দেশে শীত মৌসুমে শৈত্যপ্রবাহে কাঁপছে উত্তরের জেলা পাবনা-একই এলাকায় একদিনে ৪ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে, আমিনপুর থানার কদিম মালঞ্চি পূর্ব পাড়ায় এক গোরস্তানে তিনজনকে করব দেয়া হয়েছে।
গত (৫ ও ৬ জানুয়ারি ২০২৬ইং) দেশে শীত মৌসুমে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ডের কথা জানিয়েছে পাবনার ঈশ্বরদী আবহাওয়া অফিস। আবহাওয়ার তথ্যমতে, সকাল ৯টায় পাবনায় ৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। ঈশ্বরদী আবহাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষক নাজমুল হক রঞ্জন জানান,আজকের তাপমাত্রা দেশে এ মৌসুমে জেলার সর্বনিম্ন রেকর্ড হয়েছে। সকাল ৯টায় বাতাসে জলীয় বাষ্পের আদ্রতা ছিল ৯৬ ও দুপুর ১২টায় ৭৯ শতাংশ। দুপুর ১২টায় তাপমাত্রা রেকর্ড হয় ১৪ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে কিছুদিন পর তাপমাত্রা বাড়তে পারে বলে তিনি জানান।
এদিকে গত এক সপ্তাহের শৈত্যপ্রবাহে জনজীবনে স্থবিরতা নেমে এসেছে। গ্রাম বা শহরের পাড়া বা মহল্লার বিভিন্ন অলি গলিতে আগুন জ্বালিয়ে আগুন পোহাচ্ছেন অনেকে। সকাল এবং বিকেলের দিকে অত্যন্ত প্রয়োজন ছাড়া মানুষ বাইরে কম বের হচ্ছেন। এতে সড়কে চলাচলাকারী অটোরিকশসহ বিভিন্ন যান চালকদের আয় কমেছে। কাজ সংকটে ভোগান্তি পোহাচ্ছেন শ্রমজীবীরা।
এ ব্যাপারে পাবনা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক (আরএমও) ডা. জাহিদুল ইসলাম জানান, শীত জনিত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে, গত এক সপ্তাহে ১০-১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। তার মধ্যে পাবনার আমিনপুর থানার কদিম মালঞ্চি পূর্ব পাড়ার শাহজাহান মোল্লার স্ত্রী রুবি (৬০), ছানোয়ার ছানু বিশ্বাসের মা (৮০), আরজেদ এর স্ত্রী (৬৫), মুরাদ মন্ডল (৬০)সহ ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদিকে সাংবাদিক হেলাল শেখ এর মা খুব অসুস্থ, গতকাল তার মুখে পানি দেয়া হয়। তিনি এখনো বেঁচে আছেন।