বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১২:৪৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশে কোনো পশু সংকট নেই – সাভারে মন্ত্রী আমিন উর রশিদ সাভার ও আশুলিয়ায় অপরিকল্পিত বাসা বাড়িতে বসবাসে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন জনগণ প্রাণিসম্পদ খাতকে সমৃদ্ধ করতে সরকার-বেসরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী   কুমিল্লার নাগরিক সেবায় নতুন অধ্যায়: গঠিত হচ্ছে ওয়াসা ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিচে ছোট পাইপ স্থাপনের অভিযোগ আশুলিয়ার জামগড়া ইস্টার্ন হাউজিং বাজারে জলাবদ্ধতায় ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির, ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ গৃহবধূ হত্যা মামলার আসামি র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার! আশুলিয়ার বাইপাইল- ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট, চরম দুর্ভোগে জনসাধারণ আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং কতৃক অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র অপহরণের পর হত্যা: ২০ মাস পর লাশ উত্তোলন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে সাড়ে সাত হাজার পরিবারে ইলিশ আনন্দ

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় শুক্রবার, ৪ নভেম্বর, ২০১৬
  • ২৬৪ বার পড়া হয়েছে
লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি:

লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলায় মেঘনা নদীতে মাছ ধরা চলছে পুরোদমে। দীর্ঘ ২২ দিন মাছ ধরা নিষিদ্ধ ছিল। নিষিদ্ধ থাকাকালীন জেলেদের জন্য বরাদ্ধকৃত চাল সকলে না পেলেও নিষেধাজ্ঞা মেনে চলেছে পুরোপুরি। ৩ নভেম্বর সকালে মিলাদ মাহফিল আয়োজনের মধ্যে দিয়ে জেলেরা মাছ ধরতে নামে মেঘনা নদীতে। জেলেরা জানান, প্রচুর ইলিশ ধরা পড়ছে।উপজেলার মোট জেলের সংখ্যা প্রায় ৭ হাজার ৫৩০। দীর্ঘদিন পর প্রচুর ইলিশ ধরা পড়ায় তাদের মুখে হাসি ফুটেছে। চরবংশী গ্রামের জেলে আব্দুল লতিফ মাঝি বলেন, ইলিশ ধরার মৌসুমের শুরুতে দাদনের টাকা নিয়ে নৌকা কিনি। কিন্তু তখন নদীতে তেমন একটা মাছ পাইনি। এ কারণে হতাশ ছিলাম। এখন মৌসুমের শেষের দিকে এসে নদীতে প্রচুর ইলিশ ধরা পড়ায় আমার পরিবারের লোকজন খুশি।

রায়পুর উপজেলা মৎস্য কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার উত্তর চরবংশী, দক্ষিণ চরবংশী, উত্তর চর আবাবিল, দক্ষিণ চর আবাবিল ইউনিয়ন মিলিয়ে প্রায় সাত হাজার ৫৩০ জেলে পরিবার রয়েছে। মেঘনা নদীতে মাছ ধরেই জীবিকা নির্বাহ করে তারা। কিন্তু ৬-৭ বছর ধরে মেঘনা নদীতে মাছ কম পাওয়ার কারণে তাদের সংসারে চরম অভাব দেখা দেয়। এ বছর প্রচুর ইলিশ ধরা পড়ায় কিছুটা হলেও অভাব ঘুচাবে।

উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা বেলায়েত হোসেন সবুজ বলেন, সরকারের ইলিশ রক্ষা অভিযান মানার কারণে প্রচুর ইলিশ ধরা পড়ছে। ভবিষ্যতেও জেলেরা যদি সরকারি নিয়ম মেনে চলেন তাহলে এ অঞ্চলে ইলিশের চাহিদা মিটিয়ে অন্য অঞ্চলে ভালো দামে ইলিশ বিক্রি করা যাবে।


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451