গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি : গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার
সাতপাড় ইউনিয়নে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার
কার্যালয়ে চলমান চল্লিশ দিনের কর্মসুচির আওতায়
তিনটি প্রকল্পের কাজে নিয়োগকৃত শ্রমিকদের তালিকা
কারসাজির মাধ্যমে করা হয়েছে বলে মৌখিক অভিযোগ
পাওয়া গেছে। শ্রমিক নিয়োগে অর্থ আদায় করা হয়েছে
বলে শোনা গেছে। নিয়োগকৃত শ্রমিকদের অর্ধেকের
কম কাজ করলেও বাকীদের টাকা ভাগ বাটোয়ারা হয়ে যাচ্ছে।
ব্যাপক তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে ওই ধরনের অনৈতিক
উপায়ে অর্থ ভাগ বাটোয়ারা করে নেয়ায় সাতপাড়ে চলমান
প্রকল্পের কাজ গুলি মুখ থুবড়ে পড়েছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ব্যাক্তি জানিয়েছেন শান
পুকুরিয়া খেয়াঘাট থেকে মুনিয়া বৈদ্যর বাড়ী পর্যন্ত
প্রকল্পে ৯০ জন শ্রমিকের নাম তালিকা ভুক্ত থাকলেও সেখানে
৩০ থেকে ৩৫ জনকে দিয়ে কাজ করানো হচ্ছে। বাকীদের
টাকা ইউনিয়ন কর্তৃপক্ষ লোপাট করছে।
গতকাল সরেজমিন প্রকল্প এলাকায় গিয়ে সকল শ্রমিকদের
কাজে উপস্থিত দেখা যায় নাই।
এ ব্যাপারে সাতপাড় ইউনিয়নের সচিব সাইফুল ইসলামের
সাথে কথা বললে তিনি বলেন ওই প্রকল্পসহ সাতপাড় কলেজ
পাড়ার গোপাল বালার বাড়ী হতে অতুল বালার বাড়ী এবং
পশ্চিম পাড়ার মলিন বালার বাড়ী হতে বিমল বালার বাড়ী পর্যন্ত
রাস্তা নির্মান কাজ চলছে। তবে কোথাও কোন অনিয়ম
হচ্ছে না।
সাতপাড় ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সুজিত মন্ডলের সাথে
আলাপ করা হলে তিনি বলেন ওই প্রকল্প গুলির সিপিসি করা
হয়েছে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের মেম্বারদের। এ পর্যন্ত তিন
সপ্তাহের বেশী কাজ হয়েছে। বিল পাওয়া গেছে মাত্র একবার।
কিছু শ্রমিক অনুপস্থিত থাকতে পারে তবে শ্রমিকদের
টাকা আত্মসাতের ঘটনা ঘটে নাই। শ্রমিকরা জনপ্রতি
২০০ টাকার মধ্যে ১৭৫ টাকা পায়। বাকী পচিশ টাকা
ব্যাংকে চলে যায় যা এককালীন পরবর্তীতে দেয়া হবে।
শ্রমিক নিয়োগের সময়ও কোন অর্থ আদায় করা হয়নি
বলেও জানান তিনি।
সার্বিক বিষয়ে সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা
মো: মীরান মিয়ার সাথে যোগাযোগ করা হলে, তিনি
বলেন চল্লিশ দিনের কর্মসুচির আওতায় কোন প্রকল্প কাজে
অনিয়ম করা হলে তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যাবস্থা গ্রহন করা
হবে।