বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ১২:৫৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে প্রবাসীদের সর্বাত্মক সহযোগিতা করছে সরকার – ইরান-ইসরাইল যুদ্ধে নিহত প্রবাসীর জানাযায় প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী ভূমিকম্প পরবর্তী উদ্ধার অভিযানে ঢাকা মহানগরে ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবক তৈরি করা হচ্ছে-দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী ঠাকুরগাঁওয়ে দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা, এসপি বরাবর অভিযোগ মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত নিরসনে দোয়ার অনুরোধ ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদের খালে মাছের চাষ ও খালপাড়ে গাছ লাগানো হবে- আসাদুল হাবিব দুলু এমপি  ওসমান হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সালসহ ভারতে গ্রেপ্তার ২ এবার স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে কোনো আলোকসজ্জা করা হবে না- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাগেরহাটের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের সংবর্ধনা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক দল  চট্টগ্রাম মহানগর প্রস্তুতি কমিটির আনন্দ শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত চট্টগ্রামে যুবলীগ ক্যাডার একাধিক হত্যা মামলার আসামী টেডি দিদার খুন

গর্ভবতী মায়ের রোজা পালন

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় রবিবার, ২৬ জুন, ২০১৬
  • ৩৭১ বার পড়া হয়েছে

শুরু হয়েছে মাহে রমজান। রোজা রাখা নিয়ে সন্তান সম্ভবা নারীরা হয়ে পড়েছেন চিন্তিত। তবে চিন্তার কিছু নেই। গর্ভবর্তী নারীরাও রোজা রাখতে পারবেন। তবে এক্ষেত্রে পূর্ব সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে মেডিকেল চেকআপ এবং চিকিৎসকের পরামর্শ বাধ্যতামূলক বলে জানিয়েছেন এ্যাপোলো হাসপাতালের পুষ্টিবিদ তামান্না চৌধুরী।

তামান্না চৌধুরী বলেন, গর্ভবতী মায়েদের বাড়তি যত্ন সব সময়ই দরকার। গর্ভবতী হলে রোজা রাখা যাবে কি না তা নিয়ে অনেক সময় তারা নানা সংশয়ে ভোগেন।

শুধু তারাই নন পরিবারের অন্যান্য সদস্যরাও থাকেন উৎকণ্ঠায়। কিন্তু গর্ভবতী মায়েদের রোজা থাকতে কোনো সমস্যা নেই। তবে সেক্ষেত্রে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী চলতে হবে। রোজার আগে ডাক্তারের কাছ গিয়ে চেকআপ করানোটা খুব জরুরি।

তিনি আরো বলেন, গর্ভবতী মায়েরা যেহেতু সারাদিন কিছু খেতে পারবেন না তাই সেহরিতে পুষ্টি জাতীয় খাদ্য বেশি খেতে হবে। খাবারে রাখতে হবে দুধের প্রাধান্য।

সাথে প্রোটিন যেমন ডিম, মাছ, মাংস পরিমাণ মতো খেতে হবে। কারণ একজন সাধারণ মানুষের তুলনায় গর্ভবতী মায়ের পুষ্টির প্রয়োজন বেশি। এক্ষেত্রে গর্ভবতী মায়েরা রোজার আগে ডাক্তারের কাছ থেকে রোজার আগে ও পরের সময়ের খাদ্য তালিকা নিয়ে নিতে পারেন। এতে করে মা ও বাচ্চা দু’জনই সুস্থ থাকবেন।

তামান্না চৌধুরীর বলেন, যে কোনো গর্ভবতী মায়ের রুটিন চেকাপ ছাড়াও রোজা শুরুর আগে তার চেকআপ করাতে হবে। কারণ মনে রাখতে হবে একজন গর্ভবতী মা মানে মা ও শিশু দু’জনই।

গর্ভবতী মা ও গর্ভের শিশুর কোনো ধরনের শারীরিক সমস্যা থাকলে, বা কোনো ক্ষতির সম্ভাবনা হলে ইসলামী শরিয়া মতে সেই মায়ের রোজা না রাখলেও চলবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451