রাজনীতি করতে হবে দেশের জন্য, মানুষের জন্য। জনগণের সমস্যা হয় এমন কোনো কাজ করলে খবর আছে। দ্রুত নিজেকে শুধরে নিন। নেতাকর্মীদের হুমকি দিয়ে বললেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
শনিবার নোয়াখালী জিলা স্কুল মাঠে স্থানীয় আওয়ামী লীগের দেয়া সংবর্ধনায় তিনি এ কথা বলেন।
ওবায়দুল কাদের বললেন, ‘সামনে জাতীয় নির্বাচন, দলের মধ্যে কোনো বিভেদ মেনে নেয়া হবে না। কেউ বিভেদ সৃষ্টি করলে তাকে শাস্তি পেতেই হবে। আপনারা এক থাকলে আমি কথা দিচ্ছি ২০৪১ সালে একটি উন্নত বাংলাদেশ উপহার দেবো। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা সে দিকে এগিয়ে যাচ্ছি।’
যোগাযোগমন্ত্রী বলেন, ‘কোনো অপরাধীকে ছাড় দেয়া হবে না। জনগণের সঙ্গে ভালো আচরণ করতে হবে। ১০টা ভালো কাজ নষ্ট করতে ১টা খারাপ কাজই যথেষ্ট। আমাকে খুশি করতে হবে না, দেশের মানুষকে খুশি করেন।’
‘শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এখন বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল। তার যোগ্যতা দেখে সিনিয়র নেতা ও সচিবরাও অবাক হন। তিনি গোটা দেশের সব খবর রাখেন। পুরো মানচিত্র তার মুখস্থ আছে। হাসিনা আজ বিশ্বের বিস্ময়। ওবামাসহ বিশ্ব নেতারা তার দিকে তাকিয়ে থাকেন। তার নেতৃত্বগুণে গোটা বিশ্ব আজ অবাক’, বললেন ওবায়দুল কাদের।
কাদের আরো বললেন, ‘আমি ফোন করে দলের অনেক নেতাকেই পাই না। কিন্তু একটি মানুষকে সব সময় পাই। তিনি হচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ও বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা।’
তিনি বললেন, ‘আমি সংবর্ধনা নিতে আসিনি। আমি প্রধানমন্ত্রীর বার্তা পৌঁছে দিতে এসেছি। আমার সংবর্ধনার দরকার নেই। আমি মানুষের যে ভালোবাসা পেয়েছি তাই আমার সবচেয়ে বড় সংবর্ধনা।’
তিনি আরো বললেন, ‘আমি কখনো বিলবোর্ডে নিজের ছবি ছাপাইনি। সাধারণ সম্পাদক হবার পর বিলবোর্ডে ছবি থাকায় আমি মর্মাহত। বিলবোর্ডের ছবি মুছে যাবে, তোরণ ভেঙে যাবে, কাগজের ছবি ছিঁড়ে যাবে। হৃদয়ের নাম মুছবে না। বাগানের ফুল শুকিয়ে যাবে কিন্তু মানুষের ভালোবাসা কখনো মুছে যাবে না।’
সবশেষ ওবায়দুল কাদের তরুণ নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বললেন, ‘সকাল ৫টা থেকে ৬টার মধ্যে ঘুম থেকে উঠলে দেখবে সকাল ১০টার মধ্যে আর কোনো কাজ বাকি নেই। অনেক এগিয়ে গেছো। রাজনীতিতে হঠাৎ এসে চলে গেলে হবে না। লেগে থাকতে হবে। তাহলে একদিন এর সুফল পাওয়া যাবে।’