট করছে।

গতকাল সরেজমিন প্রকল্প এলাকায় গিয়ে সকল শ্রমিকদের

কাজে উপস্থিত দেখা যায় নাই।

এ ব্যাপারে সাতপাড় ইউনিয়নের সচিব সাইফুল ইসলামের

সাথে কথা বললে তিনি বলেন ওই প্রকল্পসহ সাতপাড় কলেজ

পাড়ার গোপাল বালার বাড়ী হতে অতুল বালার বাড়ী এবং

পশ্চিম পাড়ার মলিন বালার বাড়ী হতে বিমল বালার বাড়ী পর্যন্ত

রাস্তা নির্মান কাজ চলছে। তবে কোথাও কোন অনিয়ম

হচ্ছে না।

সাতপাড় ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সুজিত মন্ডলের সাথে

আলাপ করা হলে তিনি বলেন ওই প্রকল্প গুলির সিপিসি করা

হয়েছে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের মেম্বারদের। এ পর্যন্ত তিন

সপ্তাহের বেশী কাজ হয়েছে। বিল পাওয়া গেছে মাত্র একবার।

কিছু শ্রমিক অনুপস্থিত থাকতে পারে তবে শ্রমিকদের

টাকা আত্মসাতের ঘটনা ঘটে নাই। শ্রমিকরা জনপ্রতি

২০০ টাকার মধ্যে ১৭৫ টাকা পায়। বাকী পচিশ টাকা

ব্যাংকে চলে যায় যা এককালীন পরবর্তীতে দেয়া হবে।

শ্রমিক নিয়োগের সময়ও কোন অর্থ আদায় করা হয়নি

বলেও জানান তিনি।

সার্বিক বিষয়ে সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা

মো: মীরান মিয়ার সাথে যোগাযোগ করা হলে, তিনি

বলেন চল্লিশ দিনের কর্মসুচির আওতায় কোন প্রকল্প কাজে

অনিয়ম করা হলে তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যাবস্থা গ্রহন করা

হবে।


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451