শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৫৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশে কোনো পশু সংকট নেই – সাভারে মন্ত্রী আমিন উর রশিদ সাভার ও আশুলিয়ায় অপরিকল্পিত বাসা বাড়িতে বসবাসে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন জনগণ প্রাণিসম্পদ খাতকে সমৃদ্ধ করতে সরকার-বেসরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী   কুমিল্লার নাগরিক সেবায় নতুন অধ্যায়: গঠিত হচ্ছে ওয়াসা ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিচে ছোট পাইপ স্থাপনের অভিযোগ আশুলিয়ার জামগড়া ইস্টার্ন হাউজিং বাজারে জলাবদ্ধতায় ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির, ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ গৃহবধূ হত্যা মামলার আসামি র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার! আশুলিয়ার বাইপাইল- ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট, চরম দুর্ভোগে জনসাধারণ আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং কতৃক অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র অপহরণের পর হত্যা: ২০ মাস পর লাশ উত্তোলন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

৩০০ মিটার সড়কের কষ্টে ২০ হাজার মানুষ বড়াইগ্রামে রাস্তায় ধান লাগিয়ে প্রতিবাদ

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় শনিবার, ১১ আগস্ট, ২০১৮
  • ৫১৮ বার পড়া হয়েছে

বড়াইগ্রাম (নাটোর) প্রতিনিধি:
নাটোরের বড়াইগ্রামে ৩০০ মিটার সড়ক পাঁকা না করায়
রাস্তায় কাদায় হাটতে পারছেন না গ্রামের ২০ হাজার মানুষ।
আর কাঁদায় হাটতে না পেরে ধান চাষ করে প্রতিবাদ করেছে
স্থানীয় জনগন। গতকাল শনিবার সকালে উপজেলার সদর
ইউনিয়নের মাড়িয়া গ্রামে কিছু যুবক এ প্রতিবাদের
আয়োজন করে ।
স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, জালশুকা বাজার হতে মাড়িয়া
উত্তরপাড়া রাস্তা কার্পেটিং করে প্রায় ২ বছর আগে। তবে
৩০০ মিটার সড়ক বাদ রেখে সমাপ্ত হয় কার্পেটিং এর কাজ।
বিপাকে পরতে হয় এই ৩০০ মিটার রাস্তার পাশে বসবাস কারী
২০ হাজার মানুষের।
শনিবার সরজমিন ঘুরে দেখা যায়, একদল যুবক রাস্তায় ধানের
চারা লাগাচচ্ছে। যুবকদের প্রশ্ন কথা বলে জানা যায়, রাস্তায়
চলতে পারি না তাই ধানের চারা লাগিয়ে প্রতিবাদ
জানাচ্ছেন তারা। স্থানী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান,
মেম্বারদের একাধিকরা বলেও কোন উপকার হয় নাই।
স্থানীয় বাসিন্দা মাসুম রানা বলেন, বর্ষা মৌসুমে
আমাদের রাস্তাদিয়ে চলাচল করা যায় না। ফলে এসময় কৃষি ফসল
ঘরে তোলা এবং বাজারে বিক্রি দুটোতেই চরম ভোগান্তি
পোহাতে হয়।
বড়াইগ্রাম ইউনিয়নের পরিষদের চেয়ারম্যান মমিন আলী বলেন,
আগামী অর্থ-বছরে এডিপির কাজ শুরু হলে আমরা রাস্তা
পাকা করনের কাজ শুরু করবো।
সোনাবাজু উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রী আখী খাতুন, বর্ষা
মৌসুম শুরু হলেই আমরা স্কুলে যাওয়া কষ্টকর হয়ে যায়। জুতা
হাতে নিয়ে রোজ আমাদের স্কুল যেতে হয়।


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451