রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ০২:০০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশে কোনো পশু সংকট নেই – সাভারে মন্ত্রী আমিন উর রশিদ সাভার ও আশুলিয়ায় অপরিকল্পিত বাসা বাড়িতে বসবাসে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন জনগণ প্রাণিসম্পদ খাতকে সমৃদ্ধ করতে সরকার-বেসরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী   কুমিল্লার নাগরিক সেবায় নতুন অধ্যায়: গঠিত হচ্ছে ওয়াসা ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিচে ছোট পাইপ স্থাপনের অভিযোগ আশুলিয়ার জামগড়া ইস্টার্ন হাউজিং বাজারে জলাবদ্ধতায় ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির, ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ গৃহবধূ হত্যা মামলার আসামি র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার! আশুলিয়ার বাইপাইল- ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট, চরম দুর্ভোগে জনসাধারণ আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং কতৃক অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র অপহরণের পর হত্যা: ২০ মাস পর লাশ উত্তোলন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

মুন্সীগঞ্জ জেলার  ইতিহাস,ঐতিহ্য আর বহু কীর্তিমান মনীষীরস্মৃতিধন্য মুন্সিগঞ্জ জেলা

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ১৭ জানুয়ারী, ২০১৭
  • ৩২৪ বার পড়া হয়েছে


মুন্সীগঞ্জ জেল প্রতিনিধি:    এ জেলার প্রাচীন নিদর্শন সমূহের সাথে জড়িয়ে রয়েছে হাজারো গৌরব গাঁথা, সুখ-দু:খের নানা উপাখ্যান।সংগীত, নাটক, নৃত্য, সাহিত্য, আবৃত্তি-সংস্কৃতির সকল শাখায় সমৃদ্ধ এই মুন্সিগঞ্জ জেলা ।এ জেলা সুপ্রাচীন চন্দ্ররাজাদের তাম্রশাসনের অঞ্জলি থেকে শুরু করে পাল, সেন, মোঘল, বার ভূঁইয়াদের কীর্তিতে সমুজ্জ্বল হয়ে একটি স্বাধীন বঙ্গ রাজ্যের রাজধানী বিক্রমপুরের কীর্তিময় অংশ। আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের সাথে জড়িত রয়েছে মুন্সিগঞ্জ বাসীর অবিস্মরনীয় অবদান। বাংলাদেশের জাতীয় অর্থনীতিকে গতিশীল রাখতে এ জেলা পালন করছে অত্যন্তগুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা।নাম করণ মুন্সিগঞ্জের প্রাচীন নাম ছিল ইদ্রাকপুর। কথিত আছে, মোঘল শাসন আমলে এই ইদ্রাকপুর গ্রামে মুন্সী হায়দার হোসেন নামে একজন ব্যক্তি ছিলেন। তিনি মোঘল শাসকদের দ্বারা ফৌজদার নিযুক্ত হয়েছিলেন। অত্যন্ত সজ্জন ও জনহিতৈষী মুন্সী হায়দার হোসেনের নামে ইদ্রাকপুরের নাম হয় মুন্সীগঞ্জ। কারো কারো মতে জমিদার এনায়েত আলী মুন্সীর নামানুসারে মুন্সিগঞ্জ নামকরন করা হয়েছে।ভূমির আকৃতি মুন্সিগঞ্জ জেলা নদী বাহিত সমতল এলাকা। জেলার সকল অঞ্চলের ভিতর দিয়ে নদী প্রবাহিত হয়েছে।মুন্সিগঞ্জের বেশীর ভাগ এলাকা নিম্নভূমি বলে বর্ষার পানিতে অনেক সময় প্লাবিত হয়ে পড়ে। এ জেলার মধ্য দিয়ে পদ্মা, মেঘনা, ধলেশ্বরী ও ইছামতি নদী প্রবাহিত হওয়ায় বর্ষা মৌসুমে নদী তীরবর্তী এলাকা সমূহ নদী ভাংগনের কবলে পড়ে।জলবায়ু মুন্সিগঞ্জের জলবায়ু সমভাবাপন্ন। তবে আর্দ্রতা, বৃষ্ট্রিপাত ও শীতের প্রকোপ বাংলাদেশের অন্যান্য নদীবাহিত এলাকার অনুরূপ। অপেক্ষাকৃত বৃক্ষাদির সংখ্যা বেশি হওয়ায় এ এলাকার আবহাওয়া বসবাসের জন্য আরামদায়ক।জেলার গুরুত্বপুর্ণ তথ্যাবলীজেলা প্রতিষ্ঠার তারিখ : ১লা মার্চ ১৯৮৪ সালে জেলার মোট আয়তন: ৯৫৪.৯৬ বর্গ কিঃ মিঃজেলার জনসংখ্যা: ১৫,০২,৪৪৯জন পুরুষ : ৭,৪৯,৯১৮ জন মহিলা : ৭,৫২,৫৩১ জনশিক্ষার হার : ৫৮.১%মোট উপজেলা : ৬টি পৌরসভার: ২টি .ইউনিয়নের সংখ্যা : ৬৭টিওয়ার্ড : ৬০৩টি.প্রাথমিক বিদ্যালয় : ৫৩৮টি. (সরকারী ৫০৪টি , বেসরকারী রেজিঃকৃত ৩৪টি)মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা : ৯৯টি (সরকারী ৩টি, বেসরকারী ৮৫টি, বেসরকারী জুনিয়র ১১টি)মাদ্রাসা : ২৯টি (দাখিল ২২টি, আলিম ৫টি, ফাজিল ১টি, কামিল ১টি)কলেজ : ১৩টি (সরকারী ৪টি, বেসরকারী ৯টি মোট)সোর্সঃ ডিসি


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451