বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১১:৪০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশে কোনো পশু সংকট নেই – সাভারে মন্ত্রী আমিন উর রশিদ সাভার ও আশুলিয়ায় অপরিকল্পিত বাসা বাড়িতে বসবাসে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন জনগণ প্রাণিসম্পদ খাতকে সমৃদ্ধ করতে সরকার-বেসরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী   কুমিল্লার নাগরিক সেবায় নতুন অধ্যায়: গঠিত হচ্ছে ওয়াসা ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিচে ছোট পাইপ স্থাপনের অভিযোগ আশুলিয়ার জামগড়া ইস্টার্ন হাউজিং বাজারে জলাবদ্ধতায় ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির, ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ গৃহবধূ হত্যা মামলার আসামি র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার! আশুলিয়ার বাইপাইল- ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট, চরম দুর্ভোগে জনসাধারণ আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং কতৃক অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র অপহরণের পর হত্যা: ২০ মাস পর লাশ উত্তোলন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

অবসেষে মারা গেল বঙ্গবাহাদুর হাতিটি,

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ১৬ আগস্ট, ২০১৬
  • ৪৮৫ বার পড়া হয়েছে

 

জাহিদ হাসান (সরিষাবাড়ী জামালপুর)প্রতিনিধি   : ভারতের আসাম থেকে আসা বুনো হাতি ‘বঙ্গবাহাদুর’ মারা গেছে। আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার কয়ড়া এলাকায় হাতিটির মৃত্যু হয়।

হাতি উদ্ধারকারী দলের সদস্য ভেটেরিনারি সার্জন সাঈদ হোসেন বিষয়টি জানিয়েছেন।

উদ্ধার হওয়া ভারতীয় হাতিটিকে নিয়ে কয়েক দিন ধরে বিপাকে পড়েন বন বিভাগের কর্মকর্তারা। উদ্ধার হওয়ার পঞ্চম দিন গতকাল সোমবারও হাতিটিকে নিরাপদ স্থানে সরানো যায়নি। এরই মধ্যে দুপুরে এটি অসুস্থ হয়ে পড়ে।

প্রথম দফা বন্যার শুরুতে গত ২৭ জুন পানিতে ভেসে আসা হাতিটিকে গত বৃহস্পতিবার চেতনানাশক ব্যবহার করে উদ্ধার করে বন বিভাগের উদ্ধারকারী দল। এর পর থেকে এটি সরিষাবাড়ী উপজেলার কয়ড়া গ্রামে ছিল।

হাতিটিকে বশে আনতে পারেননি উদ্ধারকারীরা। উদ্ধারের পর দুই দফা দড়ি ও শিকল ছিঁড়ে ছুটে যায় এটি।

সর্বশেষ রোববার ফের চেতনানাশক দিয়ে হাতির চার পায়ে শিকল ও ডাণ্ডাবেড়ি পরানো হয়। এর পর থেকে এটি কয়ড়া গ্রামের কর্দমাক্ত খোলা মাঠে ছিল।

বন কর্মকর্তারা জানিয়েছিলেন, বিরূপ আবহাওয়ার কারণে হাতিটিকে নিরাপদ স্থানে সরানো যাচ্ছে না।

উদ্ধারকারী দলের প্রধান ড. তপন কুমার দে বলেছিলেন, “আমরা কোনো বন্যপ্রাণী নিয়ে এর আগে এমন সমস্যায় পড়িনি। বিরূপ পরিবেশের কারণে ‘বঙ্গবাহাদুর’কে স্থানান্তর কঠিন হয়ে পড়েছে। হাতিটি যেখানে রয়েছে, তার চারপাশে কর্দমাক্ত। এক কিলোমিটারের মধ্যে কোনো রাস্তা নেই। হাতিটি স্থানান্তর করতে হলে প্রথমেই ট্রাক যাওয়ার মতো বড় রাস্তায় নিতে হবে। হাতিটি বশে না আসায় সেটা সম্ভব হচ্ছে না। সাফারি পার্ক থেকে দুটি পোষা হাতি আসার কথা থাকলেও সেগুলো এখনো এসে পৌঁছায়নি।”

ভেটেরিনারি সার্জন সাঈদ গতকাল জানিয়েছিলেন, পায়ে শক্ত বাঁধন ও শরীরের তাপমাত্রা কিছুটা বেড়ে যাওয়ায় হাতিটি দুপুরের দিকে শুয়ে পড়ে। তার চিকিৎসা চলছে। তবে এ নিয়ে শঙ্কার কিছু নেই

 


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451