বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:০১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
শৈত্যপ্রবাহে কাঁপছে উত্তরের জেলা পাবনা-একই এলাকায় এক দিনে ৪ জনের মৃত্যু এক গোরস্তানে তিনজনের দাফন। সাভারে অতিরিক্ত দামে এলপিজি গ্যাস বিক্রি-ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযানে দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা আশুলিয়ার জামগড়ায় মাদকবিরোধী অভিযানে ১৪ জন আটক, প্রত্যেকের ৬ মাসের কারাদণ্ড ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক দখল করে রেখেছে মৎস্য আড়তের গাড়ি যেকোনো সময় ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা আরিচা-কাজিরহাট নৌ-রুটে স্পিডবোটে অতিরিক্ত যাত্রী পারাপার বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা ঢাকা জেলা ৮ বারের সেরা করদাতা রোমান ভুঁইয়ার পক্ষ থেকে সবাইকে নববর্ষের শুভেচ্ছা আশুলিয়ায় নারীদের ওপর নির্যাতন ভয়াবহ রূপ নিয়েছে, মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তালায় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত সাংবাদিকতা সততা, নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সাথে করতে হবে, পার্বতীপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবসে – বিএফইউজে সভাপতি পত্নীতলায় যথাযোগ্য মর্যাদায় বুদ্ধিজীবী দিবসে  মোমবাতি প্রজ্জলন

২০ কোম্পানির লাইসেন্স বাতিল ও ১৪ কোম্পানির অ্যান্টিবায়োটিক উৎপাদন বন্ধের নির্দেশ

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় সোমবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী, ২০১৭
  • ৫১৪ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্কঃ 

মানসম্পন্ন ওষুধ উৎপাদন না করায় ২০ কোম্পানির লাইসেন্স বাতিল ও ১৪ কোম্পানির অ্যান্টিবায়োটিক উৎপাদন বন্ধের নির্দেশ দিলেন হাইকোর্ট। সোমবার বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ দস্তগীর হোসেন ও বিচারপতি আতাউর রহমান খানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ নির্দেশ দেন।

হাইকোর্টর নির্দেশনার পর এসব কোম্পানি গোপনে ওষুধ তৈরি বা বিক্রি করছে কি না এবং তাদের সবশেষ পরিস্থিতি কি ওষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে ৪ মাস পর পর আদালতে তা জানাতে বলা হয়েছে।

৩৪ কোম্পানির ওষুধ উৎপাদন বন্ধের নির্দেশনা চেয়ে রিট আবেদনের শুনানি শেষে সোমবার এ নির্দেশ দেয়া হয়।  গেলো ৩১ জানুয়ারি ৩৪ কোম্পানির ওষুধ উৎপাদন বন্ধে জারি করা এই রুলের শুনানি শেষ হয়।

ভেজাল ও নিম্নমানের ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো চিহ্নিত করতে ২০১৪ সালের ২০ সেপ্টেম্বর স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি ৫ সদস্যের একটি বিশেষজ্ঞ তদন্ত কমিটি গঠন করে। কমিটি দেশের ৮৪ প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন শেষে ২০টি ওষুধ কোম্পানির লাইসেন্স বাতিলের সুপারিশ করে। কমিটির সুপারিশের পরও তা বাস্তবায়ন না হওয়ায় হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন আইনজীবী মনজিল মোরশেদ।

এর আগে ২০১৬ সালের ৭ জুন ২০ কোম্পানির ওষুধ উৎপাদন বন্ধ ও ১৪ প্রতিষ্ঠানের অ্যান্টিবায়োটিক উৎপাদন বন্ধের কেন নির্দেশ দেয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট।

ওষুধ উৎপাদন বন্ধের নির্দেশনা দেয়া ২০ কোম্পানি হলো- এক্সিম ফার্মাসিউটিক্যাল, এভার্ট ফার্মা, বিকল্প ফার্মাসিউটিক্যাল, ডলফিন ফার্মাসিউটিক্যাল, ড্রাগল্যান্ড, গ্লোব ল্যাবরেটরিজ, জলপা ল্যাবরেটরিজ, কাফমা ফার্মাসিউটিক্যাল, মেডিকো ফার্মাসিউটিক্যাল, ন্যাশনাল ড্রাগ, নর্থ বেঙ্গল ফার্মাসিউটিক্যাল, রিমো কেমিক্যাল, রিড ফার্মাসিউটিক্যাল, স্কাইল্যাব ফার্মাসিউটিক্যাল, স্পার্ক ফার্মাসিউটিক্যাল, স্টার ফার্মাসিউটিক্যাল, সুনিপুণ ফার্মাসিউটিক্যাল, টুডে ফার্মাসিউটিক্যাল, ট্রপিক্যাল ফার্মাসিউটিক্যাল এবং ইউনিভার্সেল ফার্মাসিউটিক্যাল লিমিটেড।

অ্যান্টিবায়োটিক উৎপাদন বন্ধের নির্দেশনা দেয়া ১৪টি কোম্পানি হলো- আদ-দ্বীন ফার্মাসিউটিক্যাল, আলকাদ ল্যাবরেটরিজ, বেলসেন ফার্মাসিউটিক্যাল, বেঙ্গল ড্রাগস, ব্রিস্টল ফার্মা, ক্রিস্ট্যাল ফার্মাসিউটিক্যাল, ইন্দো-বাংলা ফার্মাসিউটিক্যাল, মিল্লাত ফার্মাসিউটিক্যাল, এমএসটি ফার্মা, অরবিট ফার্মাসিউটিক্যাল, ফার্মিক ল্যাবরেটরিজ, পনিক্স কেমিক্যাল, রাসা ফার্মাসিউটিক্যাল ও সেভ ফার্মাসিউটিক্যাল লিমিটেড।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451