শুক্রবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৩, ০৬:৫৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::

লক্ষ্মীপুরে কমিটি নিয়ে দ্বন্ধ, মাদ্রাসা বন্ধ,অধ্যক্ষের অপসারণের দাবীতে বিক্ষোভ

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ২ মার্চ, ২০১৭
  • ১৮৭ বার পড়া হয়েছে

 

 

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধিঃ

লক্ষ্মীপুরের কমলনগরের ফরাশগঞ্জ ফয়েজ আম আলিম মাদ্রাসার কমিটি

গঠনের জের ও অধ্যক্ষের বিভিন্ন অনিয়ম ও অপসারনের প্রতিবাদে দু-দফা বিক্ষোভ সমবেশ

করে স্থানীয়রা। বিক্ষোভের পর অধ্যক্ষের নির্দেশে দু’দিনের জন্য মাদ্রাসা ছুটি ঘোষণা করা

হয়।

বুধবার (১ মার্চ) সকাল ১০টা উপজেলা চর লরেন্স বাজারে বিক্ষোভ মিছিল বের করে স্থানীয়

এলাকাবাসী। এর আগে মঙ্গলবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে একই ঘটনায় বিক্ষোভ মিছিল

বের হয়। এতে বিভিন্ন শ্রেণি পেশার লোকজন অংশ নেয়। মিছিল ও সমবেশ থেকে অধ্যক্ষের

অপসারণ ও নবগঠিত কমিটি বাতিলের দাবী জানানো হয়।

বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী জানায়, মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আলী আকবর প্রতিষ্ঠানের জমি

বিক্রি ও বিভিন্ন খাতের টাকা আতœসাৎ করে। এ ঘটনায় মাদ্রাসা ব্যবস্থাপনা কমিটির

সাবেক সভাপতি আওয়ামী লীগ নেতা সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ সিরাজুল ইসলাম

প্রতিবাদ ও জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন। এর জের ধরে সাবেক সভাপতির

নাম বাদ রেখে মাদ্রাসা অধ্যক্ষ কৌশলে বহিরাগত ওলামা লীগ নেতা মাওলানা ই¯্রাফিলের নাম

দিয়ে বর্তমান এমপি আবদুল্লাহ আল মামুনের কাছ থেকে সুপারিশ নিয়ে তা বোর্ডে

প্রেরণ করেন। সুপারিশকৃত ব্যক্তিকে বোর্ড অনুমতি দেয়। সভাপতির পদ থেকে সাবেক

এমপির নাম বাদ পড়ায় ও অধ্যক্ষের অনিয়মের অভিযোগ এনে দু-দফায় প্রতিবাদ বিক্ষোভ ও

সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করে। সমাবেশে বক্তারা অধ্যক্ষের অপসারণ ও নবগঠিত কমিটি বাতিলের

দাবী জানান।

সরেজমিনে গিয়ে দুপুর ১২টায় দেখা যায় মাদ্রাসা সকল শ্রেণি কক্ষে তালা, শিক্ষক

শিক্ষার্থীরা কেউ উপস্থিত নেই। তবে এসময়ে জাতীয় পতাকা উড়তে দেখা গেছে।

সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব সিরাজুল ইসলাম বলেন, মাদ্রাসাটি আমার বাবার গড়া। ৪১

বছর ধরে সভাপতির দায়িত্ব পালন করে আসছি। অধ্যক্ষ প্রতিষ্ঠানের জমি বিক্রি করে এবং

বিভিন্ন খাত থেকে টাকা আতœসাত করে। এ সব বিষয়ে প্রতিবাদ ও জেলা প্রশাসক

বরাবর লিখিত অভিযোগ করি। যে কারণে বর্তমান সংসদ সদস্যকে ভুল বুঝিয়ে বহিরাগত

ওই ব্যক্তির নামে সুপারিশ দিয়ে বোর্ডে পাঠায় অধ্যক্ষ।

মাদ্রাসা অধ্যক্ষ মাওলানা আলী আকবর বলেন, বিক্ষোভের পর আমি দু’দিনের জন্য মাদ্রাসা বন্ধ

ঘোষণা করি। আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হয়েছে তা সত্য নয়। সাবেক এমপি

আলহাজ সিরাজুল ইসলাম ব্যবস্থাপনা কমিটি থেকে বাদ পড়ায় বিষয়ে আমার কোনো হাত

নেই।

বর্তমান সংসদ সদস্য আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, মাদ্রাসা অধ্যক্ষ তিন জনের নাম দিয়ে

আমার কাছে এলে আমি ই¯্রাফিলের জন্য সুপারিশ করি। ওই তালিকায় সাবেক সংসদ

সদস্য সিরাজুল ইসলামের নাম ছিলো না।

কমলনগর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আহসান উল্লাহ চৌধুরী বলেন, মাদ্ধসঢ়;রাসার

অধ্যক্ষ জানিয়েছেন সংরক্ষিত ছুটি দিয়েছেন। ছুঁটি হলে জাতীয় পতাকা উড়ছে কেন

এমন প্রশ্নে তিনি কোনো উত্তর দেননি।

নবগঠিত মাদ্রাসা ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মাওলানা ই¯্রাফিল নিজকে কেন্দ্রীয়

ওলামা লীগের (হেলালী গ্রুপ) ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক পরিচয় দিয়ে বলেন, আমি

বহিরাগত নয়; চর লরেন্স ইউনিয়নের স্থায়ী বাসিন্দা।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451