শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ০৭:৫৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশে কোনো পশু সংকট নেই – সাভারে মন্ত্রী আমিন উর রশিদ সাভার ও আশুলিয়ায় অপরিকল্পিত বাসা বাড়িতে বসবাসে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন জনগণ প্রাণিসম্পদ খাতকে সমৃদ্ধ করতে সরকার-বেসরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী   কুমিল্লার নাগরিক সেবায় নতুন অধ্যায়: গঠিত হচ্ছে ওয়াসা ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিচে ছোট পাইপ স্থাপনের অভিযোগ আশুলিয়ার জামগড়া ইস্টার্ন হাউজিং বাজারে জলাবদ্ধতায় ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির, ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ গৃহবধূ হত্যা মামলার আসামি র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার! আশুলিয়ার বাইপাইল- ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট, চরম দুর্ভোগে জনসাধারণ আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং কতৃক অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র অপহরণের পর হত্যা: ২০ মাস পর লাশ উত্তোলন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

রাজধানীতে অবৈধ অটোরিকশার দৌরাত্ম্য

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় সোমবার, ২৮ নভেম্বর, ২০১৬
  • ১৬৪ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক,

মিটার নেই, রুট পারমিটও নেই, এমনকি বাণিজ্যিকভাবে চলার অনুমতিও নেই -এরকম শত শত অবৈধ সিএনজি অটোরিকশা দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ঢাকার রাজপথ। বৈধ সিএনজিগুলো মিটারে না চললে শাস্তির মুখোমুখি হলেও অবৈধ এসব সিএনজি বিভিন্ন মহলকে ম্যানেজ করে চলছে বহাল তবিয়তে।এ নিয়ে বৈধ চালকদের মধ্যে ক্ষোভ থাকলেও বিআরটিএ বলছে, আইনি জটিলতায় প্রাইভেট সিএনজিগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারছেন না তারা। তবে অবৈধ যে কোনো অটোরিকশা পেলেই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়।গাজীপুর থেকে আসা সিএনজি চালিত একটি অটোরিক্সা ঢুকেছে রাজধানীতে। ঢাকা সিটিতে যার ঢুকতে পারারই কথা নয়, সেটি নির্বিঘ্নে যাত্রী পরিবহন করছে নগরীতে।

নারায়ণগঞ্জে নিবন্ধন পেয়েছে, অথচ এখন চলাচল করছে ঢাকা সিটিতে। শুধু নারায়ণগঞ্জেই নয়, গাজীপুর এমনকি সিলেট জেলার এমন অনেক সিএনজি ঢাকা সিটিতে দিব্য ভাড়া খাটছে বেআইনিভাবে।

রাজধানীর কমলাপুর, মালিবাগ, মিরপুর, শ্যামলীসহ নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় মিটারবিহীন এসব অটোরিক্সা যাত্রীদের কাছে ভাড়া আদায় করছে খেয়ালখুশী মতো। রুট পারমিট না থাকা সত্ত্বেও কোন জাদুবলে চলছেন ঢাকার রাস্তায় এমন প্রশ্নে সটকে পড়লেন এক চালক। তবে অন্যদের কাছে পাওয়া গেলো উত্তর।

তারা জনালেন, সার্জেন্টদের সঙ্গে বোঝাপড়া করেই চালাচ্ছেন সিএনজি। আবার কেউ কেউ এমন প্রভাশালীদের ছায়ায় আছেন যে, প্রতিদিন সকালে অফিসে নামিয়ে দিয়ে আসার বিনিময়ে পুলিশে ধরলে তার নাম বলেন। এতে কাজও হয়, ছেড়ে দেয় পুলিশ।

তাদের মধ্যে এক চালক জানালেন, প্রতি মাসে ছয় হাজার টাকা দেন তিনি বিনিময়ে সারা ঢাকা সিটিতে চালান সিএনজি।

ট্রাফিক বিভাগের কর্মকর্তারা অবশ্য এসব বিষয়ে প্রকাশ্যে কথা বলতে চান না। তবে তাদের কেউ কেউ দোষটা চাপালেন অন্যদের ঘাড়ে।

তারা জানান, এলাকার যে সকল নেতা কর্মী আছে তাদের মাধ্যমে সমঝোতা করে অবৈধভাবে এসব সিএনজি চালানো হয়।

এদিকে ঢাকার বাইরের অটোরিক্সা ছাড়াও ঢাকার রাস্তায় এখন পুরোদমে ভাড়া খাটছে প্রাইভেট সিএনজি অটোরিক্সাগুলোও।

এমন একজন চালক জানালেন, তিনি সার্জেন্টের গাড়ি চালাচ্ছে। অন্য কারো গাড়ি হলে তাকে পাতি (টাকা) দিয়ে চালাতে হতো।

অবৈধ অটোরিক্সাগুলোর এমন তেলেসমাতি কারবারে মিটারওয়ালা বৈধ অটোরিক্সাগুলোও মিটারের বদলে চুক্তিতে চলতে আগ্রহী।

তবে বিআরটিএ চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম জানান, আদালতের নিষেধাজ্ঞায় প্রাইভেট অটোরিক্সাগুলোর বিরুদ্ধে আপাতত ব্যবস্থা নেয়া না গেলেও ঢাকার বাইরের সিএনজিগুলোকে কোন ছাড় দেয়া হচ্ছে না।

বর্তমানে ঢাকায় চলাচল করছে প্রায় ১৩ হাজার সিএনজি চালিত অটোরিক্সা। এর মধ্যে প্রাইভেট অটোরিক্সা রয়েছে প্রায় দেড় হাজার। আর ঢাকার বাইরে থেকে আসা অটোরিক্সার কোন পরিসংখ্যান নেই কারো কাছে।

 

সুত্রঃ সময় টি ভি-২৮/১১/১৬


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451